চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

এসএসসি দুর্নীতির পরিমাণ ১২০ কোটি নয়, ৫০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্কুল সার্ভিস কমিশনের(SSC) মাধ্যমে রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে যে দুর্নীতি হয়েছে সেই বাবদ পাওয়া টাকা যে হাওয়ালার(Hawala) মাধ্যমে পাচার হয়েছে বিদেশে সে তথ্য আগেই সামনে এসেছে। এভার ইডির(ED) আধিকারিকদের দাবি, সেই টাকার একটা বড় অংশই নাকি খাটছে থাইল্যান্ডের(Thailand) বাজারে। সেখানকার বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানি এবং পর্যটন সংস্থায় ওই টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। আর গোটা বিষয়টি দেখ ভাল করেছেন বাংলায়(Bengal) শাসক দলের এক হেভিওয়েট নেতার ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ী। খিদিরপুরের বাসিন্দা ওই ব্যবসায়ীর মাধ্যমে এসএসসি দুর্নীতির টাকা পৌঁছে গিয়েছে থাইল্যান্ডে। এবার এই টাকা উদ্ধার করে তা দেশে ফিরিয়ে আনতে চাইছে ইডি। এক্ষেত্রে সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বিদেশমন্ত্রকেরও। যদিও সন্দেহ আছে সেই টাকা আদৌ উদ্ধার করা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে। এই সূত্রেই ইডির আধিকারিকেরা আন্দাজ করছেন এসএসসি দুর্নীতির পরিমাণ ১২০ কোটি টাকা নয়। বরঞ্চ তা ৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

ইডির আধিকারিকদের দাবি, এখনও পর্যন্ত বাংলা ও দেশের অনান্য রাজ্যে এসএসসি দুর্নীতির যে টাকা, সম্পত্তি, সম্পদের হদিশ মিলেছে বা উদ্ধার হয়েছে তার মোট পরিমাণ ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকা। তাঁদের ধারনা ছিল এই দুর্নীতির অঙ্ক ১০০ কোটি টাকার আশেপাশেই থাকবে। আদালতে পেশ করা চার্জশিটেও তাঁরা এমনটাই জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তদন্তের গতিপ্রকৃতি যতই এগিয়েছে ততই তাঁরা বুঝতে পেরেছেন এই দুর্নীতির শিকড় যেমন অনেক গভীরে তেমনি তার পরিমাণও ১০০ কোটি টাকার অনেক বেশি। এখন অনেক সূত্র থেকে নানা তথ্য পেয়ে তাঁরা বুঝতে পেরেছেন বাংলার বুকে ঘটে যাওয়া এই দুর্নীতির পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। এই অর্থ শুধু যে চাকরি বিক্রি করে এসেছে তা নয়। প্রমোশন থেকে বদলি, স্কুলে স্কুলে কোন পাঠ্যবই পড়ানো হবে, স্কুলের ইউনিফর্ম যোগানের বরাত কে পাবে এই সব কিছু থেকে এসেছে। বেসরকারি স্কুল চালুর ক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণ ঘুঁষ নেওয়া হয়েছে। আর সবটাই ঘটেছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অঙ্গুলিহেলনে। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে পার্থ ব্যবহার করেছেন সম্পদ লুকিয়ে রাখার ক্ষেত্র হিসাবে।

ইডি আধিকারিকেরা তদন্তে নেমে জানতে পেরেছেন, এসএসসি দুর্নীতি থেকে শুরু করে পার্থ’র হাত ধরে যে সব আর্থিক দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে তার প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থই হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে পাচার হয়ে গিয়েছে। আর সবটাই দেখভাল করেছেন খিদিরপুরের এক ব্যবসায়ী যার বিদেশেও ব্যবসা আছে। তিনি প্রতি মাসেই ২-৩ বার করে বিদেশে যান। পার্থ ও অর্পিতার সঙ্গে তাঁর নিত্যদিনের কথোপকথনের প্রমাণ পেয়েছেন ইডি আধিকারিকেরা। এমনকি অর্পিতার হরিদেবপুর ও বেলঘড়িয়ার ফ্ল্যাটেও তাঁর যাতায়াত ছিল। অর্পিতা নিজেই এইসব তথ্য দিয়েছে ইডি আধিকারিকদের। আর তারপরেই ওই ব্যবসায়ীকে জেরা করার পথে হাঁটা দিতে চলেছেন ইডি আধিকারিকেরা। তাঁদের ধারনা এই ব্যবসায়ীর মাধ্যমেই বাংলা থেকে থাইল্যান্ডে গিয়েছে খুব কম করেও ৩৯০ কোটি টাকা। ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে মধ্য প্রাচ্যের নানা সংস্থায়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তৃণমূলের হয়ে কাজের অভিযোগ! পাঁচ বিএলওকে সাসপেন্ড ও এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

ভোটের মুখেই বিধাননগরের সিপি বদল কমিশনের, সরানো হল মুরলীধরকে

ভোটের মাঝে আচমকাই অভিষেককে ফোন রাহুলের!

ভোটের পরই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, জানা যাবে মোবাইল অ্যাপেও

নির্বাচনের আগে উত্তরে দুর্যোগ বাড়লেও দক্ষিণে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪০ ডিগ্রির ঘরে

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ