এই মুহূর্তে




SIR’র আতঙ্কে জনশূন্য মধ্যমগ্রাম পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঠপাড়া

নিজস্ব প্রতিনিধি, মধ্যমগ্রাম: SIR’র আতঙ্কে জনশূন্য মধ্যমগ্রাম পৌরসভা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঠপাড়া এলাকা ।গোটা গ্রামে একশোরও বেশি পরিবার থাকতো বলে জানা গিয়েছে। তবে এস আই আর এর আতঙ্কে রাতারাতি উধাও সবকটি পরিবার। এক একটি পরিবারের মহিলা বৃদ্ধ ছোট শিশু সবাই ছিল। এত রাতারাতি তালা গা ঢাকা দিয়েছেন।স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ এরা মূলত বাংলাদেশ (Bangladesh)থেকেই এসেছিল। SIR এর কাজ শুরু হতেই এলাকা থেকে একে একে ভয়ে পালিয়ে গিয়েছে। আজ দুপুর তিনটে নাগাদ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এলাকার মানুষজন জানান বিগত দুই থেকে তিন বছর ধরে ১০০ জন পরিবার ওই এলাকায় থাকছিলেন।

ঘরের পুরুষ মানুষরা অধিকাংশ শ্রমিকের কাজ করতেন। মহিলারা লোকের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন। কিন্তু রাজ্যে এস আই আর প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পরেই দফায় দফায় এই ১০০ জন পরিবার তাদের সদস্যদের নিয়ে সেখান থেকে সরে গিয়েছেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান এদের মধ্যে একজন ঠিকাদার তিনি জানিয়েছিলেন তার বাড়ি বাংলাদেশে। তার কাছে নাকি বৈধ কাগজপত্র রয়েছে।এলাকার মানুষের স্পষ্ট দাবি এস আই আর (SIR)ফর্ম চালু হতেই কোন ভারতীয় ডকুমেন্টস না থাকায় ওই ১০০ টি পরিবার রাতারাতি উধাও হয়ে গিয়েছে সীমান্তের ওপারে। গোটা এলাকায় এখন তাদের ব্যবহৃত বেশ কিছু জিনিসপত্র পড়ে রয়েছে। ঘরবাড়ি কিছুই নেই। বাঁশের বেড়াগুলি পড়ে রয়েছে। চারদিকে শুধুই নিস্তব্ধতা।

স্থানীয় মানুষ মনে করছেন এরা সকলেই বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে এসে এখানে লোকালয় গড়ে তুলেছিলেন। এস আই আর চালু হতেই পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে তারা ওই এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছেন ওপার বাংলায়।এদের মধ্যে রোহিঙ্গা ছিল কিনা তা অবশ্য কেউ নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি। ১০০ টি পরিবার রাতারাতি কোথায় গেল এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন মাঠপাড়া এলাকার আদি বাসিন্দারা।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘বাবরি মসজিদ গড়তে সমর্থন পাচ্ছি সৌদি আরব থেকেও’, বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের

SIR জুজু : ভারত থেকে ওপার বাংলায় ফিরলেন ১৮৬ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

২,২০৮ নয়, মাত্র সাত বুথে মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটার নেই

বিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ৩, শোকের ছায়া পরিবারে

নৈহাটিতে রাত হলেই ঘটছে হাড়হিম করা ঘটনা, মাটিতে পুঁতে ফেলা হচ্ছে শিশুর দেহ

কাজের চাপে হাওড়াতে অসুস্থ এক BLO, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ