আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ধুয়ে মুছে সাফ, বিদ্যুৎ বিপর্যয় সিকিমে, শঙ্কা উত্তরবঙ্গেও

Courtesy - Facebook

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিস্তার হড়পা বানে(Teesta Flash Flood) ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে সিকিমের(Sikkim) সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। চুংথাংয়ে(Chungthang Hydro Power Project) প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন Teesta-3 কেন্দ্রটির বাঁধের একাংশ নিশ্চিহ্ন। গোটা Power House জলের তলায়। মঙ্গলবার রাতে ১০ মিনিটের মধ্যে জলরাশি এসে ভেঙেচুরে শেষ করে দেয় সবকিছু। চাপ সামলাতে না পেরে সিংতাম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধের গেটও খুলে দেওয়া হয়। একই অবস্থা সেভক থেকে সিকিমে যাওয়ার পথে তিস্তার ওপর গড়ে ওঠা কালিঝোরা, রাম্বি ও রংপো জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা National Hydro Power Corporation বা NHPC জানিয়েছে, ৫১০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন Teesta-5 হাইডেল প্লান্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই হাল নির্মীয়মাণ Teesta-6 প্রকল্পের। আর এতগুলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে অন্ধকার নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের(Power Failure) শঙ্কা দেখা দিয়েছে উত্তরবঙ্গজুড়েও(North Bengal)।

মঙ্গলবার রাতের হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে তিস্তার একের পর এক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্টেশন। সিকিম ও বাংলা মিলিয়ে ৭টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সিংহভাগই তারপর থেকেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে ধাক্কা লেগেছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। স্তব্ধ সরবরাহও। তার জেরেই সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশে নেমে এসেছে বিদ্যুৎ বিপর্যয়। ফলে চাপ বাড়ছে বাংলার প্রকল্পগুলির ওপরে। সেগুলির একাংশও বন্ধ। তার মধ্যেই আবার বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলার কাছে আপৎকালীন সাহায্য চেয়েছে সিকিম। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে এরাজ্য থেকে যদি তা দেওয়া শুরু হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যুৎ সঙ্কটের মুখে পড়তে হতে পারে উত্তরবঙ্গকে। অন্তত এমনই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। এদিকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাঁধে জল ধরে রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তা সম্ভব হচ্ছে না। কেননা হড়পা বানের জেরে তিস্তার ওপর থাকা অনেক বাঁধেই বড়সড় ফাটক দেখা দিয়েছে। সেই সব বাঁধের জল তাই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে ধাপে ধাপে। একমাত্র রঙ্গিত পাওয়ার প্রজেক্ট চালু আছে।

এখন প্রশ্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জোগানের কী হবে? কারণ, প্রকল্পগুলির মেরামতির কাজ আপাতত দূর অস্ত। কারণ, প্রকল্প ও বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তাই ভেসে গিয়েছে। তারপর সেই কেন্দ্রগুলি কতখানি মজবুত আছে তা পরীক্ষা করে দেখা এবং তারপর সেগুলির মেরামত করে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু করা খুব কম করেও ৩ বছরের ধাক্কা। যদিও নদী বিশেষজ্ঞ থেকে পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, এখনই সময় হয়েছে তিস্তার ওপর থাকা ওইসব জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি বন্ধ করে দিয়ে নদীকে স্বাভাবিক পথে বইতে দেওয়া। নাহলে আগামী দিনে একই অবস্থা হবে ওইসব প্রকল্পের এখন যা চুংথাংয়ে হয়েছে। তখন কিন্তু গজলডোবাও বাঁচাতে পারবে না। গোটা শিলিগুড়ি মহকুমা এবং জলপাইগুড়িঙ্গ কোচবিহার জেলার একটা বড় অংশই বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। বাদ যাবে না বাংলাদেশের তিস্তা পারের জেলাগুলিও।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করল কমিশন, ২১ মে ফের নির্বাচন

মিহিজামের জঙ্গলে যুবক-যুবতীর দেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য,তদন্ত শুরু

‘জিনা মুশকিল কর দিয়া’, আত্মঘাতী হওয়ার আগে ফোনে বাবাকে বলেছিলেন বিচারক

রবিবার স্ট্রং রুমে ইভিএম পাহারায় বিজেপির মহিলা বাহিনী অবস্থানে বসছে

ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাটের ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯০ শতাংশ

ভোট দিয়ে হরিয়ানায় ফেরার পথে পরিযায়ী শ্রমিক বোঝাই বাস রানিগঞ্জে দুর্ঘটনার কবলে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ