এই মুহূর্তে

তদন্তকারীদের র‍্যাডারে আল-ফালাহ বিশ্ব বিদ্যালয়ের ২০০ জন চিকিৎসক-স্টাফ

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দিল্লি বিস্ফোরণের পরে তদন্তকারীদের নজরে আল-ফালাহ বিশ্ব বিদ্যালয়ের ২০০ জন চিকিৎসক ও স্টাফ। জম্মু-কাশ্মীরে একটি লকারের দিকেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল এবং ছাত্রদের ঘরেও তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১ হাজারের বেশি মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

দিল্লির লাল কেল্লার কাছে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে নজরে রাখা হয়েছে। তদন্তকারীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকদের লকার সহ বন্ধ সমস্ত লকার খুলে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তার এবং কর্মীরা যেমন তদন্তকারী সংস্থাগুলির নজরে রয়েছেন, তেমন বাইরে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের হোস্টেল এবং ঘরেও তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। বিস্ফোরণের পর কতজন বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে গেছে এবং তাদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। জানা গিয়েছে, অনেকেই তাদের মোবাইল ফোনের তথ্য মুছে ফেলেছেন। সেই মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধার করার কাজো শুরু হয়েছে। বিস্ফোরণের সংঙ্গে সরাসরি যুক্তদের যোগ রয়েছে এই বিশ্ব বিদ্যালয়ের সঙ্গে তাই এই বিশ্ব বিদ্যালয়কে নজরদারির আওতার মধ্যে রাখা হয়েছে। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র খবর, ঘটনার পরেই অনেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। বুধবারও বেশ কয়েকজন কর্মচারীকে তাদের জিনিসপত্র গাড়িতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। তাঁদেরও খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা চলছে। তাঁরা কি নিয়ে বেরিয়েছেন তাঁরও খোঁজ চলছে। হামলাকারী উমর নবীর জন্য নুহের হিদায়াত কলোনিতে ঘর ভাড়া করেছিলেন একজন। সেই মহিলাকেও আটক করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করছে। পেশায় এই মহিলা অঙ্গবওয়াড়ি কর্মী। ঘটনার পর থেকে তার খোঁজ ছিল না। এই ঘটনার পর ওই মহিলার পরিবারও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

সূত্রের খবর, উমর নুহে থাকাকালীন বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছিল। যাদের সঙ্গে সে কথা বলেছিল, তাদের মধ্যে ৭জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। বিস্ফোরণের পর থেকে আল-ফালাহ হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা অত্যাধিক হারে কমে গিয়েছে। প্রতিদিন ওপিডিতে প্রায় ২০০ জন রোগী আসত। বর্তমানে ১০০ জনেরও কম রোগী আসছে। বিশ্ববিদ্।ালয়ের ভিতরে কোনও সন্ত্রাসী হ্যান্ডেলার ছিল কিনা সেটাই খুঁজে বের করতে তৎপর তদন্তকারীরা। 

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষানবিশ দুই চিকিৎসক জানিয়েছেন, উমর ২০২৩ সালে প্রায় ছয় মাস হাসপাতাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছিলেন না। তখন তিনি কোনও ছুটির আবেদন বা নোটিশও দেননি। কিন্তু ফিরে আসার পরেও তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ক্লাস করতেও খুব বেশি দেখা যায়নি উমরকে। সপ্তাহে ১-২ দিন বক্তৃতা দিতেন তিনি। তাও মাত্র ১৫-২০ মিনিটের জন্য আসতেন। তারপর ঘরে ফিরে যেতেন। জানা গিয়েছে, উমরকে হাসপাতালে সব সময় সন্ধ্যা বা রাতের শিফটে কাজের দায়িত্ব দেওয়া হত। আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে একের বেশি তদন্তকারী দল কাজ করে চলেছে।  তার মধ্যে রয়েছে NIA, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল, উত্তরপ্রদেশ এটিএস, ফরিদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। সকলেই তদন্ত চালাচ্ছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০-র বেশি চিকিৎসক স্টাফ সহ সকলের দিকে নজরদারি রেখেছন তদন্তকারীরা। কোথাো কোনো সন্দেহ হলেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নজরে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক লকারও।


				
Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

অসমে জোর ধাক্কা কংগ্রেসের, ২২ ফেব্রুয়ারি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি

ইলেকট্রিক স্কুটারে বারবার আগুন , OLA- র সিইওর বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রেমদিবসে ডিনারের পরেই স্ত্রীর গলা কেটে খুন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের কীর্তি শুনলে শিউড়ে উঠবেন

৭০ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন নেশাগ্রস্ত কুপুত্রের

ভালবাসা দিবসে খাবারের খরচ ১.৩০ লক্ষ, মুম্বইয়ের যুবকের সুইগি বিল দেখে চক্ষু চড়কগাছ

‘চেক বাউন্স’ মামলায় আমিশার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা জারি, কী বললেন অভিনেত্রী?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ