চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কলসেন্টার খুলে প্রতারণার ফাঁদ, মাস্টারমাইন্ড ও দুই মহিলা গ্রেফতার

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভুয়ো কল সেন্টার(Fake Call Center) খুলে প্রথমে বেকার ছেলেমেয়েদের চাকরির লোভ দেখিয়ে চাকরি দেওয়া হতো। তারপর তাদের দিয়ে ফোন করিয়ে এটিম(ATM) বাসানোর নাম করে চলত টাকা হাতানোর কাজ৷ রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমান(Paschim Burdwan) জেলার আসানসোল সদর মহকুমার বারাবনি থানার(Barabani PS) পানুরিয়া গ্রামের এক বাসিন্দা নিজে প্রতারিত হয়ে ঘটনাটি পুলিশকে জানান। তারপরেই ঘটনাটি নিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। সেই তদন্তের নিট রেজাল্ট প্রতারণা কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এবং তার সহযোগী ২ মহিলা গ্রেফতার হল পুলিশের হাতে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৪০টি মোবাইল ফোন এবং ১টি ল্যাপটপ। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এলাকায় এই প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হওয়ায় তাঁরাই ঘটনার তদন্তে নামেন। তবে অভিযুক্তরা কলকাতার কান ঘেঁষে থাকা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত সদর মহকুমার মধ্যমগ্রাম থেকে এই প্রতারণা চালাতো। সেখানেই খুলেছিল তারা ভুয়ো কলসেন্টার।

জানা গিয়েছে, বারাবনি থানার পানুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা চিন্তামণি চর থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন এই প্রতারণার ঘটনা নিয়ে। এটিএম বসানোর নাম করে তাঁর কাছ থেকে ১২ লক্ষ টাকা প্রতারণা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছিলেন৷ সেই অভিযোগ আবার দায়ের হয়েছিল প্রায় ১ বছর আগে। এরপর পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু পুলিশের হাতে কোনও সূত্র ছিল না। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, মধ্যমগ্রামের একটি কল সেন্টার থেকে চিন্তামণি চরকে ফোন করে টোপ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ জানতে পারে শুধুমাত্র এটিএম বসানো নয়, মোবাইল টাওয়ার বসানো থেকে শুরু করে নানান ধরনের প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল ওই কল সেন্টারের মালিক। এরপর বুধবার মধ্যমগ্রামের ওই কল সেন্টারে হানা দেয় বারাবনি থানার পুলিশ। সেখান থেকেই ওই কল সেন্টারের মালিক তথা প্রতারণা চক্রের মাস্টারমাইন্ড শুভঙ্কর ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় শুভঙ্করের স্ত্রী মানসী পাল এবং মৌসুমী হাতি নামে আর এক মহিলাকে।

ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, শুভঙ্করের বাড়ি কলকাতার বাঁশদ্রোণীতে। লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করেছে এই শুভঙ্কর ব্রহ্মচারী এবং তার স্ত্রী মিলে। পাশাপাশি এই প্রতারণা চক্র আরও কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কখনও মোবাইল টাওয়ার বসানো আবার কখনও এটিএম বসানোর নাম করে চলত টাক হাতানোর কাজ৷ চাকরির নাম করে নিযুক্ত করা বেকার ছেলেমেয়েদের কাজে লাগিয়ে চলত এই কাজ৷ চাকরি করতে আসা কম বয়সি যুবক যুবতিরা বুঝতেই পারত না-তাদের ব্যবহার করেই চলছে প্রতারণার বড় ছক। শুধুমাত্র চিন্তামণি চর নয় এই ঘটনায় আরও অনেকে প্রতারিত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, পুলিশ এই তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ