এই মুহূর্তে

পুলিশের দায়ের করা এফআইআরের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের, সব পক্ষকে নোটিস

নিজস্ব প্রতিনিধি: আইপ্যাক মামলায় এবার সবপক্ষকে নোটিস দিল সুপ্রিম কোর্ট। ইডির বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা এফআইআরের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত পুলিশের তদন্তের উপরেও স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। এই মামলায় সব পক্ষকে নোটিস জারি করেছে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। দু’সপ্তাহের মধ্যে সব পক্ষের কাছ থেকে হলফনামা তলব করা হয়েছে। এমনকী ওই এলাকার সব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পরবর্তী শুনানি হবে ৩ ফেব্রুয়ারি।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার এবং কলকাতা পুলিশের জন্য বড় ধাক্কা। সুপ্রিম কোর্ট রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে তল্লাশির ঘটনায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিসারদের বিরুদ্ধে দায়ের করা পুলিশের এফআইআর স্থগিত করেছে। বিচারপতি প্রশান্ত মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, কর্মী ও প্রশিক্ষণ বিভাগ এবং বাংলার তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের কাছ থেকে বাংলার ডিজিপি রাজীব কুমার এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মা–সহ অন্যান্যদের বরখাস্ত করার জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থার আবেদনের জবাব চেয়েছে।

অন্যদিকে দুর্নীতির মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার ও পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে এবং কর্ণধারের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের মধ্যে এই নির্দেশ এসেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থার আবেদনটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়কে সামনে নিয়ে আসছে। তদন্তে রাজ্যের হস্তক্ষেপ এখানে উঠে আসছে। তবে এই বিষয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বেঞ্চকে অনুরোধ করেন যাতে তদন্তে স্থগিতাদেশ না দেওয়া হয়। তবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত মিশ্র বলেন, ‘‌অন্য কোর্ট ১০ মিনিট শুনে নির্দেশ দেয়। আমরা তো আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। নোটিস জারি করতে রাজি হয়েছি।’‌

এছাড়া এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। তার আগে সবপক্ষকে জারি করা নোটিস আদালতে জমা দিতে হবে হলফনামা আকারে। দুই বিচারপতির বেঞ্চ বলেন, ‘‌আরও বৃহত্তর প্রশ্ন উঠে আসে এবং যদি উত্তর না দেওয়া হয় তাহলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটবে। যদি কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি কোনও গুরুতর অপরাধের তদন্তের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে, তাহলে একটি প্রশ্ন ওঠে: দলীয় কার্যকলাপ কি তাদের বাধাগ্রস্ত করতে পারে? দেশে যাতে আইনের শাসন বজায় থাকে এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের সংস্থা যাতে স্বাধীনভাবে নিজের কাজ করতে পারে, তার জন্য এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি। কোনও অপরাধী যাতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার আড়ালে লুকিয়ে রক্ষা না পেয়ে যায় তাও দেখা দরকার। তবে এটা ঠিক যে, কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারই কোনও রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

অজয় নদে প্রাণহানি,অবৈধ বালি উত্তোলনের খাদে পড়ে মৃত্যু, তদন্ত শুরু

২৫০ টি আসন পেয়ে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রীর মসনদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দাবি কাজল শেখের

পুরপ্রধান উত্তম দাসের নামে ডুপ্লিকেট সিম সন্ত্রাসবাদী আফজাল খান ও করিম মুসার হাতে, তদন্তে পুলিশ

সামশেরগঞ্জে SIR আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে বৃদ্ধর মৃত্যু, অভিযোগ পরিবারের

রবিবার থেকে বঙ্গে হাওয়া বদল শুরু, শীতের ব্যাটিং শেষ পথে

হাড়হিম দৃশ্য আমতলায়, ছুটন্ত ঘোড়ার কামড়ে মুখে ঝুলল নাবালক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ