মরেও শান্তি নেই! ত্রিবেণী মহাশ্মশানে একসঙ্গে বিকল দুই বৈদ্যুতিক চুল্লি

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মৃত্যুর পর শেষ বিদায়েও দুর্ভোগের শেষ নেই! হুগলির ত্রিবেণী মহাশ্মশানে একসঙ্গে বিকল হয়ে পড়েছে দুটি বৈদ্যুতিক দাহচুল্লি। ফলে শোকের আবহে প্রিয়জনের শেষকৃত্য করতে এসে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে অনেক বেশি খরচে কাঠে দাহ সম্পন্ন করতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি কাঠের চিতার ধোঁয়ায় বাড়ছে পরিবেশ দূষণ, সমস্যায় পড়ছেন আশেপাশের বাসিন্দারাও।

হুগলির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্মশান ত্রিবেণী মহাশ্মশানে বর্তমানে পরিষেবা কার্যত বিপর্যস্ত। শ্মশানের দুটি বৈদ্যুতিক দাহচুল্লিই অকেজো হয়ে পড়ায় প্রতিদিনই চরম সমস্যার মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। পান্ডুয়া, মগরা, বলাগড়, পোলবা-সহ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে যেমন এখানে মৃতদেহ নিয়ে আসা হয়, তেমনই পাশের জেলা থেকেও বহু পরিবার শেষকৃত্যের জন্য এই শ্মশানের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু বর্তমানে দাহের সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় তাঁদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। জানা গিয়েছে, একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বিকল হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন অন্য চুল্লিটির মাধ্যমে কোনওরকমে পরিষেবা চলছিল। কিন্তু প্রায় ১৫ দিন আগে সেটিও খারাপ হয়ে যাওয়ায় এখন দুটি চুল্লিই অচল।

আরও পড়ুন: ১৪ বছরেও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাসের খুনিদের শাস্তি দেখার অপেক্ষায় বৃদ্ধ বাবা

ত্রিবেনী মহাশ্মশানের সাব-রেজিস্টার বিকাশ সরুই জানান, দুই চুল্লিই বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের অসুবিধা বাড়ছে। প্রশাসনের কাছে একাধিকবার মেরামতির আবেদন জানানো হয়েছে এবং লিখিতভাবেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত সংস্কারের কোনও কাজ শুরু হয়নি। এদিকে, গত ২৫ জুন বাঁশবেড়িয়া পুরসভার পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য শ্মশানের দুটি বৈদ্যুতিক দাহচুল্লি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। চুল্লি বন্ধ থাকায় বিশেষ করে আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলির উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। বৈদ্যুতিক দাহের তুলনায় কাঠে দাহ করতে খরচ অনেক বেশি হওয়ায় অনেকেই বিপাকে পড়ছেন। পাশাপাশি, যেখানে বৈদ্যুতিক চুল্লিতে প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে দাহ সম্পন্ন হয়, সেখানে কাঠে একই কাজ শেষ করতে প্রায় তিন ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগছে। বর্ষার কারণে কাঠ ভিজে থাকলে সেই সময় আরও বেড়ে যাচ্ছে।

আজকের রাশিফল: ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন, শনির কৃপায় লাভবান হবেন কারা?

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের