‘এসো হে বৈশাখ…’ হালফিলের নববর্ষের সূচনা হয়েছিল সেই আদ্যিকালে 

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো

তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,

বৎসরের আবর্জনা

দূর হয়ে যাক,

যাক, যাক

এসো, এসো

এসো হে বৈশাখ, এসো, এসো…’

কাঠফাটা রোদ, দুঃসহ গরম আর প্রবল শ্রান্তির দিন আনে বৈশাখ। সেই সঙ্গে আনে পুরাতনের গন্ধ সরিয়ে রেখে নূতনের আশা। তাই মানুষ অপেক্ষা করে থাকে পয়লা বৈশাখের জন্য।

আর হাতে গোণা কয়েকদিন পরেই আসতে চলেছে বাঙ্গালির নববর্ষ। আর বাংলা বছরের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখ। পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, ত্রিপুরায় এইদিনে বাঙালি মেতে ওঠে ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণে।

চৈত্র মাসের শেষ দিনকে বলা হয় চৈত্র সংক্রান্তি বা মহাবিষুব সংক্রান্তি। ওই দিন গাজন উৎসব উপলক্ষ্যে চড়ক পুজো, শিবের উপাসনা করা হয়। জ্যোতিষমতে এই দিন থেকেই সূর্য মীন রাশি ত্যাগ করে মেষ রাশিতে প্রবেশ করে।

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে প্রতি বছর ১৫এপ্রিল পয়লা বৈশাখ পালিত হয়য়। আধুনিক বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে এই দিন স্থির করা হয়েছে।

বঙ্গে চান্দ্রসৌর বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে ১৫ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ পালিত হয়। সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা ক্যালেন্ডার মতে বারো মাস অনেক কাল আগে থেকেই পালিত হত। এই সৌর পঞ্জিকার শুরু হয়েছে গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে।

প্রথম দিকে নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখ ঋতুকালীন উৎসব হিসেবে পালিত হত। সেই সময় এর মূল তাৎপর্য ছিল কৃষিকাজ। এর কারণ তখনকার দিনে কৃষকরা ফসল ফলানোর জন্য ঋতুর উপরই নির্ভর করতে হত।

পয়লা বৈশাখ বহু আগে থেকেই পালিত হত। সেই যে যখন সম্রাট আকবর ভারত শাসন করতেন তখন থেকে। অর্থাৎ আকবরের সময়কাল থেকেই পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন শুরু হয়েছিল।

এর ন এপথ্যেও একটি কারণ ছিল। তৎকালীন সময়ে প্রত্যেককে বাংলা চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সব খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হত। চৈত্রের শেষ ও বৈশাখের শুরুতে পয়লা বৈশাখে জমি মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের বাসিন্দাদেরকে মিষ্টি বিলি করে আপ্যায়ন করতেন। এই উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত।

নববর্ষের মূল আকর্ষণ ছিল হালখাতা। এই হালখাতা হল একটি নতুন হিসাব বই। সেই রীতি এখনও চলছে। ব্যবসায়ীরা পয়লা বৈশাখের দিনে নতুন খাতা করেন। লক্ষ্মী-গণেশের পুজো করেন। খাতায় মঙ্গলচিহ্ন স্বস্তিকা আঁকা হয়ে থাকে। সকল মানুষ নতুন পোশাক করে নূতনের জয়গান গান, গুরুজনদের প্রণাম করেন।

আধুনিককালে নববর্ষ উদযাপন প্রথম হয়েছিল ১৯১৭ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে ওই বছর পয়লা বৈশাখে হোম কীর্তন ও পুজোর ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ১৯৩৮ সালেও এমনই হোম-যজ্ঞ হয়েছিল।

কালীপুজোর সন্ধ্যায় বেলেঘাটায় ভয়াবহ আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন

দীপাবলির লক্ষ্মীপুজোর শুভক্ষণ পেরিয়ে গিয়েছে? এখনও রয়েছে শেষ সুযোগ, কোন সময়ে করবেন পুজো?

দুপুরে মেনুতে পাতে রাখুন মেথি শাক দিয়ে মুগ ডাল! স্বাদে-গন্ধে মন ভরবে, রইল রেসিপি

ছেলের গবেষণার সুযোগ আইআইটিতে, খুশিতে দুঃস্থদের পাত পেড়ে খাওয়ালেন মা

কালীপুজোয় বারাসত-মধ্যমগ্রামে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, চার ঘণ্টা মণ্ডপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি

গির্জার আদলে কালীপুজোর মণ্ডপ! রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক

হামজার সেঞ্চুরিতে কুপোকাত ভারত, ছোটদের এশিয়া কাপে ৩ উইকেটে জিতল পাকিস্তান

প্রেমিকাকে বিয়ের দাবিতে টাওয়ারে চড়ে বসল যুবক, শোরগোল নন্দীগ্রামে

হীরের টিপ থেকে ১১০ কেজি সোনা-রুপোর গয়না! ১০৩ বছরে আরও জাঁকজমক নৈহাটির বড়মা

‘দেশ থেকে মাওবাদীদের মুছে ফেলা হয়েছে,’ দীপাবলিতে ঘোষণা মোদির

তৃণমূলের আচরণের জন্য বিএসএফের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঢাকে কাঠি,একসঙ্গে আলপনা দিলেন ১২০০ জন

দীপাবলিতে মাংস কিনতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, বাবা-ছেলে-সহ মৃত ৩

দীপাবলিতে ভক্তদের উপহার দিলেন ভিকি ক্যাটরিনা, প্রকাশ্যে আনলেন ছেলে বিহানকে