আওয়ামী লীগ-এনসিপির সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ শেখ মুজিবের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ, পুলিশের গুলিতে নিহত ৩

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: আওয়ামী লীগ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মধ্যে সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ। বুধবার (১৬ জুলাই) দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে গুলি চালায় পুলিশ। ওই গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন তিন জন। তাঁদের মধ্যে দুই জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তাঁরা হলেন গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫) ও কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮)। গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৯ জন।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত গোটা গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও বিজিবিকে নামানো হয়েছে। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যূত হওয়ার ১১ মাসের মাথায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের এমন প্রতিরোধে হতচকিত হয়ে পড়েছে রাজনৈতিক মহল।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর কবর গুঁড়িয়ে দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিল পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতপুষ্ট জাতীয় নাগরিক পার্টি। দলটির অন্যতম শীর্ষ নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারি গত কয়েকদিন ধরেই হুঙ্কার দিয়েছিলেন, ৩২ নম্বর ধানমন্ডির মতোই গুড়িয়ে দেওয়া হবে বঙ্গবন্ধুর কবর। পাকিস্তান ভাঙার মূল নায়কের কোনও চিহ্ন রাখা হবে না বদলের বাংলাদেশে। পাল্টা হুঙ্কার ছেড়েছিলেন গোপালগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা। বঙ্গবন্ধুর কবরের একটি ইটে হাত দিলে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর কবর গুঁড়িয়ে দেওয়ার কর্মসূচি যাতে নির্বিঘ্নে পালিত হয় তার জন্য সক্রিয় হয়েছিল পুলিশ ও প্রশাসন। এনসিপির কর্মসূচিতে সহায়তা করতে বুলডোজার-সহ কবর ভাঙার যাবতীয় সরঞ্জাম জোগাড় করে রেখেছিল। এদিন সকালে পুলিশ ও প্রশাসন বঙ্গবন্ধুর কবর সংলগ্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করতেই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে দফায়-দফায় সংঘর্ষ বাঁধে তাদের। এর পরে গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্ক ও লঞ্চঘাট এলাকায় পাকিস্তানপন্থী এনসিপি’র কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোটা এলাকা। এনসিপির সভার জন্য জড়ো করা চেয়ার রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড, রবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। তবুও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার হোতা আবদুল হাসনাত, সারজিস আলম ও নাহিদ ইসলাম সমাবেশস্থলে পৌঁছনো মাত্র ফের শুরু হয় ঝামেলা। আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের রণংদেহী মূর্তি দেখে ঊর্ধ্বশ্বাসে পালাতে থাকে আইএসআইয়ের চররা। নাহিদদের তাড়া করে কয়েক হাজার আওয়ামি লীগ নেতা-কর্মী ও স্থানীয় মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন এনসিপি নেতারা। পরে সেনাবাহিনীর পাহারায় ঢাকা ফেরেন।

ABVP-TMCP সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বারাসতের ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি

মোদির জন্মদিন ঘিরে বাংলায় বিজেপির ‘মেগা মিশন’, এক মাস ধরে বিশেষ কর্মসূচি

ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত ‘ফুল অউর কাঁটে’ পরিচালক কুকু কোহলি

আরও তীব্র বাণিজ্যযুদ্ধ! ৭০০ মার্কিন পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপাচ্ছে কানাডা

বিকিনি পরে রাখি পরানো, কৃতি স্যাননকে সমর্থন রাহুল গান্ধির

রোজ এক চামচ কালো তিল খেলে দূর হবে শরীরের একাধিক রোগ!

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান? এই ৫টি অভ্যাস ত্যাগ করুন এখনই

‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে চমকে ওঠা তথ্য প্রকাশ্যে আনলেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রাক্তন সর্বাধিনায়ক

হিন্দু পরিবারের চারজনকে নৃশংস খুন, সরিয়ে দেওয়া হল রংপুরের পুলিশ কমিশনারকে

কলকাতা-হাওড়া পুরভোটের জন্য কমিটি গড়ল বঙ্গ বিজেপি, মাথায় সুকান্ত-রাহুল

যুদ্ধের মধ্যে প্রথমবার ভিডিওতে প্রকাশ্যে শোনা গেল মোজতবা খামেনির কণ্ঠ

মহিলা নয় এবার পুরুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকল ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ টাকা! চাঞ্চল্য

খামারে ঢুকে ভেড়াকে ধর্ষণ, যুবকের বিকৃত মানসিকতা বন্দি সিসি ক্যামেরায়