ইডেনের মতো অনুষ্ঠান হবে চন্দননগরেও! জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোকে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। পুজোকে কেন্দ্র করে শহর সাজানো থেকে শুরু করে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, গঙ্গার ঘাটের পরিকাঠামো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সব দিকেই বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। এমনকী, কলকাতার ইডেন গার্ডেনে দুর্গাপুজো উপলক্ষে যে ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, চন্দননগরেও তেমন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতেই সম্প্রতি প্রশাসনিক বৈঠকে বসেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

চন্দননগর বিধানসভা এলাকার জগদ্ধাত্রী পুজোর পাশাপাশি কালীপুজো, ছটপুজো এবং কার্তিক পুজোর আয়োজন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই, হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি, চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব-সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা। পুজোর দিনগুলিতে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে উৎসবে অংশ নিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই একাধিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। অগ্নিমিত্রা পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই তিনি চন্দননগরে এসেছেন। তাঁর কথায়, চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর নিজস্ব ঐতিহ্য ও পরিচিতি রয়েছে। সেই ঐতিহ্যকে বিশ্বের দরবারে আরও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরতে চায় সরকার। তাই এবারের প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না প্রশাসন।

আরও পড়ুন: ধনতেরাসের আগে অনেকটা সস্তা হল সোনা-রুপো! কলকাতায় আজকের দর কত?

পুজোর প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে গঙ্গার ঘাটগুলিকে। জোয়ারের সময় জলের উচ্চতা কতটা বাড়ছে এবং ভাটার সময় কতটা নেমে যাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিমা দর্শন ও নিরঞ্জনের সময় যাতে দর্শনার্থীদের কোনও অসুবিধা না হয়, সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পানীয় জলের ব্যবস্থা, বায়ো টয়লেট, সেবা শিবির এবং কন্ট্রোল রুম তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রবীণ নাগরিকদের যাতে সহজে প্রতিমা দর্শন করানো যায়, তার জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। শহর সাজানোর ক্ষেত্রেও থাকছে একাধিক পরিকল্পনা। চন্দননগরের ফুটপাতজুড়ে আলপনা আঁকার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফরাসি উপনিবেশের স্মৃতি বহনকারী ঐতিহ্যবাহী এলাকাগুলিকে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে। সৌন্দর্যায়নের আওতায় আসবে গঙ্গার পাড়ও। সব মিলিয়ে উৎসবের মরশুমে চন্দননগরকে নতুন সাজে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। এবারের পুজোর প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক পরিকল্পনাগুলি লিখিত নথি হিসেবে সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। যাতে ভবিষ্যতে এই নথি দেখে পরবর্তী বছরের পুজোর ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। বৈঠকে পর্যটন সচিব, পুলিশ সুপার, মহকুমা শাসক-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তও জেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পৃথক বৈঠক করবেন। পাশাপাশি চন্দননগরের প্রতিমা নিরঞ্জনের ঘাট এবং কয়েকটি পুজো মণ্ডপ পরিদর্শনেরও কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।

একই পরিবারের ৩১০ টি সন্তান! বালি পুরসভায় হইচই কাণ্ড

হারিয়ে যাওয়া কাঁসা-পিতলের শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছে শান্তিপুরের এই পরিবার

পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠনকে ঘিরে উত্তপ্ত ইসলামপুর, লাঠিচার্জ পুলিশের

‘নিখুঁতভাবে এসআইআর হলে আরও ৩০ লক্ষ নাম বাদ পড়ত’, দাবি শমীকের

‘অনুুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড দিয়েছিল তৃণমূল,’ শহরে এসে বললেন স্মৃতি ইরানি

ধনতেরাসের আগে অনেকটা সস্তা হল সোনা-রুপো! কলকাতায় আজকের দর কত?

বিকেলের জলখাবারে বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে মাশরুম কোফতা, রইল সহজ রেসিপি

‘ছুটি নয়, দরকার টাকা’, কলকাতা পুরসভার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যকর্মীরা

‘প্রতিবাদের নামে কোনও জায়গা দখল করে রাখা যায় না,’ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে কবে থেকে পড়বে শীত, দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

ওমানের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে হামলা, নিহত এক নাবিক

ইডেনের মতো অনুষ্ঠান হবে চন্দননগরেও! জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

ইউরোপের একাধিক দেশের সুপারমার্কেটে সাইবার হানা! নষ্ট হচ্ছে টন টন খাবার

ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ শুরুর আগে ছিটকে গেলেন কিউয়ি তারকা ব্যাটার