চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘নরক যন্ত্রণা ভোগ করেছি’, বর্ষপূর্তিতে ক্ষোভ উগরে দিলেন পহেলগাও হামলায় নিহতদের স্বজনরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাত পোহালেই জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলার এক বছর পূর্ণ হবে। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল, ভারতের ইতিহাসে কালো দিন হয়ে রয়ে যাবে। বৈসরণ উপত্যকায় ঢুকে ধর্ম জেনে ২৫ জন নিরীহ পর্যটক এবং একজন কাশ্মীরীকে খুন করেছিল পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। সেই ঘটনার এক বছর সময় পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে  ক্ষত এখনও দগদগে যা আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে। পাহালগাঁও হামলার এক বছর পরেও শোক কাটিয়ে উঠতে না পারা পরিবারগুলি বলছেন,  ‘আমরা নরক যন্ত্রণা ভোগ করেছি’।  

জীবন থেকে থাকে না কিন্তু গত বছরের স্মৃতিও ভোলার নয়। জঙ্গিদের গুলিতে ঝাঁজরা হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন সন্তোষ জগদালে। তার কন্যা আসবারি জগদালে  সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর কাছে জানিয়েছেন গত এক বছর তাঁদের কীভাবে কেটেছে । সেই সম্পর্কে বলতে গিয়ে আসাবারি তাঁর ও ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য পরিবারের সদস্যদের মানসিক যন্ত্রণার কথা বর্ণনা করেছেন। বলেছেন, “এই এক বছর আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুব কঠিন ছিল। আরও বলেছেন, যে ২৫টি পরিবার চোখের সামনে তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছে, তাদের জন্যও এটি সমানভাবে কঠিন হতো। গত এক বছরে আমরা নরকযন্ত্রণা ভোগ করেছি। প্রিয়জনকে হারিয়েছি এবং সরকারের দেওয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতির জন্য লড়াই করেছি। আমার বাবা আমার এবং আমার মায়ের জন্য এক দৃঢ় অবলম্বন ছিলেন।” তিনি বলেন, ২৫টি পরিবার একই ধরনের যন্ত্রণার সম্মুখীন হয়েছে, যাদের অনেকেই নিজ চোখে তাদের প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণা প্রত্যক্ষ করেছেন।  

আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতায় এসে SIR-এ বাদ পড়া গোর্খাদের নাম বেছে বেছে ভোটার লিস্টে তুলব,’ আশ্বাস শাহের

নিহতদের একজন প্রশান্ত কুমার শতপথীর স্ত্রী বর্ণনা করেছেন, কীভাবে এই ঘটনা তাঁর জীবন ও দায়িত্ববোধকে  বদলে দিয়েছে। তিনি বলেছেন,  “আমার স্বামীর নাম ছিল প্রয়াত প্রশান্ত কুমার শতপথী।  জঙ্গিদের  হামলায় ২০২৫ সালের ২২  এপ্রিল পহেলগাঁও হামলায় তিনি মারা যান। প্রায় এক বছর হয়ে গেল। কথায় আছে, জীবন তো চলতেই থাকে। কিন্তু, এমন একটা দিনও যায়নি যেদিন আমি তাকে স্মরণ করিনি। তিনি যখন এখানে ছিলেন, জীবনটা অন্যরকম ছিল। আমার তখন যে অস্থায়ী চাকরিটা ছিল, এখন তা আমার বেঁচে থাকার এবং সংসার চালানোর জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।”  তিনি আরও বলেছেন, সরকারের  প্রতিশ্রুত সহায়তার অপেক্ষায় পরিবারটি কোনোমতে টিকে রয়েছে।  তাঁর কথায়, “আমার এই অস্থায়ী চাকরিটা দিয়ে কোনোমতে চলছে। কারণ তখন সরকার বলেছিল, তারা আমাকে একটি সরকারি চাকরি দেবে, আমার সন্তানের পড়াশোনার খরচ বহন করবে এবং আর্থিক সহায়তাও দেবে। আমরা আর্থিক সহায়তা পেয়েছি, কিন্তু তারা যে সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা এখনও দেওয়া হয়নি। অন্যান্য রাজ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আমি শুধু চাই, সরকার যত দ্রুত সম্ভব তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করুক।” 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ফিরল নীল ড্রামের স্মৃতি, বাড়ি থেকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার ১১ বছরের বালকের দেহ

মুম্বইয়ে তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর গ্রেফতার, কী অভিযোগ?

“আঙ্কেল, আমার বিয়ে থামান”, চাইল্ডলাইনে নাবালিকার ফোনের পরেই যা ঘটল…

পরকীয়ায় জড়িয়েছে ৫২ বছরের স্ত্রী, সন্দেহের জেরে ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটালেন বয়সে ছোট স্বামী

চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে রোগীর ক্ষতস্থান সেলাই করলেন নিরাপত্তারক্ষী! তারপর যা হল…

মণিপুরে জোরালো ভূমিকম্প, কম্পন অনুভূত হল অসমেও, মাত্রা ৫.২

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ