পুড়ে ছাই ২৭ জন, তবুও পেটের দায়ে আনন্দপুর কারখানা খুলুক চান হাজার হাজার কর্মী

জানা যায়, ঘটনার দিন পরপর আগুন লেগে যাওয়ায় একটি দরজা দিয়ে বের হতে চেষ্টা করলেও কর্মীরা বেরোতে পারেনি। তাতেই একের পর এক কর্মীর মৃত্যু হয়।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জন কর্মীর। ঘুমের মধ্যেই আচমকা আগুন লেগে যাওয়ায় ডেকরেটার্সের গোডাউনে থাকা একাধিক কর্মী দগ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন। ২৬ জানুয়ারি ভোরে নরেন্দ্রপুর নাজিরাবাদে এই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা রাজ্যকে। প্রথমে ৮ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেলেও ছাই হাতড়ে বের করা হচ্ছে একের পর এক দেহাংশ। যদিও মৃতদেহগুলি পুড়ে যাওয়ায় কর্মীদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। DNA পরীক্ষা করে তাঁদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এখনও নিখোঁজ অনেকে। কান্নায় ভেঙে পড়েছে কর্মীদের পরিবার। প্রাথমিক অনুমান, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফো রণ হয়েই আগুন লেগেছে। তবে এখনও এই ঘটনার সঠিক কারণ জানা যায়নি। জানা যায়, ঘটনার দিন পরপর আগুন লেগে যাওয়ায় একটি দরজা দিয়ে বের হতে চেষ্টা করলেও কর্মীরা বেরোতে পারেনি। তাতেই একের পর এক কর্মীর মৃত্যু হয়। এখনও ঝলসানো দেহাংশের খোঁজ চলছে। কিন্তু যে কর্মীরা বেঁচে গিয়েছেন, তাঁদের দিন চলবে কীভাবে?

আদৌ খুলবে গোডাউন। হাজার হাজার কর্মীর পেট চলে এই কারখানায় কাজ করে, তাঁদের কী হবে? চিন্তায় কর্মীরা।স্বাভাবিকভাবেই যে কোনও বড় দুর্ঘটনার পর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ চলেই। কিন্তু কলকাতার আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। কেননা এই ঘটনায় কারখানা ও গোডাউনের মালিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেওয়ার বদলে কর্মীরা একজোট হয়ে মালিক গঙ্গাধর দাসের পাশে দাঁড়িয়েছেন। গত মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছিল মালিক গঙ্গাধর দাসকে। কিন্তু তিনি বরাবরই এই অগ্নিকাণ্ডের জন্যে ওয়াও মোমো সংস্থাকে দায়ী করেছেন। শনিবার রাতে হেঁড়িয়ায় সম্মিলিত হয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন শতাধিক শ্রমিক। দীর্ঘদিনের শ্রমিক তপন মণ্ডল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন, এই সঙ্কটের মুহূর্তে তাঁরা মালিকের সঙ্গ ছাড়বেন না।

এদিকে আনন্দপুর বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের পরপরই অভিযোগ উঠেছে যে, ডেকরেটার্স ব্যবসায়ী গঙ্গাধর দাস তাঁর কর্মীদের ঠিকমতো বেতন দিতেন না। কিন্তু এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কর্মীরা। বলেছেন, ১০-১২ বছর ধরে তাঁরা সেখানে কাজ করে আসছেন। কোনদিন বেতন নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়নি। কর্মীদের দাবি মালিক সর্বদা তাঁদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনেছেন এবং যথাযথভাবে সাহায্য করেছেন। এই প্রতিষ্ঠানটি খেজুরি, নন্দীগ্রাম, হাওড়া। প্রায় ২০০০ পরিবারের অন্ন জোগাত এই সংস্থান। শুধু তাই নয়, গঙ্গাধর দাসের ডেকরেটার্স কারখানায় হাজার হাজার শিক্ষিত ও বেকার যুবক কাজ করতেন। সকলের অন্নসংস্থান ছিল এটি। তাই তাঁরা মালিকের সঙ্গ ছাড়বেন না বলে জানিয়ে গিয়েছেন। তাই তাঁরা আবারও নতুন করে কাজ শুরু করতে চাইছেন কারখানায়।

‘দেশ থেকে মাওবাদীদের মুছে ফেলা হয়েছে,’ দীপাবলিতে ঘোষণা মোদির

‘রাম মন্দিরে কোনওদিন যাব না,’ মমতাপন্থী সাংসদ কীর্তির মন্তব্যে শোরগোল

মাটির প্রতিমা নয়, আস্ত নিমগাছেই পূজিত হন মা কালী! কাটোয়ায় ৩৫০ বছরের ঐতিহ্য

ইয়েমেনে সৌদি হামলায় শিশু সহ নিহত ৩৩, আহত একাধিক

তৃণমূলের আচরণের জন্য বিএসএফের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

সোমবার থেকে তিন দিন বদলাচ্ছে একাধিক ট্রেনের রুট! কেন এই সিদ্ধান্ত পূর্ব রেলের?

‘বাংলাদেশে চলে যাক’ বামেদের উদ্দেশ্যে কেন একথা বললেন দিলীপ ঘোষ?

কেদারতাল ট্রেকিং দুর্ঘটনায় ৪ যুবকের দেহ ফিরল বাঁকুড়ায়, শোকের ছায়া এলাকায়

গোবর্ধন পুজো উপলক্ষ্যে সোমবারে কমবে মেট্রো পরিষেবা

কালীপুজোর আগে স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে DLS নিয়মে জয়ী গিলরা, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত

ঠাকুরঘরেই মৃৎশিল্পের কারখানা! কিশোরের হাতে তৈরি আগমেশ্বরী ট্রেনে চেপে গেলেন বনগাঁয়

মধ্যপ্রাচ্যে ফের উত্তেজনা! বাতিল একাধিক বিমান, বদলাচ্ছে UAE-র ফ্লাইট সূচি

বক্স অফিসে নতুন রেকর্ডের পথে ‘রামায়ণ’, তিন দিনের মোট আয় শুনলে চমকে যাবেন