১৪ বছরে একই পরিবারের চার সদস্যকে ‘ঠান্ডা মাথায়’ খুন করল হাতি, কোথায় ঘটল ভয়ঙ্কর ঘটনা?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, কাঠমান্ডু: ভয়ঙ্কর প্রতিশোধস্পৃহা নাকি কাকতালীয়! ১৪ বছরে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করল এক হাতি। গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গিয়েও খুনে হাতির রোষ থেকে রক্ষা পায়নি হতভাগ্য পরিবারটি। গল্প নয়, বাস্তবেই এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে নেপালে।

নেপালি দৈনিক ‘কাঠমান্ডু পোস্ট’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ’১৪ বছর আগে ২০১২ সালে চিতওয়ান ন্যাশনাল পার্কের কাছে অবস্থিত মাডি গ্রামে অতর্কিতে হানা দিয়ে ধুরবে নামের এক হাতি পায়ে পিষে মেরে ফেলেছিল শনিচেরা বোতের বৃদ্ধ বাবা-মাকে। ওই ঘটনার পরেই আতঙ্কে এবং খুনি হাতির হাত থেকে রক্ষা পেতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছিলেন শনিচেরা। মাডি ছেড়ে রাফতি নদী পেরিয়ে ৯ কিলোমিটার দূরে জগ‍ৎপুরে নয়া ডেরা বেঁধেছিলেন। মত্ত হাতি ধুরবের নাগালের বাইরে চলে এসেছেন ভেবে খানিকটা হাঁপ ছেড়েও বেঁচেছিলেন। কিন্তু ও হরি! মানুষ ভাবে এক, আর হয় আর এক। গত মাসে নদী পেরিয়ে বোতে পরিবারের ডেরা খুঁজে নেয় খুনে হাতি ‘ধুরবে’। জগ‍ৎপুরে বোতে পরিবারের আস্তানায় হানা দিয়ে শনিচেরার ২৫ বছর বয়সী পুত্রবধূ আশিকা বোতে এবং চার বছর বয়সী নাতি ভরত বোতেকে পায়ে পিষে মেরে হত্যা করে। ১৪ বছরের ব্যবধানে ফের ধুরবের হাতে পরিবারের দুই প্রিয়জনকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন শনিচেরা।’‘কাঠমান্ডু পোস্ট’ এর প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বার বার শিহরে উঠছিলেন পরিবারের তিনি। খানিকটা উদ্বেগভরা কণ্ঠে শনিচেরা বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম বড় নদী পার হয়ে অন্য এলাকায় গেলে আমরা নিরাপদ থাকব।কিন্তু এত বছর পর সেই একই হাতি আমাদের খুঁজে বের করল, বাড়িতে হানা দিল এবং আমার পুত্রবধূ ও ছোট নাতিকে কেড়ে নিল। আমাদের পালিয়ে যাওয়ার মতো আর কোনও জায়গাই অবশিষ্ট নেই।’ বোতে পরিবারের চার সদস্যকে ঠান্ডা মাথায় খুন করা

ধুরবে নেপালের অন্যতম কুখ্যাত ও আক্রমণাত্মক হাতি হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক বছরে একাধিক নিরীহ মানুষের প্রাণ নিয়েছে। চিতওয়ান জাতীয় উদ্যানের আধিকারিকরা নিয়েছেন যে, ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ধররবের আক্রমণে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন

দীপাবলির আগে মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ সূর্যকুমারের পরিবারের, খুদের ভজন শুনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী