১৫ বছর পর নিখোঁজ মা’কে খুঁজে পেল সন্তানরা, ছেলের কাণ্ড চোখে জল আনবে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মা’য়ের ভালোবাসার সঙ্গে পৃথিবীর কোনও সম্পর্কের তুলনা হয় না। আর কথায় আছে, মা’য়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক কখনও ছিন্ন হয় না। মা মানেই নিরাপদ আশ্রয়, শান্তির ঠিকানা। ছোটবেলায় যার আঁচলে মুখ লুকিয়ে সব বিপদ থেকে অনায়াসে বাঁচা যেত সেই মা নিখোঁজ হলে তার কষ্ট যে কি সেটা তাঁর সন্তানরাই বোঝে। তবে হারিয়ে যাওয়া মা’কে যদি দীর্ঘ ১৫ বছর পর ফিরে পাওয়া যায়, তাহলে সেই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন। সম্প্রতি এমনই এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হয়েছে একটি পরিবার। দীর্ঘ সময় পর মা’কে কাছে পেয়ে নিজেদের আবেগ ধরে রাখতে পারেনি মহিলার ছেলে ও মেয়ে। বিশেষ করে মা’কে ফিরে পেয়ে ছেলের যে কাণ্ড ঘটিয়েছেন সেটাই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই ঘটনা দেখে চোখে জল এসেছে নেটিজেনদের।

ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের কোটায়। ১৫ বছর আগে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন মোহিনী নামের এক মহিলা। বহু খোঁজাখুঁজির পরেও পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খুঁজে পাননি। এক সময় বাড়ির সকলে মোহিনীকে ফিরে পাওয়ার আশা  ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে তিনিই সকলকে অবাক করে  স্বামী ও সন্তানদের কাছে ফিরে এসেছেন ১৫ বছর পর। দীর্ঘ সময় পর সামনে মাকে দেখে নিজেদের আবেগ সামলাতে পারেননি ছেলে গোবর্ধন  ও মেয়ে সঙ্গিতা। মাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। গোবর্ধন মায়ের পা ধরে কাঁদতে থাকেন। দীর্ঘদিনের বিচ্ছেদের যন্ত্রণা যেন এক মুহূর্তে চোখের জলে ধুয়ে যায়। সেই আবেগঘন মুহূর্তে উপস্থিত অনেকেই নিজেদের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ১৫ বছরের ব্যবধান যেন মিলিয়ে যায় এক আলিঙ্গনে। সন্তানদের স্পর্শ পেয়ে  মহিলাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

জানা গিয়েছে, মানসিক অবসাদের কারণে প্রায় ১৫ বছর আগে নিজের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন ওই মহিলা। বাড়ি ছাড়ার পর তিনি রাজস্থানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান। নয় বছর আগে, ঝালাওয়ার জেলার ডাঙ্গিপুরা থানা এলাকার বামন গ্রামে তাকে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে দেখা যায়। সেই সময়ে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং নিজের সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারছিলেন না। এই ঘটনার খবর পেয়ে ডাঙ্গিপুরা থানার অফিসার গোকুল প্রসাদ তাঁকে কোটার ‘আপনা ঘর আশ্রম’-এ পাঠিয়ে দেন । আশ্রমে নিয়মিত চিকিৎসা, যত্ন পাওয়ার পর মোহিনীর স্বাস্থ্যের ধীরে ধীরে উন্নতি হতে থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার পরিবার ও গ্রাম সম্পর্কে তথ্য জানাতে শুরু করে। তখন জানা যায়  তিনি প্রতাপগড় জেলার বাসিন্দা। আরনোদ থানার সাহায্যে মোহিনীর পরিবারকে এই তথ্য দেওয়া হয়। মোহিনী বেঁচে আছে ও নিরাপদে আছে, এই খবর পাওয়া মাত্রই সারা বাড়িতে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। স্বামী বাবুলাল, বড় ছেলে গোবর্ধন, মেয়ে সঙ্গীতা এবং গ্রামের কিছু মানুষ সঙ্গে সঙ্গে কোটার উদ্দেশে রওনা দেন মোহিনীকে ফেরাতে। মোহিনীর পরিবার এবং সঙ্গে থাকা গ্রামবাসীরা আশ্রমটির প্রশংসা করেছেন। সকলেই বলেন বলেন আশ্রমটির জন্যই একটি ভাঙা পরিবারকে পুনরায় একত্রিত হতে পেরেছে। 

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন