সিঁধ কেটে চুরি করতে গিয়ে টাকা-পয়সার বদলে চেক বই, পেশা বদলাল চোর

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: চুরিই ছিল তার পেশা ও নেশা। গ্রামে গ্রামে ঘুরে সিঁধ কেটে চুরি করত সে। যদিও বহুবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। তবুও চুরি কিছুতেই থামাননি। কিন্তু আচমকাই একটা ঘটনা ওই চোরের জীবন বদলে দেয়। একদিন রাতে একাধিক বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে ওই চোর দেখে, কেউ আর বাড়িতে নগদ রাখছে না। সবাই ব্যাঙ্কে টাকা রাখছে। তাই সোনা, দানা ও নগদ টাকার বদলে সবার বাড়ি থেকে উদ্ধার হচ্ছে ব্যাঙ্কের পাশ বই কিংবা চেক বই। বিগত কয়েকদিন ধরে এমন ঘটনা ঘটতে থাকায় শেষে চুরির চিন্তাভাবনা দূরে সরিয়ে রেখে ব্যবসায় মনোনিবেশ করে ওই চোর। এখন তিনি একটি মুদির দোকানের মালিক। সঙ্গে রমরমিয়ে চলছে চায়ের ব্যবসা।

আরও পডুন: জাল নথি দিয়ে ডাক্তারির রেজিস্ট্রেশন, দুই সরকারি চিকিৎসকের চাকরি বাতিল

ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরে। ওই চোরের কথা সোশ্য়াল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন গৌরীপুরের জনতা ব্যাঙ্কের ম্যানেজার মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন। কিছুদিন আগেই ওই চোরের সঙ্গে ব্যাঙ্কে আলাপ হয়েছিল ম্যানেজারের। তখনই নিজের অতীত জীবনের কথা বলেন ওই চোর। সেই কথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন গৌরীপুরের জনতা ব্যাঙ্কের ম্যানেজার মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন। তিনি লিখেছেন, ওই ব্যক্তি সিঁধ কেটে মানুষের বাড়িতে ঢুকে টাকা-পয়সা চুরি করতেন। প্রায় ১৮ বছর ধরে তিনি এ কাজ করেছেন। এ সময় কয়েকবার ধরাও পড়েছেন। প্রায় তিন বছর আগে এক রাতে পাশের গ্রামের একটি বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে ওই ব্যক্তি অনেক কষ্টে সিঁধ কেটে ঘরে ঢোকেন। পরে আলমারি খুলে ড্রয়ারগুলি তল্লাশি করেও কোনও টাকা-পয়সা পাননি। সেখানে তিনি শুধু একটি জনতা ব্যাঙ্কের চেক বই পান। চেক বইটিতে জনতা ব্যাঙ্ক লিমিটেড, গৌরীপুর বাজার শাখার নাম লেখা ছিল।

একই রাতে পাশের আরেকটি বাড়িতেও চুরি করতে যান তিনি। সেখানেও টাকা-পয়সা না পেয়ে খালি হাতে ফিরে আসেন। এরপরের দিন অন্য একটি গ্রামের একটি বাড়িতে চুরি করতে যান ওই ব্যক্তি। আগে থেকেই তার কাছে খবর ছিল, বাড়ির সবাই আত্মীয়ের মৃত্যুর কারণে বাইরে ছিলেন। ঘরের মেঝের নিচে একটি মুখবন্ধ কলসি পোঁতা থাকার কথাও জানতেন তিনি। গভীর রাতে ঘরে ঢুকে মেঝে খুঁড়ে কলসিটি বের করেন। কিন্তু কলসি খুলে সেখানে কোনো টাকা-পয়সা পাননি। এর ভিতরেও ছিল জনতা ব্যাঙ্কের একটি চেক বই ও কয়েকটি জমা রসিদ। সেগুলিতেও জনতা ব্যাঙ্ক লিমিটেড, গৌরীপুর বাজার শাখার নাম লেখা ছিল। ওই ঘটনার পর সে ভাবতে শুরু করে, মানুষ এখন আর ঘরে টাকা রাখে না; ব্যাঙ্কে টাকা রাখে। এরপর ধীরে ধীরে চুরির প্রতি তার আগ্রহ কমে যায়। একপর্যায়ে তিনি চুরি ছেড়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

পরে এলাকায় একটি ছোট চায়ের দোকান দেন তিনি। ধীরে ধীরে ব্যবসা বাড়িয়ে বর্তমানে একটি মুদি দোকানের মালিক হয়েছেন। তার ছেলেমেয়েরা স্কুলে পড়ে।

Auto Draft

‘রং দেখে নয়, তোলাবাজি করলেই গ্রেফতার করুন,’ পুলিশকে নির্দেশ শমীকের

দেড় বছর আগে প্রেমের বিয়ে, ঘরের দরজা ভেঙে উদ্ধার দম্পতি দেহ, চাঞ্চল্য দত্তপুকুরে

অবসরের পর নিশ্চিত আয় চাইছেন? সরকারি এই স্কিমে সামান্য বিনিয়োগেই ২০,০০০ টাকা পেনশন পাবেন

গ্রিসে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত ২, নিখোঁজ ৫

নিষেধাজ্ঞা সত্বেও শান্তিপুরের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ঝুলছে ‘বিশ্ব বাংলা’ লোগো

‘জ্ঞানেশ কুমার Must Go,’ শ্রীরামপুরের সভা থেকে হুঙ্কার মমতার

চাল-ডাল ভেজানোর ঝামেলা শেষ, জলখাবারে মুড়ি দিয়ে সহজেই বানান ইডলি

হাসিরানির সমর্থনে নন্দীগ্রামে জোড়া সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী

পাকিস্তানের ডেরা ইসমাইল খানে তল্লাশি চৌকিতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন ১১ জন

‘পরিবেশ নোংরা করলেই জরিমানা’, ডেঙ্গু রুখতে দাওয়াই দিলেন অগ্নিমিত্রা

‘শওকত মাছ চোরে’র আদলে জ্ঞানেশ ‘ভোট চোর’, ভাইরাল সিপিএমের প্যারোডি

ভবানীভবনে ঢুকতে দেওয়া হল না কুণালকে, চটে কী করলেন তৃণমূল বিধায়ক ?

ডিম থেরাপি থেকে বাঁচতে শ্রীরামপুরের সভায় বিকল্প পথে মমতা