মরশুমের প্রথম ডার্বিতে হাড্ডাহাড্ডি স্নায়ুর লড়াই, সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে প্রথমার্ধ গোলশূন্য

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডার্বি মানেই কলকাতার ফুটবল-হৃদয় দু’ভাগে বিভক্ত হওয়া— একদিকে সবুজ-মেরুন, অন্যদিকে লাল-হলুদ। ডার্বি মানেই ইলিশ আর চিংড়ির সেই চিরন্তন আভিজাত্যের লড়াই, আর দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর স্নায়ুর চূড়ান্ত পরীক্ষা। ভোট-পরবর্তী এবং চলতি মরশুমের এই প্রথম ডার্বিকে ঘিরে মাঠের ভিতর থেকে গ্যালারি— সর্বত্রই ছিল বারুদ-ঠাসা উত্তেজনা। আজকের এই মহারণ শুধুমাত্র ঐতিহ্যের নয়, বরং আইএসএল-এর খেতাব জয়ের দৌড়ে মানসিকভাবে অনেকটাই এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও এক নির্ণায়ক ম্যাচ।

প্রথম একাদশ

আজকের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে মোহনবাগান কোচ লোবেরা মূলত মাঝমাঠের দখল রাখতে ৪-৪-২ ফর্মেশনে দল সাজিয়েছিলেন। তাঁর প্রথম একাদশে ছিলেন:

* বিশাল কাইথ (গোলরক্ষক)
* টম আলড্রেড, আলবার্তো রদ্রিগেজ়, অভিষেক সিং টেকচাঁম, শুভাশিস বসু
* আপুইয়া রালতে, অনিরুধ থাপা, সাহল আবদুল সামাদ, মনবীর সিং
* লিস্টন কোলাসো এবং জেমি ম্যাকলারেন

অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াতে ভরসা রাখেন ৪-৩-৩ ফর্মেশনের ওপর। তাঁর সাজানো প্রথম একাদশে ছিলেন:

* প্রভসুখন সিং গিল (গোলরক্ষক)
* আনোয়ার আলি, কেভিন সিবিলে, পিভি বিষ্ণু, মিগুয়েল
* মহম্মদ রাকিপ, জিকসন সিং, জয় গুপ্তা
* বিপিন সিং, মহম্মদ রশিদ এবং আন্তন সয়বার্গ

রেফারির বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় কাঙ্ক্ষিত মহারণ। প্রথম মিনিট থেকেই টের পাওয়া যাচ্ছিল ম্যাচের উত্তাপ। খেলা শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যেই মোহনবাগান রক্ষণে চাপ বাড়িয়ে একাধিক সুযোগ তৈরি করে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা তারা পায়নি।

এরপর ১৪ মিনিটের মাথায় খেলার স্রোতের বিপরীতে গিয়ে সুবর্ণ সুযোগ চলে আসে ইস্টবেঙ্গলের কাছে। মোহনবাগানের ফুটবলারদের একটি মিস পাস থেকে বল পেয়ে যান আন্তন সয়বার্গ। তাঁর নেওয়া জোরালো শট সোজা গিয়ে লাগে মোহনবাগানের গোলপোস্টে। অল্পের জন্য এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয় লাল-হলুদের।

খেলার ২২ মিনিটের মাথায় ফের একবার চাপ তৈরি করে ইস্টবেঙ্গল। জিকসন সিংয়ের বাড়ানো নিখুঁত বল ধরে গোলমুখে শট নেন বিপিন সিং, কিন্তু তা আলবার্তো রদ্রিগেজ়ের গায়ে লেগে বিপদমুক্ত হয়। এই আক্রমণের পরেই মাঠের উত্তেজনা কিছুটা বৃদ্ধি পায়। ইস্টবেঙ্গলের সয়বার্গকে ধাক্কা দেওয়ার অপরাধে রেফারি ভেঙ্কটেশ মোহনবাগানের আলবার্তোকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করেন।

২৯ মিনিটের মাথায় ড্রিঙ্কস ব্রেক হওয়ার পর থেকে দুই দলের খেলাতেই কিছুটা ছন্দপতন দেখা যায়। মাঝমাঠে এলোমেলো ফুটবল চলতে থাকে। তবে এরই মাঝেও বেশ কিছু সুযোগ এসেছিল দুই শিবিরের কাছেই: ৩৬ মিনিট: মোহনবাগানের হয়ে নিশ্চিত সুযোগ হাতছাড়া করেন লিস্টন কোলাসো। ৩৭ মিনিট: ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন সয়বার্গ। ৩৯ মিনিট: ফের সুযোগ তৈরি হয় মোহনবাগানের, কিন্তু এবার ফিনিশ করতে ব্যর্থ হন মনবীর সিং।

প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ২ মিনিট সংযোজিত সময় পেলেও গোলমুখ খুলতে পারেনি কোনও পক্ষই। ফিনিশিংয়ের অভাব ও সহজ সুযোগ নষ্টের কারণে প্রথমার্ধের শেষে খেলার ফলাফল থাকে ০-০। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের কোচ কী রণনীতি নিয়ে মাঠে নামেন, এখন সেটাই দেখার।

শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ আর জোড়া গোলের নাটক! যুবভারতীতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর অমীমাংসিত ডার্বি

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঠের সেতু পারাপারে টোল আদায় বন্ধ করল বিজেপি

ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দুর্গাপুরের নিউমার্কেট এলাকার রাস্তা সারালেন বিজেপি বিধায়ক

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে ফের শোকের ছায়া, ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী তামিল প্রযোজক

মোদির আত্মনির্ভর পথে বিশেষ ধরনের মাইক্রো টার্বোজেট ইঞ্জিন তৈরি করেছে মৃন্ময়

২৩ রানে পঞ্জাবকে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফে আরসিবি

রাজ্যের মন্ত্রী হয়ে সস্ত্রীক গ্রামের বাড়িতে দিলীপ, রবিবার ঝাড়গ্রামে উৎসবের মেজাজ

প্রয়াত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের চণ্ডীপুরের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী

মরশুমের প্রথম ডার্বিতে হাড্ডাহাড্ডি স্নায়ুর লড়াই, সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে প্রথমার্ধ গোলশূন্য

‘‌এখন ডিজের বদলে তৃণমূল নেতাদের ঘরে হারমোনিয়াম বাজছে’‌, ফলতায় খোঁচা শমীকের

বছরে ৬,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য! বাংলায় শুরু আরও একটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প

মস্কোয় ইউক্রেনের ড্রোন হামলার জেরে মৃত্যু হল এক ভারতীয়ের, জখম ৩

তৃণমূল নেতার দখল নেওয়া জমি মূল মালিককে ফিরিয়ে দিলেন বিজেপির উপপ্রধান

রাজ্যের ৭টি জাতীয় সড়ক কেন্দ্রের হাতে, বিজ্ঞপ্তি জারি করে মাস্টারস্ট্রোক মুখ্যমন্ত্রীর