জামিন বা হাসপাতাল কিছুই নয়, ছত্রধরকে থাকতে হবে জেলেই

জেলেই চিকিৎসা করাতে হবে ছত্রধরকে। নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক সিদ্ধার্থ কাঞ্জিলাল। ছত্রধরের নামে চলছে রাজধানী এক্সপ্রেস পণবন্দি মামলা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ছত্রধর মাহাতর (CHHATRADHAR MAHATO) অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন খারিজ। আবেদন খারিজ করেছে বিশেষ এনআইএ আদালত (NIA SPECIAL COURT)। বিচারকের নির্দেশ হাসপাতাল নয়, জেলেই করাতে হবে চিকিৎসা। পরবর্তী শুনানি আগামী ১৯ জুলাই। ততদিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক সিদ্ধার্থ কাঞ্জিলাল। উল্লেখ্য, ছত্রধরের নামে চলছে রাজধানী এক্সপ্রেস পণবন্দি মামলা। এই ঘটনা ঘটেছিল বাঁশতলায়। তাতে নাম জড়িয়েছিল ছত্রধরের।

শুক্রবার আদালতে ছত্রধর মাহাতর আইনজীবী আবেদন জানিয়েছিলেন, অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য। সেই আবেদন খারিজ করেন বিচারক। মেদিনীপুর হাসপাতাল থেকে কলকাতা রওনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ছত্রধর মাহাতর স্ত্রী বলেছিলেন, আদালত অনুমতি দিলে ছত্রধরের চিকিৎসা করানো হবে এসএসকেএম বা অন্য হাসপাতালে। যদিও তা আর হল না। বিচারকের নির্দেশ, জেলেই চিকিৎসা করাতে হবে ছত্রধরকে।

উল্লেখ্য, বিয়ে ছিল দুই ছেলের। এনআইএ আদালতে প্রমাণ হিসেবে কার্ড জমা দিয়ে প্যারোলে ছাড়া পেয়েছিলেন ছত্রধর মাহাত। আদালতের নির্দেশ ছিল শুক্রবার হাজিরা দেওয়ার। তবে শুক্রবার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হসপিটালে। সেখান থেকে তাঁকে রেফার করা হয়েছিল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। শুক্রবার সকাল থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। রিস্ক বন্ডে সই করে এনআইএ আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে বেরিয়েছিলেন হুইল চেয়ারে চেপেই।

ছত্রধর মাহাতর সঙ্গে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে লালগড়ের আমলিয়া গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ছত্রধর। সেখান থেকেই তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছিল ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। ভর্তি ছিলেন বেশ কয়েক ঘণ্টা।  এরপর তাঁকে রেফার করা হয়েছিল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সময় রাত্রি ১১ টা। রাতভর চলেছিল চিকিৎসা। দেওয়া হয়েছিল অক্সিজেন। শুক্রবার তিনি অক্সিজেন ছাড়াই শ্বাস নিতে পারছিলেন। এরপরে রিস্ক বন্ডে সই করে কলকাতায় আসেন তিনি।

দুই ছেলের বিয়ে উপলক্ষ্যে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে লালগড়ের আমলিয়া গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছিলেন বেশ কয়েক দিন। দুই ছেলের বিয়ে ও বউভাত মিটতে আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে হয়ে পড়েছিলেন অসুস্থ। উল্লেখ্য, বড় ছেলের বিয়ে ছিল গত ৩ জুলাই। ছোট ছেলের বিয়ে ছিল গত ৫ জুলাই। দুই ছেলের বউভাত ছিল গত ৬ জুলাই। দীর্ঘ ১ বছর ৫ মাস পর প্যারোলে জামিন পেয়েছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালেও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ছত্রধর। তখন তাঁকে দেখানো হয়েছিল লালগড় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আসার পর থেকেই তাঁকে অসুস্থ দেখাচ্ছিল বলে দাবি স্ত্রীর। তিনি বলেন, দুই ছেলের বিয়ে উপলক্ষ্যে কাজ করে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ছত্রধর।

সুজি কিংবা গাজর নয়, আপেল দিয়েই বানান সুস্বাদু স্বাদের হালুয়া! রইল সহজ রেসিপি

গোবর্ধন পুজো উপলক্ষ্যে সোমবারে কমবে মেট্রো পরিষেবা

‘জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে,’ বললেন অভিজিৎ দীপক

আতশবাজির ধোঁয়া থেকে চোখ বাঁচাবেন কীভাবে? সুরক্ষিত থাকতে মানুন এই ৫ নিয়ম

কালীপুজোর আগে স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের

এগরোল-চাউমিনের দাম ১০ টাকা! সস্তায় মুখরোচক ফাস্টফুড খাওয়াচ্ছেন ছায়াদেবী

মাত্র ৫ টাকাতেই চিকেন-ভাত! পেট ভরে খেল শান্তিপুরবাসী

‘কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে গেলেও জব কার্ড বাতিল নয়,’ ঘোষণা দিলীপের

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে DLS নিয়মে জয়ী গিলরা, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত

শর্তের বিনিময়ে দক্ষিণেশ্বরেও রিল শ্যুটের অনুমতি পেলেন ব্লগাররা

‘প্রেসিডেন্সি, যাদবপুর থেকে দেশবিরোধীদের হটাব,’ দৃপ্তকণ্ঠে ঘোষণা শুভেন্দুর

‘পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করব’, হুঁশিয়ারি মমতার

‘অভিষেকের বাড়ির সামনে হামলার ঘটনায় বিজেপি যুক্ত নয়,’ সাফ জানালেন শমীক

স্বাধীনতার পর প্রথম জ্বলল আলো, কালীপুজোর আগে খুশির হাওয়া তারকেশ্বরের এই গ্রামে