Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

পঞ্চায়েত ভোট স্থগিতের মামলা খারিজ করল হাইকোর্ট

এখন আদালতেও ঘাড় ধাক্কা ব্যতীত কিছুই জুটছে না বিরোধী শিবিরের। এদিন কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করে দিল পঞ্চায়েত নির্বাচন স্থগিতের আর্জি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন(Panchayat Election) বন্ধ করে দেওয়া হোক এবং সেই সঙ্গে রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হোক। এই জোড়া আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে(Calcutta High Court) দায়ের করা হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা(PLA Case)। কিন্তু সেই মামলার যে কোনও সারবত্তা নেই ও তা যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তা বুঝেই এদিন অর্থাৎ সোমবার সেই মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবাজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। কার্যত যা বিরোধী শিবিরের কাছে বড়সড় ধাক্কা। কেননা নিজেদের বেহাল দশা ঢাকতে তাঁরা বার বার আদালতের দরজায় গিয়ে কড়া নাড়ছে যদি এই নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়া যায়। তাতে তাঁরা লড়াইয়ের জন্য আরও কিছুটা সময় পেয়ে যাবে। কিন্তু তাঁদের অভিসন্ধি আগেই বুঝে গিয়েছে হাইকোর্ট। তাই এখন ঘাড় ধাক্কা ব্যতীত কিছুই জুটছে না বিরোধী শিবিরের।

আরও পড়ুন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগ বৈধ

জানা গিয়েছে, রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হোক এবং সেই সঙ্গে রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হোক, এই জোড়া আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন শ্রীধর বাগারি নামে এক প্রাক্তন সেনা আধিকারিক। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্যের নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। কমিশন শাসক দলের নির্দেশমতো কাজ করছেন। মানুষের নিরাপত্তা, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব হচ্ছে। এই অবস্থায় ভোট হলে তা প্রহসণই হবে। রাজ্যেই আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে। তাই নির্বাচন স্থগিত করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন(President Rule) জারি করা হোক। কিন্তু সেই আর্জি শোনা তো দূরের কথা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন সেই মামলাই খারিজ করে দিয়েছে। জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলার কোনও গ্রহণযোগ্যতাই নেই।  

আরও পড়ুন ভোটে লড়তে পারবেন না ভাঙড়ের ৮২জন ISF প্রার্থী

এদিন এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, ‘কোন পরিস্থতিতে রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি হতে পারে বা রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে, তা একমাত্র রাজ্যপাল সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মনে রাখতে হবে নির্বাচন কমিশন(West Bengal State Election Commission) একটি সাংবিধানিক ও স্বশাসিত সংস্থা। তাই আদালত সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। মানুষের নিরাপত্তা, জীবন-জীবিকার আঘাত এলে আদালত নিশ্চিতভাবে হস্তক্ষেপ করবে। আর যেহেতু রাজ্যপালের ক্ষমতা রয়েছে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারে, তাই সেই সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে হলে তা রাজ্যপালকেই নিতে হবে। আদালত এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে ইতিমধ্যেই ১২% আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন প্রার্থীরা। কিন্তু বাকি ৮৮ শতাংশ আসনে তো ভোট হচ্ছে। তাহলে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব হয়েছে এটা বলার জায়গা আসছে কোথা থেকে।’

আজকের রাশিফল: কাছের বন্ধুদের থেকে ধোঁকা খাওয়ার সম্ভাবনা, বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ

বাংলাতেও ভোট চুরি হয়েছে, মমতাকে ফোনে জানালেন রাহুল গান্ধী

পাঁচ বছরের জন্য বাংলায় বিশেষ দায়িত্বে ‘সিংহম’ অজয় পাল শর্মা!

বিজেপি নয়, বামেদের প্রাপ্ত ভোটই টালিগঞ্জে অরূপের হারের মূল ফ্যাক্টর!

গেরুয়া ঝড়ে কুপোকাত রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা, গড় ধরে রাখতে ব্যর্থ সুজিত-অরূপরা

ঝাড়গ্রামের ৪ আসনেই বিজেপির জয়, তৃণমূলের ঝুলিতে শূন্য

ঘরের মাঠে জ্বলে উঠলেন রোহিত, ৬ উইকেটে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারাল মুম্বই

৯ মে ব্রিগেডের মাঠে খোলা আকাশের নিচে শপথ নেবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

D০ Or Die ম্যাচে মুম্বইকে বড় রানের টার্গেট দিল লখনউ সুপার জায়ান্টস

নন্দীগ্রামের পরে ভবানীপুরেও শুভেন্দুর কাছে হারলেন মমতা

‘পদ্ম ফুটেছে’, বঙ্গ জয়ের জন্য বিজেপি কর্মীদের শুভেচ্ছা মোদির

ফুটল না ‘জোড়া ফুল’, নন্দীগ্রাম থাকল শুভেন্দুরই হাতে

মহীরূহ পতন, নিজের গড়েই হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মমতা-শুভেন্দু, দু’জনের ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের