আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মুম্বইতে মাঝ পথে থমকে গেল মনোরেল, ক্রেনের সাহায্যে উদ্ধার যাত্রীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, মুম্বই: টানা প্রবল বৃষ্টিতে জলনগরীর চেহারা নিয়েছে দেশের আর্থিক রাজধানী মুম্বই। কোথাও এক হাঁটু জল তো, কোথাও এক কোমর। যার জের ব্যাহত মুম্বই ও শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকার যান চলাচল। মঙ্গলবার (১৯ অগস্ট) প্রবল বৃষ্টির কারণে বিদ্যু‍ৎ সরবরাহ বব্ধ থাকায় মাঝ রাস্তায় থমকে গেল চেম্বুর থেকে ভক্তিপার্ক মুখী  মনোরেল। প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে বন্দিদশায় কাটাতে হয় যাত্রীদের। অনেকেই ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে বগির দরজা ও কাচ ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। ট্রেন বিভ্রাটের  খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল কর্মী ও উদ্ধারকারীরা। বিশেষ ক্রেনের সাহায্যেই বন্দিদশায় থাকা শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হয়ে চলেছে মুম্বই-সহ মহারাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ এলাকায়।  ভারী বৃষ্টির কারণে একাধিক জায়গায় জল জমে গিয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে সড়ক থেকে স্কুল-কলেজ। মিথি নদী সহ একাধিক নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে চলেছে। কোঙ্কনের রায়গড়ে গত ২৪ ঘন্টায় ১৬০ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কুণ্ডলিকা ও সাবিত্রী নদীর জল বিপদসীমা স্পর্শ করেছে। মাহোদ ও নাগোথানেতে ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পশ্চিম মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে লাগাতার বৃষ্টিতে বাঁধের জল উপচে পড়ছে। কোলহাপুরের রাধানগরী বাঁধ থেকে সাড়ে ১১ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। পঞ্চগঙ্গা নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়েছে। একই অবস্থা বিদর্ভের পার্লকোটা নদীর। জল উপচে পড়ে ভাসিয়ে নিয়েছে ৫০টির বেশি গ্রাম।

মঙ্গলবারও টানা বৃষ্টি হয়ে চলেছে। যার প্রভাব পড়েছে উড়ান পরিষেবার উপরে। দৃশ্যমানতা কম থাকায় সকাল থেকে অন্তত ৪০০টি উড়ান চলাচলে দেরি হয়েছে। ইতিমধ্যে একাধিক উড়ান সংস্থার তরফে যাত্রীদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি হয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসের কারণে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। মুম্বই-সহ একাধিক শহরে সমস্ত স্কুল ও কলেজে আগেভাগেই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সমস্ত সরকারি, আধা সরকারি ও পুরসভার দফতর বন্ধ রাখা হয়েছে। বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। জলবন্দিদের উদ্ধারের কাজে নেমেছেন এনডিআরএফ ও এসডিআরএফের কর্মীরা। বন্যাদুর্গতদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

লাগাতার বৃষ্টির ফলে বহু লাইনে জল জমে যাওয়ায় ব্যাহত ট্রেন চলাচলও। শহরের লাইফ লাইন হিসাবে পরিচিত লোকাল ট্রেনের পরিষেবাও বিঘ্নিত হয়ে পড়েছে। এদিন দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গা থেকে ছয়জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আগামী ৪৮ ঘন্টায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পরিস্থিতির মোকাবিলা কিভাবে করা হবে, তা নিয়ে এদিন জরুরি বৈঠকেও বসেছিল রাজ্য মন্ত্রিসভা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দিল্লি পুরসভার মেয়র পদ দখল বিজেপির, ভোটে গরহাজির আপ কাউন্সিলররা

‘প্রকৃতি ও আদিবাসীদের বিরুদ্ধে অপরাধ’, কেন্দ্রের গ্রেট নিকোবর প্রকল্প নিয়ে সরব রাহুল গান্ধি

​অজিত পাওয়ারের প্রাণ কেড়েছিল যে সংস্থা, তার বিমানেই সফর ছেলে পার্থ-র, তুঙ্গে চর্চা

অখিলেশের কুশপুত্তলিকা পোড়াতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ বিজেপি বিধায়ক, হাসপাতালে দেখতে গেলেন সপা নেতা

রাজীব গান্ধিকে হত্যার দায়ে ৩১ বছর জেল খেটেছেন, আইনজীবী হয়ে লড়ছেন ন্যায় বিচারের জন্য

ভোটের দায়িত্ব থেকে ‘সিংহম’ অজয় পাল শর্মাকে সরাতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের মামলা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ