বাঁ হাতের চিকিৎসা করাতে গিয়ে খোয়া গেল ডান হাত!

শুধু একটা হাত চলে যাওয়াই নয়, প্রশ্ন উঠেছে ওই ব্যক্তির চাকরিটা শেষ পর্যন্ত থাকবে তো? ঘটনাটি ঘটেছে রেলকর্মী সুভাষ দাসের সঙ্গে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, পশ্চিম মেদিনীপুর: চিকিৎসা বিভ্রাটের সম্মুখীন যারা হন তাঁদের অবস্থা কেমন তা নিশ্চই বলে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না। কিন্তু যদি কেউ বাঁ হাতের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ডান হাত খুইয়ে বসেন? তাহলে তাঁর অবস্থা কেমন হতে পারে সেটা একবার ভেবে দেখুন। এমনই এক চিকিৎসা বিভ্রাটের ঘটনা ঘটল পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে। শুধু একটা হাত চলে যাওয়াই নয়, প্রশ্ন উঠেছে ওই ব্যক্তির চাকরিটা শেষ পর্যন্ত থাকবে তো? ঘটনাটি ঘটেছে রেলকর্মী সুভাষ দাসের সঙ্গে। তিনি অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গুড়গুড়িপাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই সঙ্গে বিচারের আশায় জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক থেকে শুরু করে খড়গপুর মহকুমাশাসক ও এমনকী জেলাশাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন রেলকর্মী সুভাষের স্ত্রী প্রতিমা দাস।

পরিবারের দাবি, সেই ২০১৪ সালে একটি দুর্ঘটনায় সুভাষের বাঁ হাতের হাড় ভেঙে যায়। সেই সময় বিশিষ্ট অস্থি বিশেষজ্ঞ আব্দুল লতিফের কাছে তাঁর অস্ত্রপচার হয়। ওই সময় তাঁর হাতে ধাতব পাত লাগিয়ে হাড় জুড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন ডাক্তারবাবু। পরে তাঁর হাতের প্লেটটি খুলে নেওয়ার কথা থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি। এরপর ২০১৬ সালে রেলে চাকরি পান সুভাষ। সেসময় সদ্য চাকরি পাওয়ায় তিনি ছুটিও পাননি। এরপর চলতি বছরের ৬ ডিসেম্বর তিনি সেই পুরনো সমস্যার জন্য চিকিৎসক আবদুল লতিফের দ্বারস্থ হন। সেইমতো ৭ ডিসেম্বর তাঁর হাতের প্লেট খুলেও দিয়েছিলেন ওই চিকিৎসক। কিন্তু আ্যন্টিবায়োটিক ও অন্য প্রয়োজনে একটি চ্যানেল করা হয় তাঁর ডান হাতে। কয়েকঘণ্টার মধ্য়েই তাঁর ডান হাতে শুরু হয় অসহ্য যন্ত্রণা। এরপরই ভোগান্তির শুরু।

খড়গপুরের ওই নার্সিংহোম থেকে রেফার করা হয় সোজা কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে ঠাঁই না পেয়ে তিনি ভর্তি হন গার্ডেনরিচে দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা শুরু হয় তাঁর। পরবর্তীকালে তাঁকে রেলের সঙ্গে সংযুক্ত একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য। এরপর ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ডান হাতের কনুই থেকে বাদ দেন। চিকিৎসকদের দাবি, কোনও ভাবেই হোক সুভাষ দাসের ডান হাতের ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চ্যানেল করার সময়।

এই বিষয়ে চিকিৎসক আবদুল লতিফ বলেছেন, ‘অস্থি রোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে আমি অস্ত্রোপচার করেছি এবং যে হাতে অস্ত্রোপচার করেছি তা সফল। বিষয়টা হয়েছে অন্য একটি হাতে যেখানে একজন নার্স ইঞ্জেকশন দিয়েছেন। কিন্তু কোনওভাবে ওঁর ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার কিছু করার ছিল না। তবে মুখে কুলুপ এঁটেছে খড়গপুরের ওই বেসরকারি হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। যদিও গোটা বিষয়টি মানবিকতার সঙ্গে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভুবন চন্দ্র হাঁসদা।

‘হরমোনের সমস্যা’ ভেবে এড়িয়ে যাচ্ছেন? সাবধান, হতে পারে থাইরয়েড

ভয়ের সঙ্গেও পূজিতা হন দেবী, ৪২০ বছরে পা দিল রঘুনাথগঞ্জের ‘পেটকাটি দুর্গা’

ময়নাগুড়ির বসুনিয়া বাড়ির পুজোয় ঘোড়ার গাড়িতে প্রতিমা আসত বাংলাদেশের রংপুর থেকে

বুদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে চান? পাতে রাখুন প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার

আজকের রাশিফল: বাড়ির বাইরে পা রাখার আগে জানুন কেমন কাটবে দিনটি

পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বে কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় পারগত সিংহ

শনিতে ভারত-পাক মহাযুদ্ধ, বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেস্তে গেলে সোনা পাবে কারা?

পুজোর সময়ে বেঙ্গালুরুতে থাকছেন, অবশ্যই ঢুঁ মারুন এই ৮ মণ্ডপে

মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর বাউন্সারদের, ভয়ঙ্কর ঘটনা গুয়াহাটির নৈশক্লাবে

হাত বাড়াল দিল্লি, শুক্র রাতেই রূপপুর বিদ্যু‍ৎকেন্দ্রের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রুশ বিমান

কাটল ৪৪ বছরের খরা, চিনকে হারিয়ে এশিয়াডে সোনা জিতল ভারতের মহিলা হকি দল

‘৬ অক্টোবর বদলা নিতে হবে,’ নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার শুভেন্দুর

বন্দি বানিয়ে ১৩ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণ, সঙ্গী যুবকের সঙ্গেও অপ্রাকৃতিক যৌনাচার

পুজোর আগে শহরে একাধিক হাসপাতালে ঘুরে ফায়ার অডিট করল দমকল বিভাগ