এই মুহূর্তে

তপসিলিদের প্রচারে ব্র্যান্ডেড যানবাহন, কেমন গাড়ি আনল তৃণমূল?‌

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করলেন নজরুল মঞ্চে। এই সভার পোশাকি নাম—‘‌তপসিলি সংলাপ’‌। শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচন এখন কঠিন লড়াই। তাই দোলের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলেন তৃণমূল সাংসদ। ৮৪টি তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি অধ্যুষিত বিধানসভায় বিশেষ প্রচার চালাতে নির্দেশ দিলেন তিনি। আর তা করতে দলের পক্ষ থেকে বিশেষ গাড়ির ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়ে দিলেন অভিষেক। ওই গাড়িতে ৩–৪ জন থাকবেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করবেন তাঁরা। নজরুল মঞ্চে ‘তফসিলি সংলাপ’ কর্মসূচি সভায় এই কর্মসূচির কথাই জানিয়ে দেন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা।

এদিকে তপসিলি জাতি এবং উপজাতিদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। এই তথ্য এনসিআরবি রিপোর্টে উঠে এসেছে। এই তথ্য দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘এরা ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা বলে। উত্তরের যে সব জেলায় বিজেপির বিধায়ক–সাংসদ সেখানে গিয়ে দেখুন কেন্দ্র থেকে কটা টাকা এনেছে। পাঁচ বছর হয়ে গিয়েছে কিন্তু খুঁটি পুঁতে ১০ পয়সার বালবও জ্বালায়নি। ২৪০ সাংসদ নিয়ে বিআর আম্বেদকরের রচিত সংবিধান পাল্টাতে চায়। সেই দল যদি আবার ক্ষমতায় আসে তাহলে বিআর আম্বেদকর তপসিলিদের সংরক্ষণের অধিকার দিয়েছে তা তুলে দেবে।’‌ তৃণমূল সরকার তপসিলিদের উন্নতির জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার–সহ একাধিক প্রকল্প চালু করেছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাঁচ বছরে ১০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০০ টাকা হয়েছে বলে পরিসংখ্যান তুলে ধরেন অভিষেক।

 

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তপসিলি জাতি–উপজাতিদের জন্য কী কী কাজ করেছে তাও তুলে ধরেন সাংসদ। বিজেপিকে একহাত নিয়ে অভিষেক নেতা–কর্মীদের নতুন কর্মসূচির কথা জানিয়ে বলেন, ‘‌বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝাতে হবে, বিজেপিকে ভোট দেওয়া মানে খাল কেটে কুমির আনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিদের জন্য কী করেছে সেই তথ্য তুলে ধরতে হবে। আত্মতুষ্টিতে ভুগলে হবে না। বুথে ১০০ ভোটে জেতার কনফিডেন্স থাকলে সেটা ২০০ করার চেষ্টা করুন। বাড়ি বাড়ি যান। প্রচারের গাড়ি না এলে, অপেক্ষায় থাকার দরকার নেই। নিজে চলে যান।’‌

এছাড়া বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে তুলোধনা করেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। এই বিষয়ে সভা থেকে সুর সপ্তমে চড়িয়ে অভিষেক বলেন, ‘‌আষাঢ়–শ্রাবণ মাসে রথযাত্রা হয় বলে জানি। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসে রথযাত্রা আবার কী!‌ জগন্নাথদেবের রথের কথা শুনেছি। শ্রীকৃষ্ণ–অর্জুনের রথের কথা শুনেছি মহাভারতে। চোর–চিটিংবাজদের রথ। রথ যত্নে রাখুন। ওই রথেই গুজরাত ফিরে যেতে হবে। অন্তর্যামী আগামী দিনে ফল দেখিয়ে দেবে। বিজেপিকে পঞ্চাশের নিচে নামাতে হবে। বিরোধী আসনে বসে ৭০টি আসন পেয়েই রথে চড়ছে। ২০০ পার করলে কীসে চড়ত?‌ এদের পা মাটিতে পড়ছে না। রথ নিয়ে এই বিজেপি নেতারা এলে মাছ–মাংস খাওয়াবেন। বলবেন, আমাদের টাকা তো এত বছর ধরে আটকে রেখেছেন। এই খাবার খান। মিষ্টি থেকে চা সব খাওয়াবেন।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

রান্নার গ্যাসের হাহাকার মেটাতে নবান্নে কন্ট্রোল রুম খুললেন মুখ্যমন্ত্রী, তোপ কেন্দ্রকে

সন্ধ্যা নামতেই আবহাওয়ার ভোলবদল, কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় ঝাঁপিয়ে নামল বৃষ্টি

ভোট ঘোষণার আগেই ২৯৪ বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ কমিশনের

টালা থেকে এক বাসেই এবার সাঁতরাগাছি , রইল রুট ও ভাড়া

সৌজন্য মমতার, রাজ্যপালের শপথ অনুষ্ঠানে বিমান বসুকে বিশেষ সম্মান

স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধে পাবেন টলিপাড়ার ৭ হাজার কলাকুশলী, দেবের অনুরোধে সাড়া মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ