Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ফ্যাশন জগতে বিশ্বজোড়া নাম করেছেন এই ৮ মহিলা ফ্যাশন ডিজাইনার, জানুন কারা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রতিবছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়ে থাকে ৮ মার্চ। গোটা বিশ্বের দিনটিকে শুধু উদযাপন নয়, নারীদের সম্মান জানানো হয়। বিশ্বজুড়ে নারীরা সাহস ও কঠোর পরিশ্রম এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছেন। চিকিৎসক, শিক্ষক, অভিনয় জগতের সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাশন দুনিয়াতেও এমন অনেক মহিলা রয়েছেন,যাঁরা নিজেদের কাজের মাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছেন। নিজেদের জায়গা করার পাশাপাশি নতুন দিক নির্দেশও করেছেন। পোশাককে তারা শুধু শরীর ঢাকার মাধ্যমে হিসেবে নয়, মুক্ত আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার প্রতীকের রূপান্তরিত করেছেন। অনেক মহিলা ফ্যাশন ডিজাইনার বিশ্বজুড়ে ইতিহাস তৈরি করেছেন। তাদের অন্য দৃষ্টিভঙ্গি নতুন জায়গা তৈরি করেছে।

কোকো শ্যানেল থেকে রিতু কুমারের কথা বলা যেতেই পারে। এটি শুধু তালিকা নয়, সকল মহিলা ফ্যাশন ডিজাইনাররা বিশ্বজুড়ে নারীদের স্বপ্ন দেখার সাহস দেখিয়েছেন। আজ রবিবার (৮জুন) আট জন জনপ্রিয় ফ্যাশন ডিজাইনারের কথা বলা হবে। এরা নিজেদের ফ্যাশন জ্ঞান দিয়ে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে নতুন রূপ দিয়েছেন।

কোকো শ্যানেল

কোকো শ্যানেল বিংশ শতাব্দীর একজন ফ্যাশন আইকন ছিলেন। যিনি লিটল ব্ল্যাক ড্রেস, স্পোর্টি সিলুয়েট এবং আরামদায়ক পোশাক তৈরির জন্য পরিচিত ছিলেন।  ১৮৮৩ সালের ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তাঁর ফ্যাশন জ্ঞান ফ্যাশন শিল্পকে সম্পূর্ণভাবে বদলে দিয়েছিল। শৈশবে চরম দারিদ্রতার মধ্যে কেটেছিল তাঁর। তখন থেকেই সেলাইয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। আর্থিক সমস্যার কারণে সেলাই শিখেছিলেন। সেটি জীবনের বড় জায়গা তৈরি করে দিয়েছিল তাঁকে। ১৯১০ সালে প্যারিসে নিজের ফ্যাশন ব্র্যান্ড চালু করেছিলেন। তিনি তার টুপির জন্য একটি দোকান খুলেছিলেন। তার নাম ছিল শ্যানেল মোডস। এই টুপিগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ১৯১৩ সালে তিনি তার প্রথম বুটিক খোলেন। ১৯৯৯ সালে নিজস্ব ফ্যাশন হাউস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পুরনো জার্সি উপাদান ব্যবহার করে নতুন পোশাক তৈরি করতে পারবেন তিনি। তার দুটো জিনিস সারা বিশ্বে বিখ্যাত। তারমধ্যে একটি হল শ্যানেল নম্বর ৫ সুগন্ধি, ১৯২১ সালে এটিকে তিনি বাজারে নিয়ে এসেছিলেন। পাশাপাশি ১৯২৬ সালে তিনি নিয়ে এসেছিলেন লিটিল ব্ল্যাক ড্রেস। ১৯৭১ সালে প্রয়াত হন তিনি। আজ শ্যানেল ব্র্যান্ডের অনেক জিনিস পাওয়া যায়। তার মধ্যে রয়েছে সুগন্ধি, ব্যাগ, পোশাক, মেকআপ, ঘড়ি। এই পণ্যগুলো শুরুই হয় লক্ষ লক্ষ টাকা থেকে।

ডোনাটেলা ভার্সেস

ডোনাটেলা ভার্সেস হলেন ইতালীয় ফ্যাশন হাউস ভার্সেসের অন্যতম পরিচালক। তার পুরো নাম ডোনাটেলা ফ্রান্সেসকা ভার্সেস। তিনি তার ভাই জিয়ান্নি ভার্সেসের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। পরে ভার্সেস ব্র্যান্ডটিকে নিজের গ্ল্যামার, সাহসী প্রিন্ট, সিলুয়েট এবং উচ্চমানের নান্দনিকতা দিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তোলেন। তাঁর ডিজাইনে গ্ল্যামারাস কাট থাকে, যা রেড কার্পেট এবং সেলিব্রিটি শোতে পছন্দ করা হয়। ভার্সেসের পোশাক প্রিমিয়াম বিলাসবহুল ক্যাটাগরিতে পড়ে। গাউন থেকে শুরু করে চামড়ার জ্যাকেট এবং সিল্কের পোশাক লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়। ১৯৭৮ সালে ডোনাটেলার ভাই এই ব্র্যান্ডটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯৯৭ সালে তার ভাইয়ের মৃত্যুর পরে ডোনাটেলা ব্র্যান্ডটির দায়িত্ব নেন। তারপর নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। আজ এটি একটি বিলাসবহুল ব্র্যান্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। ভার্সেস পোশাক, ঘড়ি, ব্যাগ, গয়না, মেকআপ এবং সুগন্ধিও বাজারে এনেছে।

স্টেলা ম্যাককার্টনি

স্টেলা ম্যাককার্টনি একজন ইংরেজ ফ্যাশন ডিজাইনার। তিনি টেকসই ফ্যাশনের পক্ষে। ২০০১ সালে নিজের ব্র্যান্ড চালু করেন। স্টেলা তার তৈরি সবকিছুতে চামড়া, পশম বা প্রাণীজ জিনিস এড়িয়ে চলেছেন। তাঁর কাছে পরিবেশবান্ধব, আধুনিক, মসৃণ সিলুয়েট রয়েছে। তাঁর ব্র্যান্ড বিলাসিতা এবং নীতিগত ফ্যাশনের যোগ করে। স্টেলা অল্প সময়ের মধ্যে নিজের নকশা এবং শৈল্পিকতার মাধ্যমে এই ব্র্যান্ডকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। স্টেলা ম্যাককার্টনি মহিলাদের জন্য তৈরি পোশাক, ইউনিসেক্স ক্যাপসুল, শিশুদের পোশাক, আনুষাঙ্গিক এবং সাঁতারের পোশাক তৈরি করেন।

মিউচা প্রাদা

মিউচা প্রাদা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফ্যাশন ডিজাইনার। তিনি বিলাসবহুল ব্র্যান্ড প্রাদার প্রধানও। মিউচা প্রাদা তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত নকশার জন্য পরিচিত। তাঁর বিশেষত্ব হল নাইলনের মতো সাধারণ কাপড়কেও বিলাসবহুল ছোঁয়া দেওয়া। তার পোশাক ক্লাসিক এবং আধুনিকের মধ্যে নিখুঁত ভারসাম্য বজায় রাখে। মিউচা এতটাই সৃজনশীল ছিলেন যে তিনি আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত ডিজাইনগুলিকে ফ্যাশন জগতে আলাদা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলেন। এই ট্রেন্ডটি Ugly Chic নামে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ১৯৭৮ সালে প্রাডার সৃজনশীল প্রধান হয়েছিলেন। ১৯৮৫ সালে প্রথম কালো নাইলন ব্যাগ বাজারে আনেন। আজ মিউচা বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত। এই কারণেই তাঁর ডিজাইনের দাম লক্ষ লক্ষ।

ভিভিয়েন ওয়েস্টউড

ভিভিয়েন ওয়েস্টউড ছিলেন একজন ব্রিটিশ ফ্যাশন ডিজাইনার। যিনি পাঙ্ক ফ্যাশনের রানী নামে পরিচিত। তিনি ১৯৭১ সালে লন্ডনে প্রথম বুটিক শপ খুলেছিলেন। পাঙ্ক ফ্যাশন ছিল এমন একটি স্টাইল যার মধ্যে ছিল ছেঁড়া, পিনযুক্ত পোশাক, চেইন, চামড়ার জ্যাকেট এবং স্লোগানযুক্ত পোশাক। তাঁর পোশাক রাজনৈতিক সামাজিক বার্তা বহন করত। সমস্ত নিয়মের বাইরে গিয়ে ফ্যাশন জগতে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন।

ঋতু কুমার

ঋতু কুমার ভারতীয় ফ্যাশন শিল্পের একজন জনপ্রিয় ডিজাইনার। তিনিই প্রথম ভারতীয় মহিলা ফ্যাশন ডিজাইনার যিনি ফ্যাশন শিল্পে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি ১৯৬০-এর দশকে কলকাতায় যাত্রা শুরু করেছিলেন। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাককে আধুনিক দৃষ্টিকোণ দিয়ে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিলেন। তাঁর ডিজাইন হ্যান্ড-ব্লক প্রিন্ট, পরিবর্তিত কারুশিল্প এবং গাঢ় রঙের জন্য পরিচিত।

ভেরা ওয়াং

ভেরা ওয়াং একজন আমেরিকান ডিজাইনার। ব্রাইডাল পোশাক করেন বেশি। নিউ ইয়র্কে ভোগ এবং র‍্যালফ লরেনে কাজ করার পর তিনি ১৯৯০ সালে তার নিজস্ব ব্রাইডাল বুটিক খুলেছেন। ভেরা ওয়াংয়ের ডিজাইনগুলি রাজকীয়। তাঁর ব্রাইডাল গাউন বিলাসবহুল। এগুলো লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়।

অনিতা ডোংরে

অনিতা ডোংরে হলেন মুম্বাই-বংশোদ্ভূত ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার। তিনি হাউস অফ অনিতা ডোংরের প্রতিষ্ঠাতা। মুম্বাইতে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। এখন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মালিক তিনি। তারমধ্যে রয়েছে AND (ওয়েস্টার্ন ওয়্যার), GLOBAL DESI (বোহো-চিক), এবং সিগনেচার কৌচার লাইন। তাঁর ডিজাইনের মধ্যে রয়েছে পরিবেশবান্ধব, ড্রেপ করা সিলুয়েট, বোহো-চিক এবং ভারতীয় কারুশিল্পের সঙ্গে আধুনিক শৈলীর মিশ্রণ।

 

 

 

জেল খেটে আসা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে ‘প্রত্যাখ্যান’ হাবড়ার ভোটারদের

বঙ্গে বিজেপি ঝড়, ডুবলেন তৃণমূলের ৫ তারকা প্রার্থী

ফুটল না ‘জোড়া ফুল’, নন্দীগ্রাম থাকল শুভেন্দুরই হাতে

নন্দীগ্রামের পরে ভবানীপুরেও শুভেন্দুর কাছে হারলেন মমতা

অমিত শাহ ছাড়া বিজেপির বঙ্গ জয়ের পাঁচ নেপথ্য সেনাপতিকে চেনেন?

বিজেপির কাছে হার, ফেসবুক থেকে উধাও রাজ চক্রবর্তী

ঠাকুরবাড়ির লড়াইয়ে বউদির কাছে হারলেন ননদ, ৩৪ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী সোমা

ফেসবুকের বিপ্লব জয় দিতে পারল না বামেদের, শূন্যের গেরো কাটাল ডোমকল

‘পদ্ম ফুটেছে’, বঙ্গ জয়ের জন্য বিজেপি কর্মীদের শুভেচ্ছা মোদির

বাংলায় পদ্ম ঝড়ে শশী-ব্রাত্য সহ অন্তত ২৩ জন মন্ত্রী পিছিয়ে

‘‌মন খারাপের কোনও কারণ নেই, ওয়েট–ওয়াচ অ্যান্ড সি’‌, জরুরি বার্তা মমতার

মহীরূহ পতন, নিজের গড়েই হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মমতা-শুভেন্দু, দু’জনের ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের

রাতের মধ্যেই ধেয়ে আসছে ৬০ কিলোমিটার গতি বেগে কালবৈশাখী, একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা জারি