Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...

মাধ্যমিকে সফল খড়গ্রামের ৪ ছাত্রী, অন্ধকার পথে আলোর দিশা কেমন করে?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি,কান্দি : ইচ্ছেশক্তির ওপরে ভর করে অন্ধকারকে পিছনে ফেলে আলোর পথে এগিয়ে চলেছে তারা। একটা সময়ে তাদের জীবনে অন্ধকার ছাড়া কিছু ছিল না। কাউকে পাচার করে দেওয়া হয়েছিল, কারও দিন কেটেছে যৌনপল্লিতে, আবার কেউ বেড়ে উঠেছে পিতৃপরিচয় ছাড়াই। কিন্তু তাদের নিজের পরিচয় তারা নিজেরাই তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছে। নিজেদের খারাপ পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাধ্যমিকে বড় সাফল্য  পেয়েছে খড়গ্রামের ৪ আবাসিক ছাত্রী।

খড়গ্রামে একটি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত হোমেই বাস এই ৪ জনের। তাদের মধ্যে একজন ছ’টি বিষয়ে লেটার মার্কসও পেয়েছে। জানা গিয়েছে, খড়গ্রামের ওই হোমে ৪০ জন আবাসিক মহিলা রয়েছে। কেউ ১০ বছর বা কেউ আরও বেশি সময় ধরে সেখানে রয়েছে। খারাপের মধ্যেও আলোকে খুঁজে নেওয়ার অদম্য জেদ ৪ ছাত্রীকে সাফল্যের পথে এগিয়ে দিয়েছে। সকল আবাসিকই চাইছে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে। এই ৪ ছাত্রী তাঁদের আরও উৎসাহিত করেছে।

জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে করোনার সময়ে এক নাবালিকা এই হোমে আসে। কলকাতার এক যৌনপল্লিতে ছোটবেলায় চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল তাকে। তারপরেই খড়গ্রামের হোমে ঠাঁই হয়। কর্তৃপক্ষ তাকে স্থানীয় একটি স্কুলে ভর্তি করে। তখন থেকেই স্বাভাবিক জীবনে ফেরার লড়াই চালিয়েছে সে। চলতি বছর মাধ্যমিকে বসে ৫২৪ নম্বর পেয়েছে সে। ছ’টি বিষয়ে লেটার মার্কস রয়েছে। ওই ছাত্রী জানায়, সরকারি আধিকারিক হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে তার। পাশাপাশি সমাজে অবহেলিত মহিলাদের সাহায্য করতে চায় সে। তার মতো যাঁরা অত্যাচারিত অবহেলিত, তাদের পাশে দাঁড়াতে চায়। ওই হোমের আরও এক নাবালিকা মাধ্যমিকে ৪৩১ নম্বর পেয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে। পিতৃপরিচয়হীন এই নাবালিকা এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার সন্তান। ৬ বছর বয়সে হোমে আসার পর লড়াই শুরু করেছিল। বাকি দুই ছাত্রীও অন্ধকার থেকে আলোর পথ খুঁজে পেয়েছে। একজন ছোটবেলায় ট্রেনে ভিক্ষা করে অন্যদের হাতে তুলে দিত। যৌন লালসার শিকার হতে হয়েছে তাকে। ২০১৫ সালে এই হোমে ঠাঁই হয়। অপর নাবালিকারও অন্ধকার জগতের কুঠুরিতে ঠাঁই হয়েছিল। ২০২৪ সালে সারা শরীরে কালসিটে দাগ নিয়ে হোমে এসেছিল সে। এবছর মাধ্যমিকে ২২০ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। অন্যান্যদের তুলনায় নম্বর হিসেবে খুব নজরকাড়া না হলেও, তাঁদের যন্ত্রণাময় জীবন থেকে মুক্তি পাওয়ার দরজা খুলে গিয়েছে।

হোমের সুপার জানিয়েছেন, অদম্য জেদ ও লড়াই তাঁদের সাফল্যের চাবিকাঠি। তাদের দেখে অন্যান্যরাও উৎসাহিত হচ্ছেন। প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে এখন শুধুই এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন ৪ ছাত্রীর চোখে। অতীতের অন্ধকার দিনগুলো আজ আর মনে রাখতে চায়না তারা।  

জগদ্দল পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার তাজা বোমা, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী

‘আমার স্বামী একাই লড়ল, আমি কোণায় বসে কাঁদছিলাম’, বাড়িতে চোরের খপ্পরে সোহা-কুণাল

‘‌সোনার বাংলা না করে আমরা ছাড়ব না’‌, সুভাষ সরোবর থেকে বার্তা দিলীপের

প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তার পর জরুরি বৈঠকে রাজনাথ সিং, বড় কিছু ঘোষণার পথে কেন্দ্র?

দিল্লিতে ৩০ মিনিটের রিকশা সফরের ভাড়া ৪৫০০ টাকা? জার্মান পর্যটকের অভিযোগে উত্তাল নেটদুনিয়া

মাছ-মাংস ম্যারিনেট করার সময় এই ভুলগুলি করলেই নষ্ট হতে পারে রান্নার স্বাদ

এক বছর সোনা কিনবেন না, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের নেপথ্যে কারণ কী?

ইডির তলবে সাড়া সুজিতের, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

‘‌প্রতিশ্রুতি মেনেই উন্নয়নের কাজ হবে’‌, শমীককে পাশে নিয়েই বার্তা শুভেন্দুর

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথের খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

উর্বিলের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের কাছে হার মানল পন্থের লখনউ

মহারাষ্ট্রের এই রেসিপিটি গরম ভাতের সঙ্গে টক-মিষ্টি স্বাদের দারুণ কম্বিনেশন

‘‌ইস্তেহারে থাকা প্রতিশ্রুতি নিয়ে সরকারের সঙ্গে যোগ থাকবে’‌, বার্তা শমীকের

বেলুড়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, লরির ধাক্কায় পাঁচিল চাপা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু