মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াচ্ছেন শিশুকে? জানুন কি ভয়ঙ্কর ক্ষতি হচ্ছে…

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন যেন ছোটদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। অনেক অভিভাবকই শিশুকে শান্ত রাখতে বা সহজে খাওয়ানোর জন্য মোবাইলে কার্টুন কিংবা রাইমস চালিয়ে দেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাসই ধীরে ধীরে শিশুর শরীর থেকে পুষ্টি কেড়ে নিচ্ছে। পেট ভরে খাওয়ার পরেও কেন শিশু রোগা হয়ে যাচ্ছে, ওজন বাড়ছে না, তার নেপথ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে মোবাইল ফোনের নেশা।  

বর্তমানে অধিকাংশ বাড়িতেই দেখা যায়, মোবাইল ফোন (Mobile Phone) ছাড়া শিশু এক গ্রাস খাবারও মুখে তুলতে চায় না। কার্টুন বা ভিডিও বন্ধ হলে খাওয়াও বন্ধ। মা-বাবারাও ব্যস্ততার মাঝে শিশুকে খাওয়ানোর সহজ উপায় হিসেবে ফোনের স্ক্রিনের সাহায্য নেন। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাস ভবিষ্যতে মারাত্মক শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। নয়ডার নিদান মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক রাজীব রঞ্জনের মতে, স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে খাওয়ার সময় শিশু খাবারের স্বাদ, গন্ধ বা টেক্সচার কোনওটাই সঠিকভাবে অনুভব করতে পারে না। ফলে শরীরে প্রয়োজনীয় হজমকারক রস বা এনজাইম ঠিকমতো ক্ষরণ হয় না। এর প্রভাব পড়ে সরাসরি হজম প্রক্রিয়ায়। খাবার পেটে গেলেও শরীর সেই খাবার থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে না।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ফোন দেখে খাওয়ার সময় শিশুর মধ্যে ‘মাইন্ডলেস ইটিং’ বা অন্যমনস্কভাবে খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। এতে শিশু বুঝতেই পারে না তার কতটা খিদে পেয়েছে বা কতটা খাবার প্রয়োজন। ফলে অনেক শিশু প্রয়োজনের তুলনায় কম খেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে তারা ‘পিকি ইটার’-এ পরিণত হয়। এতে প্রোটিন, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং ওজন কমতে থাকে। অন্যদিকে, কিছু ক্ষেত্রে আবার শিশুরা অতিরিক্ত খেয়েও ফেলে। কারণ স্ক্রিনে মনোযোগ থাকায় শরীরের ‘পেট ভরে যাওয়ার’ সঙ্কেত তারা বুঝতে পারে না। এর ফল হতে পারে স্থূলতা বা ওবেসিটির ঝুঁকি। বিশেষ করে ১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কারণ এই বয়সেই শিশুদের খাদ্যাভ্যাস ও মানসিক বিকাশ সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়।

আরও পড়ুন: কাঁচা আমের নতুন স্বাদ, ভাতের সঙ্গে খেয়ে দেখুন আমপোড়া ভর্তা

এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুকে আলাদা করে না খাইয়ে পরিবারের সকলের সঙ্গে বসে খাওয়ানোর অভ্যাস তৈরি করতে হবে। মা-বাবা নিজের প্লেট থেকেই শিশুকে খাবার দিলে শিশু খাবারের প্রতি আগ্রহ ফিরে পেতে পারে। পাশাপাশি খাওয়ার সময় অভিভাবকদেরও নিজের ফোন দূরে রাখা জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, শিশু যখন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আনন্দের পরিবেশে খায়, তখন খাবারের প্রতি স্বাভাবিক আগ্রহ তৈরি হয় এবং হজমও ভালো হয়। তাই আজকের সামান্য সচেতনতাই ভবিষ্যতে শিশুর সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে পারে।

দেশের এই পাঁচ মন্দির বিশেষ সময়ে পুরুষদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ, জানেন কোনগুলি?

বিদেশ না যাওয়ার দুঃখ ঘোচাবে দেশের এই গন্তব্য, মিলবে অতুলনীয় অভিজ্ঞতা

চিনি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি কেন্দ্রীয় সরকারের, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

হার্টবিটের ওঠানামার নিয়ন্ত্রণ কি স্বাভাবিক? HRV  নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

গঙ্গা সপ্তমী আর গঙ্গা দশেরা কী এক? জেনে নিন দুই তিথির পার্থক্য ও বিশেষ যোগ

আজকের রাশিফল: আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি, কর্মক্ষেত্রে বসের প্রশংসায় ভাসবেন

কলকাতার জয়রথ রুখে দিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে বিরাটরা

রঘুবংশী-রিঙ্কুর চওড়া ব্যাটে ভর করে বেঙ্গালুরুকে ১৯৩ রানের লক্ষ্য দিল KKR

আমুলের পর এবার দুধের দাম বাড়াল Mother Dairy, লিটারে কত বাড়ল?

দাম বাড়ছে Amul দুধের, লিটার প্রতি কত দাম বাড়ছে জেনে নিন

তিলজলা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে বুলডোজার, নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী

মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াচ্ছেন শিশুকে? জানুন কি ভয়ঙ্কর ক্ষতি হচ্ছে…

দুর্গাপুরে বেপরোয়া টোটো-অটোকে বাগে আনতে বিশেষ অভিযান পুলিশের

ভোট পরবর্তী হিংসায় যোগ, জামালপুরের দুই দাপুটে তৃণমূল নেতা গ্রেফতার