শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ আর জোড়া গোল! যুবভারতীতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর অমীমাংসিত ডার্বি

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রথমার্ধে বলের দখল মূলত মোহনবাগানের পায়ে থাকলেও, ইস্টবেঙ্গল খেলেছিল কিছুটা রক্ষণাত্মক ছকে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের বাঁশি বাজতেই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উপস্থিত ৬২,২০১ জন দর্শকের সামনে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে দুই দলই। শুরু হয় নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়ার লড়াই। তবে দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময় থেকে ম্যাচের মোড় ঘুরতে থাকে ট্যাকটিক্যাল বদল এবং শেষ মুহূর্তের চরম নাটকীয়তায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে, বিশেষ করে ৫৪ থেকে ৫৯ মিনিট পর্যন্ত, যুবভারতীর মাঠে ফুটবলের চেয়ে ফাউলের আধিক্যই বেশি চোখে পড়ে। শারীরিক ফুটবলের এই লড়াইয়ের মাঝেই ৫৯ মিনিটের মাথায় রেফারি ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক প্রভসুখন গিলকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করে দেন। এরপরই দুই দলের কোচেরা নিজেদের তুরুপের তাস মাঠে নামাতে শুরু করেন ৬৩ মিনিট (ইস্টবেঙ্গল) প্রথম জোড়া বদল আনেন কোচ অস্কার। সয়বার্গকে তুলে ইউসেফ এবং পিভি বিষ্ণুকে তুলে এডমুন্ডকে মাঠে নামান তিনি। ৬৮ মিনিট (মোহনবাগান) কোচ লোবেরাও জবাব দেন বদল এনে। সাহাল আবদুল সামাদকে তুলে নিয়ে তিনি মাঠে নামান দিমিত্রিওসকে (ডিমি)। ৭৬ মিনিট (মোহনবাগান) ড্রিঙ্কস ব্রেকের পর টম আলড্রেড ও মনবীর সিংয়ের জায়গায় মাঠে আসেন রবিনহ ও মেহতাব। ৮০ মিনিট (মোহনবাগান) আক্রমণের ধার বাড়াতে আলবার্তো ও আপুইয়াকে তুলে নিয়ে কোচ লোবেরা মাঠে নামান জেসন কামিন্স ও দীপককে। এর ফাঁকেই ৬৫ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গলের মিগুয়েলের নেওয়া একটি জোরালো শট অনবদ্য দক্ষতায় আটকে দিয়ে মোহনবাগানের পতন রোধ করেন বিশাল কাইথ।

৮৩ মিনিট পর্যন্ত যুবভারতীর স্কোরবোর্ড গোলশূন্য থাকলেও, আসল রোমাঞ্চ জমিয়ে রেখেছিল শেষ কয়েক মিনিট। ৮৫ মিনিট লাল-হলুদ শিবিরের অপেক্ষার অবসান ঘটে। মিগুয়েলের নিখুঁতভাবে বাড়ানো পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে ইস্টবেঙ্গলকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন বদলি হিসেবে নামা এডমুন্ড। ৯০ মিনিট এক গোল হজম করেও হাল ছাড়েনি সবুজ-মেরুন। ডিমির নেওয়া দুর্দান্ত কর্নার থেকে বক্সে বল পেয়ে অসাধারণ ফিনিশে গোল করে মোহনবাগানকে সমতায় ফেরান জেসন কামিন্স।

রেফারি অতিরিক্ত ৭ মিনিট সংযোজন করেন, আর এই সময়টুকু ছিল দুই দলের সমর্থকদের জন্যই চরম স্নায়ুর চাপ। ৯১ মিনিট রশিদের একটি নিশ্চিত গোলের শট অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করে মোহনবাগানকে বাঁচান বিশাল কাইথ। ৯৫ ও ৯৬ মিনিট দুই দলই সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে বিপিন এবং মোহনবাগানের হয়ে কামিন্সের বাড়ানো বল থেকে ম্যাকলারেন সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ৯৭ মিনিট ম্যাচের একেবারে শেষ লগ্নে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ইস্টবেঙ্গলের গোলদাতা এডমুন্ড।

এরপরই রেফারি ভেঙ্কটেশ ফাইনাল বাঁশি বাজান। ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল ১-১ ড্র হিসেবেই শেষ হয়। মরশুমের প্রথম ডার্বিতে জয় না এলেও, গ্যালারিভর্তি দর্শকের সামনে দুই প্রধানই বুঝিয়ে দিল আইএসএল খেতাবের দৌড়ে কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না।

ঝাড়গ্রাম পুরসভার কর্মচারীদের কড়া বার্তা দিলেন বিজেপি বিধায়ক

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঠের সেতু পারাপারে টোল আদায় বন্ধ করল বিজেপি

ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দুর্গাপুরের নিউমার্কেট এলাকার রাস্তা সারালেন বিজেপি বিধায়ক

মরশুমের প্রথম ডার্বিতে হাড্ডাহাড্ডি স্নায়ুর লড়াই, সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে প্রথমার্ধ গোলশূন্য

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে ফের শোকের ছায়া, ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী তামিল প্রযোজক

মোদির আত্মনির্ভর পথে বিশেষ ধরনের মাইক্রো টার্বোজেট ইঞ্জিন তৈরি করেছে মৃন্ময়

২৩ রানে পঞ্জাবকে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফে আরসিবি

রাজ্যের মন্ত্রী হয়ে সস্ত্রীক গ্রামের বাড়িতে দিলীপ, রবিবার ঝাড়গ্রামে উৎসবের মেজাজ

শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ আর জোড়া গোল! যুবভারতীতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর অমীমাংসিত ডার্বি

‘‌এখন ডিজের বদলে তৃণমূল নেতাদের ঘরে হারমোনিয়াম বাজছে’‌, ফলতায় খোঁচা শমীকের

বছরে ৬,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য! বাংলায় শুরু আরও একটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প

প্রয়াত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের চণ্ডীপুরের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী

মস্কোয় ইউক্রেনের ড্রোন হামলার জেরে মৃত্যু হল এক ভারতীয়ের, জখম ৩

তৃণমূল নেতার দখল নেওয়া জমি মূল মালিককে ফিরিয়ে দিলেন বিজেপির উপপ্রধান