প্রথম দিনেই বিক্ষোভের মুখে রেখা পাত্র, প্রচারে বিঘ্ন

সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়ে পালিয়ে আসতে হল রেখাকে। ৪ জুনের পরে এদের কী হবে, প্রশ্ন বিজেপিতেই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: এ কী হল, কেন হল, কী যে হল জানি না, শুরু হল, শেষ হল, কেন হল জানি না তো! আরে বাবা সাত সকালেই তো প্রশ্নটা উঠে গিয়েছিল, যতই দাও না কেন্দ্রীয় বাহিনী, ছড়ি ঘোরাবে সেই হাওয়াই চটি। গণেশের গদি ওল্টাতে বাকি আর ১ মাস। তারপর কে দেবে X Category! তখন তো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আর স্বাস্থ্যসাথীই থাকবে শুধু হাতে। তাহলে আর ১ মাসের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কী লাভ হবে। আর যদিও বা বাহিনী এল, বিক্ষোভ কী থামানো গেল। শেষে তো এই বিক্ষোভের জেরে নাটকীয় প্রচার মাঝ পথে থামিয়েই ঘরে ফিরে আসতে হল রেখা রানীকে। মানে উত্তর ২৪ পরগনা(North 24 Pargana) জেলার বসিরহাট লোকসভা(Basirhat Constituency) কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী(BJP Candidate) রেখা পাত্রকে(Rekha Patra)। সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী(Central Force) থাকা সত্ত্বেও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়ে পালিয়ে আসতে হল রেখাকে। আর সেটাও আবার কাদের বিক্ষোভ, না মহিলাদের বিক্ষোভ! আর দেখানোর প্রয়োজন, বাংলার রায় ঠি কী হতে চলেছে।

শুনুন তাহলে খুলে বলি। আজ সকালেই মানে মঙ্গল প্রভাতে জানা গিয়েছে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির সরকার বাংলার বুকে বিজেপি ৬জন প্রার্থী এবং ২জন নেতাকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সুরক্ষা প্রদান করেছে। তা করেছে বেশ ভালো কথা। অনেকেই পেয়েছেন অনেক আগে, এরাও না হয় পেল। তাতে ক্ষতি কী হল। কিন্তু সবাইকে হাসাচ্ছে সময়টা। কেন্দ্র বলেই দিচ্ছে, এই ৬জনকে সুরক্ষা প্রদান করা হচ্ছে শুধুমাত্র নির্বাচনের সময়টুকুর জন্য। অর্থাৎ মাত্র ১ মাসের কয় দিনের জন্য। তারপরেই সব ভোকাট্টা। কেননা দেশের অনেকেই তো বটে খোদ পদ্মের নেতারাও বুঝে গিয়েছেন, আর হবে না কো দিল্লির মসনদে ফেরা। পাবলিকের রায়ে হতে হবে গদি হারা। এই ১ মাসের পরে তাহলে এই ৭-৮জনকে নিরাপত্তা কে দেবে? আর তাই সবাই হাসছে। মজার কথা এদিন সাত সকালেই রেখা পাত্র পেয়ে গিয়েছেন একদম X Category’র নিরাপত্তা। কিন্তু সেই নিরাপত্তা নিয়ে বেড়িয়েও শান্তি নেই তাঁর। কেননা পড়তে হল প্রবল গণরোষ আর বিক্ষোভের মুখে। শেষে প্রচারের পরিকল্পনা মাঝ পথে থামিয়েই পালিয়ে আসতে হল রেখাকে। বিজেপি প্রার্থীকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীও ‘মুকাদ্দর কা সিকান্দর’ হয়ে উঠল না। কী সব দিনকাল পড়েছে।

হয়েছে কী, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার মাটিয়া থানা এলাকার খড়িডাঙা এলাকায় রেখার দেওয়াল লিখনে কালি দেওয়ার অভিযোগকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল এবং বিজেপি। কালিদাস বাছার নামে এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে বসিরহাট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পাশাপাশি, সেখানে কালিদাসকে দেখতে গিয়েছিলেন রেখাও। নতুন করে গোলমালের সূত্রপাত সেখানেই। এদিন সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিবৃত হয়ে রেখা গিয়েছিলেন খড়িডাঙায়। সঙ্গে ছিলেন অর্চনা মজুমদারের মতো বিজেপি নেত্রীও। কিন্তু সকালে গাঁয়ে রেখাদের দেখেই পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হতে থাকে। জায়গায় জায়গায় রেখাদের আটকে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তরজায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। তর্কাতর্কি গড়ায় হাতাহাতিতে। মুহূর্তে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় খড়িডাঙা। গ্রামের মহিলারা রেখাকে ঘিরে ধরে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকেন। মেজাজ হারান রেখাও। আঙুল উঁচিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে তরজায় জড়াতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থীকে। নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত রেখাকে সেখান থেকে বার করে দেন। গোলমালে ভন্ডুল হয়ে যায় রেখার প্রচারও।

খুনের মামলায় গ্রেফতার আমির-অমিতাভ-রণবীরের সহ-অভিনেতা হেমন্ত

মহানন্দা নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল দুই নাবালক

ঐতিহাসিক ম্যাকাঞ্জি পার্ক হল মাফিয়া মুক্ত, বিজেপি বিধায়কের উদ্যোগেই ফিরল স্বস্তি

​’মেয়েকে কোলে নিতেও পারছি না’, ‘পেড্ডি’র জন্য প্রচণ্ড শারীরিক কষ্টে ভুগছেন রামচরণ

বুকে-পিঠে আঘাত, হালিশহরে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

হর্ষ দুবের পরিবর্তে ভারত-এ দলে সুযোগ পেলেন KKR-এর অলরাউন্ডার

ইবোলা আতঙ্কে স্থগিত ‘ভারত-আফ্রিকা ফোরাম সামিট’

উত্তরাখণ্ডে দাবানলে ব্যাহত চারধাম যাত্রা, আগুন ছড়াল গ্রামে, মৃত ২

ডিএ মামলাকারীদের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, কবে হবে সাক্ষাৎ?‌ নবান্নে শুরু প্রস্তুতি

আরজি কর-কাণ্ডের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখতে নতুন সিট গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

সব মাদ্রাসাতে গাইতে হবে ‘বন্দে মাতরম’‌, বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার

তৃণমূল নেতার বাড়ির পাশে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, ব্যাপক শোরগোল গোঘাটে

পাথর শিল্পাঞ্চল সিন্ডিকেট থেকে রোজ ২ কোটি মারত তৃণমূল, বিস্ফোরক বিজেপি বিধায়ক

অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির হাতে খতম পুলওয়ামা হামলার অন্যতম মূলচক্রী