নেত্রীর ফোনেই গলল বরফ, অভিমান ভুলে প্রার্থীর হয়ে কাজের কথা দিলেন খগেশ্বর

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে শুরু করে বিরোধী দলগুলি। যদিও আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিরোধীরা। সেখানে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেয় বিরোধীদের। এই আবহে প্রার্থী ঘোষণার পরই অভিমান করেছিলেন দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। একদিন আগে পর্যন্তও সেই ক্ষোভ বজায় ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করতেই অভিমানকে অতীত করলেন খগেশ্বর রায়। রাজগঞ্জ বিধানসভার বিদায়ী বিধায়ক জানালেন, তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ছেন না। দলে থেকেই কাজ করবেন। এবার দলীয় প্রার্থীর জন্যও কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে দল ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরই খগেশ্বর রায়ের বাড়িতে যান তৃণমূল কংগ্রেসের কিষান খেত মজদুর ইউনিয়নের জেলা সভাপতি দুলাল দেবনাথ। তাঁর বাড়িতে আসেন তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ। আর আসেন বিদায়ী মন্ত্রী তথা মাল বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী বুলুচিক বরাইকও। আর রাজগঞ্জে তাঁর বাড়িতে এসেছেন তৃণমূলের ময়নাগুড়ির প্রার্থী রামমোহন রায় এবং দলীয় জেলা সহ–সভাপতি চন্দন ভৌমিক। আর সেখানেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে খগেশ্বরের। আর তখনই গলল বরফ। তৃণমূলে আগের মতোই সক্রিয় থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন খগেশ্বর।

অন্যদিকে অভিমান ভুলে দলীয় প্রার্থীর হয়ে কাজ করার কথা দিতেই কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে উল্লাস দেখা দেয়। খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো ফোন করার জেরেই অভিমান মিটে গিয়েছে বলে জানান তৃণমূল নেতা। এই বিষয়ে রাজগঞ্জের বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায় বলেন, ‘‌বুধবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি দলে থেকে কাজ করতে বলেছেন। দিদির কথা আমি অমান্য করতে পারব না। তাই তৃণমূল কংগ্রেসেই থাকছি। দলের হয়েই কাজ করব। আমার বিষয়টি দিদি দেখে নেবেন বলে আমাকে জানিয়েছেন। আমি প্রার্থীর হয়ে এখন কাজ করব। চারবার আমি পরপর জিতেছি। আমার অভিমান তাই হয়েছিল। সেটা মিটে গেল।’‌

এছাড়া তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই সেই তালিকায় নাম না থাকায় ইস্তফা দিয়েছিলেন রাজগঞ্জের এই বিদায়ী বিধায়ক। এমনকী জেলার চেয়ারম্যানের পদও ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বদলে রাজগঞ্জে স্বপ্না বর্মণকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করার জেরেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আর মুখ্যমন্ত্রীর ফোন পেয়েই অভিমান ভুলে খগেশ্বর রায়ের বক্তব্য, ‘‌রাজগঞ্জে স্বপ্নার হয়েও প্রচারে নামব। রাজগঞ্জে আগেও বিজেপিকে জিততে দিইনি। এবারও জিততে দেব না। আমাদের দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।’‌ উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের উপনির্বাচনে জিতে প্রথমবার রাজগঞ্জ বিধানসভা থেকে বিধায়ক হন খগেশ্বর রায়। তারপর রাজ্যে সরকারের পালাবদল ঘটলে লাগাতার ২০১১, ২০১৬, ২০২১ সালে খগেশ্বর রায় জয়ী হন। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনে রাজগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়নি।

দীপাবলির আগে অমিতাভের ‘জলসা’য় বোমা হামলার হুমকি!

অল্প তেলেই বানিয়ে ফেলুন ফুলকপি পাতুরি, ভাত বা পরোটার সঙ্গে জমে যাবে

শনিতে এসআইআরের বিরুদ্ধে পথে নামছেন প্রকাশ রাজ

কালীপুজোর আগে দুঃসংবাদ, চাকরি হারালেন এক হাজারের বেশি যোগ্য শিক্ষাকর্মী

রিলসের নেশায় নৃশংস কাণ্ড! হালতুতে যুবকের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন, গ্রেফতার ৩

রবীন্দ্র সরোবরে নয়, ৫০টি বিকল্প ঘাটেই হবে ছটপুজো, ঘোষণা অগ্নিমিত্রার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহেই নতুন প্রস্তাব, আমেরিকাকে ৭ শর্ত দিল ইরান

ভাইয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা? ভাইফোঁটায় বানান সুগার ফ্রি বাদামের বরফি

পুরভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

ঝাড়খণ্ডে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একাধিক পথচারীকে পিষল ঘাতক ট্রাক, মৃত ৭

কালীপুজোর পরই আবহাওয়া বদলের পূর্বাভাস, জাঁকিয়ে শীত পড়বে কবে?

ধনতেরাসে সোনা-রুপোর বাজারে স্বস্তি, কলকাতায় আজ কত দামে বিকোচ্ছে হলুদ ধাতু?

‘সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত,’ রোনাল্ডোর অবসর প্রসঙ্গে মত পর্তুগালের কোচের

শাহরুখের ‘পাঠান’-কে ছাপিয়ে প্রথম দিনে রেকর্ড আয় করল রণবীরের ‘রামায়ণ’