Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘কমিশনকে বলছি, মানুষের সন্দেহ দূর করুন’, ভোটের হার নিয়ে উদ্বেগ মমতার

লোকসভা ভোটে কারচুপির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বিরোধী শিবিরে। এবার সেই আশঙ্কাই শোনা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতে। কাঠগড়ায় কমিশন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে ১৯ এপ্রিল। তারপর পেরিয়ে গিয়েছে ১১ দিন। মাঝে হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণও, ২৬ এপ্রিলে। কিন্তু এই দুই দফাতেই ঠিক কত শতাংশ ভোট পড়েছে(Voting Percentage)  তা সঠিকভাবে জানিয়ে উঠতে পারেনি জাতীয় নির্বাচন কমিশন(ECI)। তা নিয়ে তুমুল হইচই শুরু করে বিরোধীরা। শেষে লাগাতার চাপের মুখে গতকাল এপ্রিল মাসের শেষ দিনে কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফায় ৬৬.১৪ শতাংশ ও দ্বিতীয় দফায়  ৬৬.৭১ শতাংশ ভোট পড়েছে। যদিও ওই দুই দফায় ভোটগ্রহণের দিন সন্ধ্যা ৭টায় দেওয়া প্রাথমিক হিসেবে অবশ্য এই দুই হার ছিল যথাক্রমে ৬০ ও ৬০.৯৬ শতাংশ। দু’টি পরিসংখ্যানের ফারাক প্রায় ৬ শতাংশের। সাধারণত এমনটা দেখা যায় না। উভয় পরিসংখ্যানের ফারাক থাকে সামান্যই। কিন্তু এক্ষেত্রে তা না হওয়ায় লোকসভা ভোটে কারচুপির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বিরোধী শিবিরে। এবার সেই আশঙ্কাই শোনা গেল খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) গলাতে।

এদিন অর্থাৎ মে দিবসে মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শাহনওয়াজ আলি রায়হানের সমর্থনে মমতা একটি সভা করেন মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমার ফরাক্কা ব্লকের বল্লালপুর কৃষক মান্ডির মাঠে। সেই সভা থেকেই মমতা কড়া বার্তা দেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে। তিনি বলেন, ‘গতকাল একটা সিরিয়াল দেখছিলাম রাতে। তখন হঠাৎ করে চোখে পড়ল, দুই দফার ভোটের হার প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের পর কমিশন যে হিসাব দিয়েছিল তার চেয়ে নাকি ৬ শতাংশ বেশি ভোট পড়েছে। রাত সাড়ে ৯টায় শুনলাম ৫.৭৫ শতাংশ ভোট বাড়িয়ে দিয়েছে। কমিশন নোটিস জারি করেছে। ১৯ লক্ষ ইভিএম(EVM) মিসিং হয়ে আছে অনেকদিন ধরে। কারা ইভিএমের চিপ তৈরি করেছে? বিজেপি(BJP) শাসিত রাজ্যগুলোতে ওই সব মেশিন ঢুকিয়ে দিচ্ছে মানুষের জনমতকে নষ্ট করে দিতে। বিজেপির ভোট যেখানে কম, সেখানে ভোট বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইভিএম কারা বানিয়েছে, সংখ্যাটা বাড়ল কী করে, কত ভোটার, কত মেশিন, আমরা জানতে চাই। কমিশনকে বলছি, মানুষের সন্দেহ দূর করুন। নিরপেক্ষ হোক কমিশন। আসল সত্যি জানাতে হবে। বিজেপি নয়, নিরপেক্ষ কমিশন দেখতে চায় মানুষ। নয়তো মানুষই একদিন বলবে ভোটেও চিটিং করছে কমিশন।’

বিজেপি বিরোধী শিবিরের দাবি, আগে ভোট শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কমিশন ভোটের সামগ্রিক প্রদত্ত হারের তথ্য প্রকাশ করে দিতো। এবার তাতে সময় লেগে গেল ১১ দিন। কেন? এমনটা তো নজিরবিহীন। কেন লাগল এত সময়? একই সঙ্গে সকলের নজরে এসেছে, প্রতিটি আসনে মোট নথিভুক্ত ভোটারের সংখ্যা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত তথ্য নেই কমিশনের ওয়েবসাইট বা অ্যাপে। বুথ ভিত্তিক তালিকা অবশ্য আছে। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তাবড় তাবড় ভোট বিশেষজ্ঞ থেকে বিরোধী দলের নেতানেত্রীরা। ভোট বিশেষজ্ঞের মতে, কোনও সংসদীয় আসনে নথিভূক্ত ভোটারের(Registered Voters) সংখ্যা জানা না থাকলে ভোটদানের হারের কোনও অর্থই নেই। অথচ বছরদশেক আগেও এই তথ্যগুলি চাইলেই পাওয়া যেত। এই তথ্য না থাকার অর্থই হল গণনার সময় নথিভুক্ত ভোটারের সংখ্যায় গরমিলের সম্ভাবনা যথেষ্ট। অর্থাৎ, কারচুপির আশঙ্কা থাকছেই। মমতার আগেই অবশ্য তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তুলেছেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি ট্যুইট করে লিখেছেন, ‘দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের চারদিন বাদে চূড়ান্ত ভোটদানের হার প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। চারদিন আগে প্রকাশিত প্রাথমিক পরিসংখ্যান থেকে তা লাফিয়ে ৫.৭৫ শতাংশ বেড়েছে। এটা কি স্বাভাবিক?’ আসলে নির্বাচন কমিশনকে ধ্বংস করে দিতে সংসদে আইন পাল্টে ফেলেছেন মোদি। কমিশনের তো প্রতি দফা ভোটের পর সাংবাদিক সম্মেলন করার কথা। সেটাই বা হচ্ছে না কেন?’

আজকের রাশিফল: কাছের বন্ধুদের থেকে ধোঁকা খাওয়ার সম্ভাবনা, বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ

বাংলাতেও ভোট চুরি হয়েছে, মমতাকে ফোনে জানালেন রাহুল গান্ধী

পাঁচ বছরের জন্য বাংলায় বিশেষ দায়িত্বে ‘সিংহম’ অজয় পাল শর্মা!

বিজেপি নয়, বামেদের প্রাপ্ত ভোটই টালিগঞ্জে অরূপের হারের মূল ফ্যাক্টর!

গেরুয়া ঝড়ে কুপোকাত রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা, গড় ধরে রাখতে ব্যর্থ সুজিত-অরূপরা

ঝাড়গ্রামের ৪ আসনেই বিজেপির জয়, তৃণমূলের ঝুলিতে শূন্য

ঘরের মাঠে জ্বলে উঠলেন রোহিত, ৬ উইকেটে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারাল মুম্বই

৯ মে ব্রিগেডের মাঠে খোলা আকাশের নিচে শপথ নেবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

D০ Or Die ম্যাচে মুম্বইকে বড় রানের টার্গেট দিল লখনউ সুপার জায়ান্টস

নন্দীগ্রামের পরে ভবানীপুরেও শুভেন্দুর কাছে হারলেন মমতা

‘পদ্ম ফুটেছে’, বঙ্গ জয়ের জন্য বিজেপি কর্মীদের শুভেচ্ছা মোদির

ফুটল না ‘জোড়া ফুল’, নন্দীগ্রাম থাকল শুভেন্দুরই হাতে

মহীরূহ পতন, নিজের গড়েই হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মমতা-শুভেন্দু, দু’জনের ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের