সারাক্ষণ ফোনের টুং-টাং শব্দে অস্থির? নোটিফিকেশন অ্যাংজাইটি কমানোর ৭ সহজ উপায়

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও নানা অ্যাপের নোটিফিকেশন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।তবে অতিরিক্ত নোটিফিকেশন ও অনবরত ফোন ব্যবহার মানসিক চাপ ও মনোযোগের ঘাটতি তৈরি করতে পারে। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

১. সব অ্যাপের নোটিফিকেশন চালু রাখার প্রয়োজন নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গেম বা অনলাইন শপিং অ্যাপের অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ বা ‘সাইলেন্ট’ করে দিন। দিনে একটি নির্দিষ্ট সময় ধরা যাক ১৫ থেকে ২০ মিনিট-রাখুন নোটিফিকেশন দেখার জন্য। শুধু জরুরি বিষয় যেমন ফোন কল, গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ বা ই-মেইলের অ্যালার্ট চালু রাখুন।

আরও পড়ুন: অল্প মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন? বাড়িতে বানান লাউ ও ছানার হালুয়া

২. প্রতিদিন কিছু সময় ডিভাইস থেকে দূরে থাকুন দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার না করার অভ্যাস করুন। যেমন ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখা, খাওয়ার সময় ফোন না দেখা বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় ডিভাইস দূরে রাখা। এতে মন অনেকটাই স্বস্তি পায় এবং কাজে মনোযোগ বাড়ে।

৩. নির্দিষ্ট সময় পরপর মেসেজ ও নোটিফিকেশন দেখুন বারবার ফোন চেক না করে নির্দিষ্ট সময় পরপর সব মেসেজ, ই-মেল ও নোটিফিকেশন একসঙ্গে দেখার অভ্যাস করুন। যেমন প্রতি দুই ঘণ্টা পর বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করার পরে। কাজ শেষ হলে অল্প সময়ের জন্য ফোন ব্যবহারকে নিজের জন্য একটি ছোট ‘পুরস্কার’ হিসেবে ধরতে পারেন। এতে অকারণে বারবার ফোন হাতে নেওয়ার প্রবণতা কমবে।

৪. নিয়মিত ধ্যান বা গভীর শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে মানসিক চাপ কমে এবং উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এই অভ্যাস ড্রমস্ক্রলিং বা অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের প্রবণতাও কমাতে সাহায্য করে।

৫. কোন্ও নোটিফিকেশন দেখার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন-এটি কি সত্যিই জরুরি? যদি তা না হয়, তবে পরে দেখলেও চলবে। এতে অপ্রয়োজনীয় তথ্যের চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব।

৬. প্রতিদিন অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুমের জন্য সময় রাখুন। কাজের জন্য প্রায় ৬ ঘণ্টা নির্ধারণ করুন। এছাড়া অন্তত ১ ঘণ্টা হাঁটা বা ব্যায়াম করুন এবং ১-২ ঘণ্টা পড়াশোনা বা ব্যক্তিগত উন্নয়নের কাজে ব্যয় করুন। এই সময়গুলোতে ফোন ব্যবহার যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখুন। নির্দিষ্ট সময়ে ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৭. ফোনের ‘স্ক্রিন টাইম’ বা ‘ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং’-এর মতো ফিচার ব্যবহার করে প্রতিদিন কতক্ষণ ফোন ব্যবহার করছেন তা নজরে রাখুন। প্রয়োজনে অ্যাপে সময়সীমা নির্ধারণ করে অ্যালার্ম সেট করুন, যাতে নির্দিষ্ট সময় পার হলে সতর্কবার্তা আসে। এতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের উপর সহজেই নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব।

ঘর সাজাতে বিপদ ডেকে আনছেন না তো? ক্ষতি এড়াতে আজই সরান এই ৫ গাছ

নিজের গড়েই হামলার মুখে অনুব্রত মণ্ডল, গ্রেফতার তিন দুষ্কৃতী

ক্লাস চলাকালীন বই নিয়ে ঝগড়া, সহপাঠীকে ধারাল বস্তু দিয়ে কোপ ছাত্রের

ভারতের বিরুদ্ধে তিন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটারের সেঞ্চুরি, বড় রানের টার্গেট পেলেন শুভমনরা

পুজোর মুখে যাত্রীদের বড় উপহার! একাধিক রুটে এসি ট্রেনের বাড়তি স্টপেজ দিল রেল

নাক-মুখ চেপে জঙ্গলে টেনে হিঁচড়ে প্রতিবন্ধী নাবালিকাকে ধর্ষণ! গ্রেফতার প্রতিবেশী যুবক

পুজোর আগে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু, হুগলি জুড়ে ৫২০ জন আক্রান্ত, ড্রোন উড়িয়ে নজদারি প্রশাসনের

ভিয়েতনামে যোগ-ব্যায়াম শেখাতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ঝাড়খণ্ডের ২ প্রশিক্ষক

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কার্যকর নিয়ে বড় নির্দেশ শুভেন্দুর, বেঁধে দিলেন সময়

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমান হাইজ্যাক? চাঞ্চল্য ইজরায়েলে

পরনে বোরকা-হিজাব, হাতে একে-৪৭! মেয়েদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করছে ইরান

আগামী ২ অক্টোবর থেকে গণতন্ত্র বাঁচাও আন্দোলনে নামছে ইন্ডি জোট, সিদ্ধান্ত দিল্লির বৈঠকে

রাখি পরানো ভাইকে বিয়ে, রেগে জীবিত মেয়ের শ্রাদ্ধ করল বাবা

কার্ড বের করার ঝামেলা শেষ, ভারতে চালু Apple Pay