জুনিয়র ডক্টর্‌স ফ্রন্টের পদ থেকে ইস্তফা আরজি কর আন্দোলনের প্রধান মুখের

পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডক্টরস্ ফ্রন্টের বোর্ড অফ ট্রাস্ট থেকে ইস্তফা দিলেন আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতো।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডক্টরস্ ফ্রন্টের বোর্ড অফ ট্রাস্ট থেকে ইস্তফা দিলেন আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতো। বছরের প্রথম দিনেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এল। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বোর্ডে চিঠি লিখে ইস্তফার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন অনিকেত। এবং তিনি তাঁর এই সিদ্ধান্তকে বেদনাদায়ক বলেছেন। চিঠিতে জুনিয়র ডক্টরস্ ফ্রন্টের এগ্‌জিকিউটিভ কমিটি তৈরি নিয়ে ট্রাস্টের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের ইঙ্গিত রয়েছে। পাশাপাশি অনিকেতের অভিযোগ, ট্রাস্টের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট সম্পর্ক স্থির না করেই কমিটি গঠন করা হচ্ছে। আইনি পরামর্শ উপেক্ষা করা হচ্ছে। এটি অগণতান্ত্রিক এবং নির্যাতিতার জন্য ন্যায়বিচারের দাবি আন্দোলনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। তাঁর আপত্তি একাধিকবার ট্রাস্টকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

বর্তমানে জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের এগ্জিকিউটিভ কমিটিতে ৩৭ জন সদস্য রয়েছেন। সংঘাতের সূত্রপাত, ট্রাস্ট এবং কমিটির মধ্যে দায়িত্ববণ্টন নিয়ে। তাই কমিটির ভোটাভুটির আগেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানালেন। ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। আর এই ডাক্তার দের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অনিকেত মাহাতো। তিনি ন্যায়বিচারের দাবি ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো সংস্কারের দাবি নিয়ে অনশনেও বসেছিলেন। কিন্তু আন্দোলনের সময় জুনিয়র ডক্টরস্ ফ্রন্টের অনেকের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য হয়েছিল। এমনকী আরজি কর পর্বের পর অনিকেত-সহ আন্দোলনের প্রথম সারির কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তারের পোস্টিং নিয়েও সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি।

তাঁর অভিযোগ ছিল, সরকার ইচ্ছে করেই আন্দোলনে যুক্ত ডাক্তারদের দূরে পোস্টিং দিয়েছে। এ নিয়ে আইনি লড়াইয়ের পথেও হেঁটেছেন তিনি। পরে ফ্রন্টের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে ওই পোস্টিংয়েই কাজে যোগ দেন প্রতিবাদে সামিল অন্যান্য ডাক্তাররা। কিন্তু অনিকেত লড়াই চালিয়ে যান। কলকাতা হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টের রায়ও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। আদালত আরজি কর হাসপাতালেই অনিকেতের পোস্টিংয়ের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁকে কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি। ইস্তফার চিঠিতে তিনি এ সব কথা লিখেছেন। আন্দোলন চলাকালীন কর্মপন্থা নিয়েও ফ্রন্টের অনেকের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য হয়েছে। তবুও তিনি লড়াই চালিয়ে যেতে চান। কোনও সংঘাত মনে রাখতে চান না।

অপারেশন সিঁদুর’-এর পর প্রথম, দিল্লিতে SCO মিটে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারতের

মাদক পাচারের অভিযোগে প্রশান্ত মহাসাগরে নৌকায় মার্কিন হামলা, নিহত ৫

গেমারদের জন্য বড় চমক! বাজারে এসে গেল Infinix GT 50 Pro

ল্যান্ডফলের পর ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ-ওডিশায় ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি শুরু

অন্ধ্রে আছড়ে পড়ল অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে কখন শুরু বৃষ্টি?

১ মিটার উঁচু থেকে পড়লেও ভাঙবে না, এসে গেল ১০,০০০ mAh battery-র Vivo Y600

পাকিস্তানে অপহৃত বালোচ রাজপুত্র, তুলে নিয়ে যাওয়া হল তিন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীকেও

হাড়ের মারাত্মক ক্ষয় রুখতে রোজ ঠিক কতটা ক্যালসিয়াম প্রয়োজন?

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপে বাড়ির জানলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা বিজ্ঞানীর

তিন বন্ধুকে দিয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করাল পাষণ্ড স্বামী, হাড়হিম ঘটনা হায়দরাবাদে

সৌদি আরবে রক্ষা মন্ত্রকের কার্যালয়ে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের

‘এমন বন্ধু আর কে আছে’.. বিধানসভায় দেখা হতেই কোলাকুলি কুণাল-সন্দীপনের

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, কৈখালির Haldiram’s বন্ধের নির্দেশ খাদ্য সুরক্ষা দফতরের

উত্তাল সমুদ্র, মন্দারমণিতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গিয়ে মৃত পর্যটক