এই মুহূর্তে

নির্বাচন কমিশন বোবা-কালা, পুরোটা তুঘলকি কারবার চলছে ,মন্তব্য ফিরহাদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: শনিবার বিকেলে তৃণমূলের তরফে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়।লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি এবং হিয়ারিং নিয়ে বাংলাতে মানুষ হয়রান হচ্ছে। অত্যাচারিত হচ্ছে। ফর দি পিপল , অফ দা পিপলের জায়গা এখন অত্যাচার হচ্ছে। মানুষের উপরে যে অন্যায় হচ্ছে তার প্রতিবাদ জানতে যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। ইলেকশন কমিশন বোবা কালা নিজেই বুঝতে পারছে না। পুরোটা তুঘলকি করবার চলছে। ডেপুটেশন দিয়ে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim)।

সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন,আমাদের সিইও অফিসে আসার মূল লক্ষ্য মানুষ SIR প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে একটা বৈঠক হয়েছিল। আমাদের বলা হল যদি আপনি ম্যাপড থাকেন। তাহলে আপনাকে আর কিছু দিতে হবে না। ৫৮ লক্ষ ভোটার আন ম্যাপড শুধু তাদেরকে ডাকা হবে। আর পি এক্ট কি বলে ই আর ও শুনানি করবেন। আর যদি হায়ারিং নিষ্পত্তি ই আর ও করতে পারবে। ১ কোটি ৩৬ লক্ষ মানুষ কে লজিক্যাল ডাস্ক্রিপেন্সি নামে ডাকার প্রক্রিয়া ছিল কারা ডাক পাবে। তার একটা ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে। তার জন্য লিখিত নির্দেশ নেই। সমস্ত ডিএম লেভেল ১২ টি ডকুমেন্ট দিয়ে শুনানিতে যেতে হবে। আর কোনো রাজ্য এটা অন্য রাজ্যে হয়নি। শুধু বাংলায় এটা হয়েছে। প্রত্যেক দিন অবস্থান বদলাচ্ছে কমিশন। যদি আপনার ম্যাপড হয়ে গেছে। তাহলে আপনি আমাকে ভোটার লিস্টে থেকে বাদ দিতে পারেন না। তোমাদের গাফিলতি জন্য কেন ভোটার দের নাম বাদ যাবে? এর মানে হচ্ছে এটা লজিক্যাল হচ্ছে আর এটাই ডিসিপেন্সি করা হচ্ছে। আপনি ১ কোটি লোকের শুনানি ক্ষেত্রে ভেরিফাই করতে পারবেন। কি করে সম্ভব? প্রশ্ন মহুয়া মৈত্রের।

রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য(Minister Chandrima Bhattacharya) বলেন,লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি এটা লজিক্যাল। তাহলে এটা করে লজিক্যাল করে দিচ্ছেন কেন? আপনারা এই ধরনের ডকুমেন্ট নিয়ে যাচ্ছেন তার রশিদ দিচ্ছেন না। কাউকে না শুনে তার কাগজ নিয়ে সত্য থেকে বিরত রাখছেন। এটা চলে না। যে নথি দিয়েছে তার কাছে প্রমাণ কি রইল? এটা হচ্ছে টা কি? আমরা এটাই জানতে চাইছে । আর পি এক্ট লঙ্ঘন হচ্ছে। কেন ১ কোটি ৩৬ লক্ষকে টার্গেট বেঁধে নিয়েছেন? আমরা কিন্তু এটা মেনে নেব না। আপনারা এটা ঠিক করুন বৈধ ভোটার বাদ দেওয়া যাবে না।ফিরহাদ বাংলার মানুষের ধৈর্য পরীক্ষা নেবেন না। বেশিভাগ দেখা যাচ্ছে সংখ্যালঘু এবং বাঙালি দের বাদ দেওয়া হয়েছে।মহুয়া মৈত্র তারা টেকনিক্যালি নিয়ে খেলেছে। বেশিভাগ মানুষ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট অনেক সময় সংরক্ষণ করে না। তারা অ্যাডমিট কার্ড রাখে।অ্যাডমিট কার্ড বিহারে মান্যতা দিয়েছেন আবার বাংলায় মান্যতা দিচ্ছেন না। আপনি কি করে একজন বৈধ ভোটারকে অস্বীকার করছেন?নানুর বিধানসভায় একজন মহিলা আঙুরা খান। পরে তার নামের সঙ্গে তার বাবার নাম যুক্ত করে দিয়েছে। তুমি ২০০২ তালিকা বাংলা এবং ২০২৫ সালে বাংলায় তালিকায় বার করেছ। ভুল তো আপনাদের ।তার জন্য সাধারণ মানুষ কেন হয়রান হবে প্রশ্ন তুলল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল।

ফিরহাদ বলেন,যাদের শুনানি না হবে আপনি কি করবেন? এই প্রশ্ন আমরা করেছি। ফর্ম ৭ একটা বিপদজনক রয়েছে। কোনো রাজনীতিক দলের বিএলএ ২ একসঙ্গে অনেক ফর্ম জমা দিতে পারবে না। বিজেপি হয়রানি করছে। তারা ৪ হাজার অভিযোগপত্র জমা দিচ্ছে। আর বিজেপি ফর্ম পূরণ করে দিচ্ছে। ফিরহাদের মন্তব্য ,বিজেপি আজ যা বলছে, আগামীকাল নির্বাচন কমিশন তাই করছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

অভিষেকের প্রস্তাবে মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট, কীসে পড়ল সম্মতি?‌

পুণেতে খুন পরিযায়ী শ্রমিক, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতে পুরুলিয়ায় অভিষেক

‘‌আমি তৃণমূলকে ভোটও দেব’‌, দোর্দণ্ডপ্রতাপ মজিদ মাস্টারের মুখে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা

সল্টলেকে বৃদ্ধের পচা গলা দেহ উদ্ধার, মাথায় আঘাতের চিহ্ন, কীভাবে মৃত্যু?

এবার আবাসনেই ভোটকেন্দ্র! মুখ্য নির্বাচনী অধিকারিক দফতরকে জানালো কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়ে পাঠানো হচ্ছে চিঠি, তৃণমূল ভবনে বায়োডেটায় ছয়লাপ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ