আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

দুয়ারে পড়ে রয়েছে মেয়ের দেহ, ভোরে দরজা খুলে চমকে উঠল পরিবার, নববধূ পণপ্রথার বলি!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিহারের বৈশালী জেলায় এক নববিবাহিতা বধূর রহস্যজনক মৃত্যু আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। তাঁর শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সারান জেলার হরিহর নাথ থানার অধীনে পেডিয়া বাজার এলাকায় রাতের অন্ধকারে নববধূর বাবার বাড়ির বাইরে মৃতদেহ ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আর এই ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটি একজন পুলিশ সাব–ইন্সপেক্টরের নামে নথিভুক্ত বলে জানা গিয়েছে। কাকভোরে নিজের মেয়ের দেহ দেখে চমকে উঠেছেন বাবা। তাতেই তাঁর হাড়হিম হয়ে যায়। আর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ একটি গাড়িতে করে ওই বধূর দেহ নিয়ে এসে দুয়ারে ফেলে রেখে চলে যাওয়া হয়েছে।

এদিকে গত ১৬ জানুয়ারি রাত ১২.৩০ মিনিটের দিকে অভিযুক্তরা একটি কালো রঙের স্করপিও গাড়িতে করে আসে এবং নববধূর মৃতদেহ তাঁর বাবা–মায়ের বাড়ির দুয়ারে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। হরিহর নাথ থানার এসএইচও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, অপরাধে ব্যবহৃত গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। মৃত বধূর পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত একটি কালো রঙের স্করপিও গাড়িতে এসেছিল। তারপর দেহটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায় রাতের অন্ধকারেই। বাড়ির বাইরে রাখা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে গোটা দৃশ্যটি।

অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ নিয়ে যাওয়া গাড়িটিকে শনাক্ত করা গিয়েছে। সেটি কোনও পুলিশ সাব ইনস্পেক্টরের গাড়ি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই পুলিশ আধিকারিক আদৌ এই বিষয়ে কিছু জানতেন কিনা নাকি তাঁর গাড়িতে দেহ তাঁর অজান্তেই ব্যবহার হয়েছিল সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওই পুলিশ সাব ইন্সপেক্টরের নাম সন্তোষ রজক। যিনি এখন মুজাফফরপুর জেলায় কর্মরত। মৃত বধূর বাবা জয়প্রকাশ মাহাতো জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়ে সরিতা প্রায় ৯ মাস আগে বৈশালী জেলার কর্তাহান বুজুর্গ গ্রামের বাসিন্দা সত্যেন্দ্র কুমারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তাঁর আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী যৌতুক দেওয়া সত্ত্বেও শ্বশুরবাড়ির লোকজন আরও টাকা দাবি করতে থাকে।

এছাড়া সরিতার বাবার অভিযোগ, জমি রেজিস্ট্রি করার নামে ইতিমধ্যেই ৮ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরিতাকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন অতিরিক্ত ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে আসতে চাপ দিয়েছিল। এই দাবিতে সরিতাকে নিয়মিতভাবে নির্যাতন করা হতো এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে খুন করা হয়। সরিতার গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। শোকাহত পরিবার সরিতার স্বামী এবং তাঁর শ্বশুরবাড়ির পরিবারের জন্য সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। মতার বাবার বয়ানের ভিত্তিতে, হরিহর নাথ পুলিশ স্বামী–সহ পাঁচজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। সরিতার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গণনায় শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী কেন?‌ সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল, শনিবারই জরুরি শুনানি

প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো ইডি অফিসারকে বিশেষ পুরস্কার সংস্থার

বাণিজ্যিক গ্যাসের পরে এবার পেট্রল-ডিজেলের দাম লিটারপিছু ৪-৫ টাকা বাড়ছে?

চাকরি না পেয়ে আমেরিকায় আত্মঘাতী ভারতীয় তরুণ, অন্ধ্রে ছেলের দেহের অপেক্ষায় ঋণগ্রস্ত বাবা

উজ্জয়নের মহাকাল মন্দির চত্বর খুঁড়তেই মিলল একবিংশ শতাব্দীর বিশাল শিবলিঙ্গ

স্বপ্নের সাজে অপেক্ষায় কনে, বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির বরের লিভ-ইন-পার্টনার! তারপর…

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ