এই মুহূর্তে

২০ হাজার বুথের ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

নিজস্ব প্রতিনিধি: অযোগ্যতা কাকে বলে ফের প্রমাণ করল ‘বিশ্বাসযোগ্যহীন’ হয়ে ওঠা জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে রাজ্যের সব বুথের তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ করতে পারল না জ্ঞানেশ কুমার ও তার অধীনস্ত কর্মচারি মনোজ আগরওয়াল। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত নয়টার সময়ে ২০ হাজার বুথের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ওই তালিকা ইআরওদের প্রকাশ্যে চাঙিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি বুথের তালিকা ধীরে-ধীরে প্রকাশ করা হবে বলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রে বলা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, ঢাকঢোল পিটিয়ে সুব্রত গুপ্তের মতো প্রাক্তন আমলাকে বিশেষ পর্যবেক্ষক করার পাশাপাশি একগাদা আমলাকে বাংলায় পাঠিয়ে শেষে এমন অশ্বডিম্ব প্রসব করতে হল?

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) নিয়ে দায়ের মামলার শুনানিতে গত ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনকে তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিল। শনিবারের মধ্যে প্রকাশ্যে ওই সংক্রান্ত তালিকা টাঙিয়ে দিতে বলা হয়েছিল। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছিল, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা টাঙাতে হবে কমিশনকে। প্রতিটি ব্লক অফিসে আলাদা কাউন্টার খুলতে হবে। সেখানেই সাধারণ মানুষ নথি জমা দিতে এবং তালিকা সংক্রান্ত আপত্তি জানাতে পারবেন। নথির প্রাপ্তিস্বীকার করতে হবে লিখিত ভাবে।

সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ নিয়ে এদিন সকাল থেকেই সংশয় দেখা দেয়। সঠিক তালিকা প্রস্তুত হয়নি বলে কমিশন সূত্রে জানা যায়। এদিন তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়ক ও বিএলএ এজেন্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকেও লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির তালিকা প্রকাশ না করায় উষ্মাপ্রকাশ করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধেয় তিনি সমাজমাধ্যম ‘এক্স’ হ্যান্ডলে লেখেন, ‘যে সফটওয়্যার ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে ৭ কোটিরও বেশি গণনা ফর্ম মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণ করে অলৌকিক ভাবে যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি খুঁজে বের করেছিল, সেই সফটওয়্যার এখন তার যুক্তি, গতি, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং কার্যকারিতা হারিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’ নির্বাচন কমিশন কিছু লুকোতে চাইছে কিনা, সেও প্রশ্নও তোলেন তিনি।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

লাল পলাশে ঢাকা রাঙামাটির পথ, বসন্তের ছুটিতে গন্তব্য হোক বাঁকুড়ার এই লুকোনো স্বর্গ

৩৩ হাজার গরিব মহিলার মাথার উপর পাকা ছাদের বন্দোবস্ত করছে নবান্ন

ভয়ঙ্কর কাণ্ড! রিল বানাতে বানাতে শিব ঠাকুরের মাথায় উঠে পড়লেন যুবতী, তারপর..

অভিষেকের প্রস্তাবে মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট, কীসে পড়ল সম্মতি?‌

‘‌বনধ নাগরিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’‌, মমতার নীতির সঙ্গে সহমত শশী থারুর

বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় ধৃতদের জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ