জেনেরিক ওষুধের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের, চাপে পড়তে পারে ভারতেও

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ঘোষণা আন্তর্জাতিক ওষুধ শিল্পে বড়সড় আলোড়ন ফেলেছে। বিশেষ করে ভারতের জেনেরিক ওষুধ রপ্তানি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমেরিকায় আমদানিকৃত জেনেরিক ওষুধের ওপর ধাপে ধাপে উচ্চ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে ওষুধ উৎপাদন বাড়ানো এবং বিদেশি নির্ভরতা কমানোই মূল লক্ষ্য।

সামাজিক মাধ্যমে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প জানান, ২০২৮ সালের অগাস্ট থেকে ধাপে ধাপে নতুন শুল্ক ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম দুই বছর আমদানিকৃত জেনেরিক ওষুধের ওপর কোনও শুল্ক নেওয়া হবে না। এরপর এক বছরের জন্য শুল্ক বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ এবং পরবর্তী সময়ে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত করা হবে। ট্রাম্পের বক্তব্য, যেসব ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমেরিকায় কারখানা ও উৎপাদন অবকাঠামো গড়ে তুলবে না, তাদের এই উচ্চ শুল্কের মুখে পড়তে হবে। তাঁর মতে, এই নীতির উদ্দেশ্য আমেরিকায় জেনেরিক ওষুধের উৎপাদন ফিরিয়ে আনা এবং দেশের ওষুধ নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, পেটেন্টপ্রাপ্ত বা ব্র্যান্ডেড ওষুধের ক্ষেত্রে বর্তমান নীতিতে কোনও পরিবর্তন আনা হবে না।

আরও পড়ুন: টানা বিক্ষোভের মুখে সেনাপ্রধানকে সরালেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি

ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জেনেরিক ওষুধ প্রস্তুতকারী দেশ। সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধ সরবরাহের জন্য ভারতকে অনেক সময় ‘বিশ্বের ঔষধালয়’ বলেও উল্লেখ করা হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় ব্যবহৃত জেনেরিক ওষুধের প্রায় ৪০ শতাংশ ভারতের তৈরি। গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের তথ্য বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত আমেরিকায় প্রায় ৯.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ওষুধ রপ্তানি করেছে, যা দেশের মোট ওষুধ রপ্তানির প্রায় ৩৮ শতাংশ। তবে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতি বাস্তবে ভারতীয় ওষুধ শিল্পে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে আগে থেকেই একটি বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে, যেখানে জেনেরিক ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা উল্লেখ রয়েছে। ভারত থেকে রপ্তানি হওয়া জেনেরিক ওষুধ আমেরিকায় উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার, সংক্রামক রোগ এবং মানসিক স্বাস্থ্যজনিত নানা রোগের চিকিৎসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া, একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে আমেরিকায় জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির মোট প্রেসক্রিপশনের প্রায় ৬৫ শতাংশ সরবরাহ করেছে ভারতের দুটি সংস্থা গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস এবং লুপিন। ফলে নতুন শুল্ক নীতি কার্যকর হলে ভারতীয় ওষুধ সংস্থাগুলির রপ্তানি, মূল্য প্রতিযোগিতা এবং মার্কিন বাজারে অবস্থানের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন