Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

স্বপ্নপূরণ! ১০ কন্যাসন্তানের পর কোল আলো করল ছেলে, ১৯ বছরে ১১ বার মা সুনীতা

এই দম্পতির ইতিমধ্যেই ১০টি কন্যা রয়েছে। এখন একটি পুত্রসন্তানের পর ১১ টি সন্তানের পিতা-মাতা হলেন সঞ্জয়-সুনীতা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৯ বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে ১০ নম্বর কন্যার পর পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন হরিয়ানার সুনীতা। মেয়ে হোক বা ছেলে সন্তান কে না ভালবাসে, সব মেয়েদেরই ইচ্ছে মা হওয়ার। হরিয়ানার ফতেহাবাদ জেলার ভুনা ব্লকের ধনি ভোজরাজ গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জয় এবং তাঁর স্ত্রী সুনিতারও একই ইচ্ছে ছিল। কিন্তু তাঁদের প্রথম থেকে ইচ্ছে ছিল পুত্রসন্তানের বাবা-মা হওয়ার। সেইমতো তাঁরা চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু ১৯ বছরের বিবাহিত জীবনে প্রতিবারই মেয়ে সন্তানের মুখ দেখেছেন তাঁরা। কিন্তু চেষ্টা ছাড়েন নি। একে একে ১০ জন কন্যার জন্ম দেন সুনীতা, তবুও তাঁদের পুত্রসন্তানের বাবা-মা হওয়ার সুপ্ত বাসনা ছিল। অবশেষে ১৯ বছর অপেক্ষার পর ২০২৬ সালে দেখল পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন সুনীতা।

স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের পরিবারে এই মূহুর্তে খুশির আবহাওয়া বইছে। এই ঘটনা তাঁদের পরিবারকে অসাধারণ করে তুলেছে, গোটা গ্রামেই আনন্দোৎসব শুরু হয়েছে। এই দম্পতির ইতিমধ্যেই ১০টি কন্যা রয়েছে। এখন একটি পুত্রসন্তানের পর ১১ টি সন্তানের পিতা-মাতা হলেন সঞ্জয়-সুনীতা। সঞ্জয় জানিয়েছেন, আমি সবসময় আমার মেয়েদের ছেলের মতো আচরণ শেখাতাম। এই নিয়ে মানুষ নানা কথা বলত, নানা রকমের ঠাট্টা করত, কিন্তু আমরা কখনও তাদের বোঝা মনে করিনি। আমার বড় মেয়ের বয়স এখন ১৮ বছর। সে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ে। অন্য মেয়েরাও পড়াশোনা করছে। আর্থিক সীমাবদ্ধতা সব মেয়েদের পড়াশোনা শেখাচ্ছি। সাধ্যমতো তাঁদের লালন-পালন করছি।’

গ্রামবাসীরাও জানিয়েছেন, সঞ্জয়ের পরিবার সর্বদা একটি সরল জীবনযাপন করছে। সীমিত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও, তাঁরা তাঁদের মেয়েদের মূল্যবোধ, শিক্ষা এবং আত্মসম্মান প্রদান করেছে। এই কারণেই আজ এই পরিবারটি এলাকার মানুষের কাছে অসাধারণ হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি, সুনিতা তাঁর একাদশ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। অবশেষে পরিবারটি একটি পুত্র সন্তানের আশীর্বাদ পেয়েছে। কিন্তু উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সুনিতার এই একাদশতম প্রসব সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল। স্ত্রীর উন্নত চিকিৎসার জন্য বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ত্রীর প্রসবের ব্যবস্থা করেছিলেন সঞ্জয়। জন্মের সময় নবজাতকটি রক্তাল্পতায় ভুগলেও এখন সে সুস্থ আছে। ছেলের জন্মের পর এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেছেন সঞ্জয়। এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়রাও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সঞ্জয়ের মা মায়া দেবী নাতির জন্মে আনন্দে আত্মহারা। সঞ্জয়ের বাবা কাপুর সিংহ মারা গিয়েছেন। তিনি গণপূর্ত বিভাগে (পিডব্লিউডি) পিয়ন হিসেবে কাজ করতেন। বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব সঞ্জয়ের কাঁধে, তবুও তিনি পুত্রসন্তানের জন্যে আশা ছাড়েননি।

সঞ্জয় একসময় গণপূর্ত বিভাগে দৈনিক মজুরির শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন, কিন্তু ২০১৮ সালে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর, তিনি মনরেগার অধীনে কাজ করে তার পরিবারকে সাহায্য করতেন। কিন্তু গত এক বছর ধরে তাঁর কাজ নেই। কিন্তু সঞ্জয় কখনও কঠোর পরিশ্রম থেকে পিছপা হননি। তিনি তার সন্তানদের জন্য যা কিছু করতে পারতেন তা করেছেন। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, তিনি সর্বদা তাঁদের শিক্ষা এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণ করেছেন। তবে সঞ্জয়ের এক মেয়েকে একজন আত্মীয় দত্তক নিয়েছেন। কিন্তু বাকি নয়জনের দায়িত্ব তিনিই পালন করছেন।তাই তাঁদের পরিবার এখন একটি অসাধারণ পরিবার হয়ে উঠেছে।

আজকের রাশিফল: কাছের বন্ধুদের থেকে ধোঁকা খাওয়ার সম্ভাবনা, বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ

বাংলাতেও ভোট চুরি হয়েছে, মমতাকে ফোনে জানালেন রাহুল গান্ধী

পাঁচ বছরের জন্য বাংলায় বিশেষ দায়িত্বে ‘সিংহম’ অজয় পাল শর্মা!

বিজেপি নয়, বামেদের প্রাপ্ত ভোটই টালিগঞ্জে অরূপের হারের মূল ফ্যাক্টর!

গেরুয়া ঝড়ে কুপোকাত রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা, গড় ধরে রাখতে ব্যর্থ সুজিত-অরূপরা

ঝাড়গ্রামের ৪ আসনেই বিজেপির জয়, তৃণমূলের ঝুলিতে শূন্য

ঘরের মাঠে জ্বলে উঠলেন রোহিত, ৬ উইকেটে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারাল মুম্বই

৯ মে ব্রিগেডের মাঠে খোলা আকাশের নিচে শপথ নেবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

D০ Or Die ম্যাচে মুম্বইকে বড় রানের টার্গেট দিল লখনউ সুপার জায়ান্টস

নন্দীগ্রামের পরে ভবানীপুরেও শুভেন্দুর কাছে হারলেন মমতা

‘পদ্ম ফুটেছে’, বঙ্গ জয়ের জন্য বিজেপি কর্মীদের শুভেচ্ছা মোদির

ফুটল না ‘জোড়া ফুল’, নন্দীগ্রাম থাকল শুভেন্দুরই হাতে

মহীরূহ পতন, নিজের গড়েই হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মমতা-শুভেন্দু, দু’জনের ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের