উত্তর-পূর্ব ভারতের লুকোনো স্বর্গ কোথায় জানেন ? হার মানাবে সুইজারল্যান্ডের সৌন্দর্যকেও

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি :  উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে লুকিয়ে আছে এক অপরুপ স্থান। নিজের চোখে দেখে না এলে এর সৌন্দর্য বোঝা যায় না।চলেছে বর্ষাকাল।মেঘের চোখরাঙানি লেগেই আছে।এইসময় ঘরের মধ্যে মন থাকছে না। তবে কয়েকদিনের বিরতি নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন মেচুকা থেকে। এই জায়গাটিকে লুকোনো স্বর্গও বলা হয়ে থাকে। ভারতের প্রান্তে অবস্থিত এই দূরবর্তী গ্রামটি ভারত-তিব্বত সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে। তবে বাক্স প্যাটরা গুছিয়ে ঘুরেই আসুন না হয়।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত বিশাল উপত্যকায় মেচুকা গ্রামটি ঘিরে আছে উঁচু উঁচু পাহাড়ে।স্বপ্নের মতোই দেখতে এই গ্রামটি।অরুণাচলের রাজধানী ইটানগর থেকে এই একান্ত নির্জন স্থানে পৌঁছতে ঘন্টা নয়, দুদিন সময় লাগে।

অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য : মেচুকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মন ভরে যাবে। মনে হবে মেঘালয়ের পাহাড়, কাশ্মীরের উপত্যকা আর মানালির পরিবেশ একসঙ্গে মিলেমিশে গেছে। উঁচু হিমালয়ের পর্বতমালায় ঘেরা সবুজ গ্রামটি মুগ্ধ করে তুলবে আপনাকে। সুইৎজারল্যান্ডের সৌন্দর্যকেও হার মানাবে এখানকার সৌন্দর্য।

সংস্কৃতির ছোঁয়ায় ভরা মেচুকা :  মেচুকা নামটি স্থানীয় ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ ঔষধি তুষার জলের আশীর্বাদপ্রাপ্ত স্থান। মেচুকায় প্রায় ৫,০০০ মানুষের বাস। তাঁরা বাড়িঘর তৈরি করে উপত্যকায় বসবাস করে। গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে সিয়োম নদী, যা স্থানীয়দের জীবিকার অন্যতম ভিত্তি। এই গ্রামের মানুষ নিজেরাই তৈরি করেছে ঝুলন্ত সেতু, যা নদী পার হওয়ার জন্য শর্টকাট পথ। এই গ্রামের মানুষদের মধ্যে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল সরলতা এবং আন্তরিকতা। পর্যটকদের আপ্যায়নে কোন ত্রুটি রাখে না তাঁরা।

আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা : পাহাড়ের মাঝে মেচুকাকে রক্ষাকর্তার আগলে রেখেছে সাম্তেন ইয়ংচা মঠ। ৪০০ বছরের পুরনো এই প্রাচীন মঠটি শান্তি ও প্রশান্তির বার্তা দেয়। এছাড়াও মেচুকা ঘুরতে গেলে দেখতে পাবেন ডেচেনথাং নামক এক শান্ত স্থান। সবুজের মাঝে ঘেরা এই স্থানটি পাহাড়ের সৌন্দর্যে মুগ্ধ করবে আপনাকে।

স্থানীয় আতিথ্য : মেচুকায় পাহাড়ের মাঝে মন্দির ও গুরুদ্বারা দেখতে পাবেন। হনুমান ক্যাম্প ও গুরুদ্বারা মেচুকা সাহিব পর্যটকদের অন্যতম আশ্রয়স্থল।

মেঞ্চুকা লা ট্রেকিং :  ট্রেকিংপ্রেমী পর্যটকরা মেঞ্চুকা লা ট্রেকিং করতে পারেন।সেখান থেকে গোটা মেচুকার দৃশ্যই দেখা যায়।

সরলতায় ফিরে যাওয়া : আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে মেচুকায় মানুষ সরল জীবনযাপন করে। প্রযুক্তির জগত থেকে দূরে এই স্থানে মানুষের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হয়। প্রকৃতিপ্রেমী ও সরল জীবনের স্বপ্ন দেখা মানুষদের জন্য মেচুকা একটি আদর্শ গন্তব্য।

উল্লেখ্য, ভারতবর্ষের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় উৎসবগুলোর মধ্যে একটি ‘লোসার উৎসব’ এই মেচুকা উপত্যকায় পালিত হয়। রাজ্যের পশ্চিম সিয়াং জেলায় অবস্থিত এই উপত্যকা সারা বছর ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বারা প্রবল পাহারায় থাকে। আবার এ দেশের সব চেয়ে পরিচ্ছন্ন স্থানেরও অন্যতম মেচুকা উপত্যকা।

বৃষ্টি পড়লেই কালীপুজোর মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ, নির্দেশ কলকাতা পুলিশের

রেল প্রকল্পের জন্য বাস্তুহারা হওয়ার আশঙ্কায় সুরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দারা, চাইছেন সমাধান

ঘর থাকবে সতেজ ও দূষণমুক্ত! বাড়িতে লাগান এই ৬টি ইন্ডোর প্ল্যান্ট

৭০০০mAh ব্যাটারির Motorola স্মার্টফোনে ১৩,০০০ টাকারও বেশি ছাড়! আজই কিনুন

চাঁদনি রাতে রূপসী রিশপ, পাইন বনের ছায়ায় কাঞ্চনজঙ্ঘার মায়াবী রূপ!

ধনতেরাসে কেনাকাটার আগে সাবধান! সংসারে অশান্তি এড়াতে ভুলেও ৫ জিনিস আনবেন না ঘরে

বন্ধুকে খুনের পর রোজ স্বপ্নে আসত তার আত্মা, ভয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করল যুবক

Airtel-এর দুর্দান্ত অফার, ৪৪৯ টাকার প্ল্যানে মিলবে আনলিমিটেড ডেটা!

‘ভাইপো ভাইপো কেন করছেন? এখনও সময় হয়নি,’ অভিষেকের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

‘নিখুঁতভাবে এসআইআর হলে আরও ৩০ লক্ষ নাম বাদ পড়ত’, দাবি শমীকের

‘প্রতিবাদের নামে কোনও জায়গা দখল করে রাখা যায় না,’ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

পাওয়ারগ্রিড লিমিটেডে ট্রেইনি ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ওমরকে জোর ধাক্কা দিয়ে দল ও সাংসদ পদ ছাড়লেন মুসলিম নেতা

ইডেনের মতো অনুষ্ঠান হবে চন্দননগরেও! জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা