দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

গাড়ি আটকে ‘‌জয় শ্রীরাম’‌ বলতে চাপ, অস্বীকার করলে ব্যাপক মারধর, হরিশ্চন্দ্রপুরে আলোড়ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: এবার খোদ বাংলার রাস্তার মাঝে গাড়ি আটকে চারজন মুসলিম যুবককে জোর করে জয় শ্রীরাম বলতে চাপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আর সেটা ওই যুবকরা না বলায় তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনায় জখম যুবকদের নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুরে। এই ঘটনাটি ঘটেছে মাঝরাতে হরিশ্চন্দ্রপুরের গড়গড়ি এলাকায়। এই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, গড়গড়ি এলাকার বাসিন্দা চন্দন মাহালি, সাগর মাহালি এবং মিঠুন রজক–সহ আটজনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসায় ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

এদিকে বিজেপি শাসিত ভিন রাজ্যে এমন ধরণের ঘটনা ঘটে থাকে। তার নানা অভিযোগ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া এবং সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত হয়েছে। বাংলা ভাষায় কথা বললে মারধর, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোক হলে জোর করে জয় শ্রীরাম বলতে চাপ—এসব অভিযোগ বারবার এসেছে। এমনকী এমন হামলার জেরে কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিকরা। আবার কারও কারও প্রাণও নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেখানে এবার খোদ বাংলায় এমন ঘটনা ঘটায় তুঙ্গে উঠেছে রাজ্য–রাজনীতি।

অন্যদিকে শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। তার প্রাক্কালে এমন ঘটনা নিঃসন্দেহে অস্বস্তি তৈরি করেছে বিজেপির কাছে। কারণ এবার মারধর করা হয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ২–ব্লকের দক্ষিণ তালসুর গ্রামের বাসিন্দা মাসেদুর রহমান, ইব্রাহিম আলি, সইদ আনোয়ার এবং মুজাহিদুল ইসলামকে। চন্দন মাহালির নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন আক্রান্তরা। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চম্পট দিয়েছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্তরা। ঘটনার তদন্তে নেমেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

এছাড়া স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার মাঝরাতে চারচাকা গাড়ি নিয়ে চার যুবক হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। গড়গড়ি এলাকায় তাঁদের গাড়ি মাঝপথে থামিয়ে জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করে চন্দন মাহালি, সাগর মাহালি এবং মিঠুন রজক–সহ আটজনের দলটি। আর তা বলতে অস্বীকার করলে তাঁদের গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই মারধরের চোটে জখম হন তাঁরা। এক যুবকের মোবাইল ফোন ও ব্যাগে থাকা ৭৫ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে সেখান থেকে পালিয়ে যায় ওই দলটি। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয়দের দাবি, দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। ধর্মের নামে জোরজবরদস্তি এবং হিংসার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘২৫০ আসন পাবে তৃণমূল,’ প্রথম দফার ভোটের পরেই ভবিষ্যদ্বাণী ইউসুফ পাঠানের

পাঁশকুড়ায় ইভিএম বদলে দেওয়ার অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর, চাঞ্চল্য

ময়নায় ইভিএম মেশিন বুথ থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপির হামলা, ১০ জন তৃণমূল এজেন্ট আহত

শুভেন্দু’র অস্তিত্ব চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে নির্বাচন শেষে দাবি তৃণমূল প্রার্থীর

অশান্তি ছড়ানোয় ৪১ জনকে গ্রেফতার, পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা খারিজ সিইও’র

জেলাশাসকের হস্তক্ষেপে ভোট দিতে পারলেন নন্দলাল বসুর নাতি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ