হীরের টিপ থেকে ১১০ কেজি সোনা-রুপোর গয়না! ১০৩ বছরে আরও জাঁকজমক নৈহাটির বড়মা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: হীরের টিপে ঝলমল করছে কপালে। সোনার মুকুট, নেকলেস, জিভ, চোখ, হাতের বালা, চুড়ি থেকে পায়ের মল বিপুল অলংকারে অপরূপা নৈহাটির বড়মা। ১০৩ বছরের ঐতিহ্যে এবার আরও জাঁকজমকপূর্ণ সাজে ধরা দিয়েছেন মা কালী। সোনা ও রুপো মিলিয়ে প্রায় ১ কুইন্টাল ১০ কেজি অলংকারে সাজানো হয়েছে প্রতিমাকে। ভক্তদের দানে প্রতি বছরই বাড়ছে মায়ের অলংকারের সম্ভার। আর বড়মার এই অপরূপ রূপ দর্শন করতেই নৈহাটির অরবিন্দ রোডে উপচে পড়ছে ভক্তদের ভিড়। একসময় নৈহাটি ও আশপাশের এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বড়মার পুজোর মাহাত্ম্য। বর্তমানে সেই পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশ-বিদেশেও। প্রতি বছর বাড়ছে ভক্তের সংখ্যা, একইসঙ্গে বাড়ছে মায়ের কাছে নিবেদিত সোনা ও রুপোর অলংকারের পরিমাণ।

এবছর মায়ের সাজে রয়েছে সোনার মুকুট, নেকলেস, জিভ, চোখ, হাতের বালা, চুড়ি, পায়ের মল এবং সোনা-রুপোর চাঁদমালা। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে বিশেষ আকর্ষণ মায়ের কপালের হীরের টিপ। নৈহাটি বড়মা পুজো কমিটির মুখপাত্র অনন্ত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সোনা ও রুপো মিলিয়ে এবছর মায়ের অলংকারের মোট ওজন প্রায় ১ কুইন্টাল ১০ কেজি। যদিও কতটা সোনা এবং কতটা রুপো রয়েছে, তা আলাদা করে প্রকাশ্যে জানাতে চাননি তিনি। তাঁর কথায়, প্রতি বছর ভক্তদের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মায়ের কাছে সোনা ও রুপোর দানের পরিমাণও বাড়ছে। বড়মার সোনার চোখ নিয়েও রয়েছে বিশেষ রীতি। বিসর্জনের সময় সেই চোখ খোলা হয় না, প্রতিমার সঙ্গেই বিসর্জন দেওয়া হয়। এবারও সেই নিয়ম বজায় থাকবে। অন্যদিকে, বিপুল পরিমাণ সোনা ও রুপোর অলংকারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে পুজো কমিটি। মন্দির ও পুজো চত্বরজুড়ে বসানো হয়েছে শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা। পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনের সহযোগিতায় থাকছেন ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ও স্বেচ্ছাসেবকরা। দর্শনার্থীদের ভিড় সামাল দিতে এবং সুষ্ঠুভাবে পুজো পরিচালনার জন্যও নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন:  চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঢাকে কাঠি,একসঙ্গে আলপনা দিলেন ১২০০ জন

ইতিমধ্যেই বড়মাকে দর্শন করতে নৈহাটিতে ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। চলছে ভক্তদের দণ্ডী কাটার পর্বও। নির্ধারিত নিয়ম মেনেই রাত ১২টা থেকে শুরু হবে পুজো। পুজোকে ঘিরে ভক্তদের জন্য রয়েছে বিশেষ ভোগের আয়োজন। আজই বড়মার ভোগের কুপন বিতরণ করা হবে। নৈহাটি নরেন্দ্র উচ্চ বিদ্যানিকেতন (বয়েজ স্কুল), মহেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় এবং নৈহাটি পুরসভা থেকে কুপন সংগ্রহ করতে পারবেন ভক্তরা। রাত দেড়টা থেকে ২টোর মধ্যে কুপন সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ৮ নভেম্বর রাতে পুজো শেষে শ্যাম রোড ও জগবন্ধু মোড়ে খোলা হবে ভোগ বিতরণের কাউন্টার। ভোগের তালিকায় থাকছে খিচুড়ি, পাঁচমিশালি তরকারি, পোলাও, আলুর দম, সাদা ভাত, লুচি-সহ নানা পদ। পাশাপাশি রসগোল্লা, সরপুরিয়া ও লাড্ডুর মতো মিষ্টিও নিবেদন করা হবে বড়মাকে। ভক্তদের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে প্রসাদ বিতরণ করাই মন্দির কর্তৃপক্ষের অন্যতম লক্ষ্য।

এবারের পুজোর আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে চলেছে বিসর্জনে। পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, বিসর্জনের দিন হেলিকপ্টার থেকে বড়মার উদ্দেশে পুষ্পবৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত এই আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, তা নির্ভর করছে প্রযুক্তি ও আবহাওয়ার উপর। সব মিলিয়ে ১০৩ বছরের ঐতিহ্য, বিপুল অলংকার, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা এবং অভিনব আয়োজন সবকিছুতেই এবার নজর কাড়ছে নৈহাটির বড়মা।

হামজার সেঞ্চুরিতে কুপোকাত ভারত, ছোটদের এশিয়া কাপে ৩ উইকেটে জিতল পাকিস্তান

প্রেমিকাকে বিয়ের দাবিতে টাওয়ারে চড়ে বসল যুবক, শোরগোল নন্দীগ্রামে

বাজির শব্দে ভয় পাচ্ছে আপনার বাড়ির পোষ্য? শান্ত রাখুন এই ৬ উপায়ে

চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঢাকে কাঠি,একসঙ্গে আলপনা দিলেন ১২০০ জন

কালীপুজোর ভোগের মতো লাবড়ার স্বাদ পেতে চান বাড়িতেই? রইল সহজ রেসিপি

দীপাবলিতে মাংস কিনতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, বাবা-ছেলে-সহ মৃত ৩

অভাবের সংসার, টিনের চালেই ৩৫ বছর ধরে পূজিত হচ্ছেন ৬ দেবী, জানেন কোথায়?

দীপাবলিতে ভক্তদের উপহার দিলেন ভিকি ক্যাটরিনা, প্রকাশ্যে আনলেন ছেলে বিহানকে

হীরের টিপ থেকে ১১০ কেজি সোনা-রুপোর গয়না! ১০৩ বছরে আরও জাঁকজমক নৈহাটির বড়মা

‘দেশ থেকে মাওবাদীদের মুছে ফেলা হয়েছে,’ দীপাবলিতে ঘোষণা মোদির

তৃণমূলের আচরণের জন্য বিএসএফের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

রাস্তার ধারে কুলচা বিক্রি করতেন বাবা, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান করে চমকে দিল ছেলে অর্জুন

মুর্শিদাবাদে চার বছরের শিশুকে নির্যাতন করে খুনের অভিযোগ, কাঠগড়ায় সৎ মা

মায়ের সঙ্গে মিলে লিভ ইন পার্টনারকে খুন করল প্রেমিকা, চাঞ্চল্য গড়িয়ায়