৫৭ সেনা আধিকারিকের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৪১ খুনিকে মুক্তি দিল ইউনূস সরকার

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (পূর্বতন বিডিআর, অধুনা বিজিবি) প্রধান মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ-সহ ৫৭ সেনা আধিকারিকের নারকীয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৪১ বিডিআর সদস্যকে মুক্তি দিল মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে ওই ৪১ খুনি। জেল গেটের বাইরে আসার পরেই ওই ৪১ খুনিকে বীরের মর্যাদায় বরণ করে নেয় জামায়াত ইসলামী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা। দেশের ৫৭ সেনা আধিকারিককে নৃশংসভাবে খুনের সঙ্গে জড়িতদের এভাবে মুক্তির ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নিহত সেনা আধিকারিকদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, ‘খুনিদের মুক্তি দিয়ে দেশের জন্য আত্মবলিদান দেওয়া ৫৭ সেনা আধিকারিককে দ্বিতীয়বার হত্যা করা হল।’

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (ত‍ৎকালীন বিডিআর) অনুষ্ঠান চলাকালীনই বিদ্রোহ ঘোষণা করে বিডিআরের একাংশ। আল কায়দা জঙ্গি তথা প্রাক্তন সেনা আধিকারিক মেজর জিয়া ও পাকিস্তানি গুপ্তচর বাহিনী আইএসআইয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্রোহী বিডিআর জওয়ানরা বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সাকিল আমেদ-সহ ৫৭ সেনা আধিকারিককে নির্মমভাবে খুন করে। এমনকি সেনা আধিকারিকদের স্ত্রী এবং মেয়েদের গণধর্ষণও করা হয়। গণধর্ষণের পরে বেশ কয়েকজন সেনা আধিকারিকের স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। ঢাকার পিলখানার ওই ঘটনার রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের অন্যান্য অংশেও। শেষ পর্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়ে ওই বিদ্রোহ দমন করেন ত‍ৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তদন্তে উঠে আসে বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতা থেকে শেখ হাসিনাকে উচ্ছেদের লক্ষ্য নিয়েই ওই বিদ্রোহ সংগঠিত হয়েছিল। বিদ্রোহীদের পিছনে পূর্ণ মদত ছিল রাষ্ট্রপুঞ্জ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকা মহানগর আদালতের তরফে ৫৭ সামরিক আধিকারিককে খুনে জড়িত থাকার অপরাধে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২৫ জনকে বিদ্রোহে জড়িত থাকার কারণে তিন থেকে দশ বছরের মধ্যে কারাদণ্ডের সাজা শোনানো হয়। নিয়ম অনুযায়ী,  আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) হাইকোর্টে অনুমোদনের জন্য যায়। ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের উপর শুনানি শেষে তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর রায় ঘোষণা করে। ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে এবং বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় ২২৮ জনকে। খালাস পায় হাইকোর্টের রায়ের আগে অবশ্য ৫৪ জন আসামি মারা যান।

গত ৫ অগস্ট রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলে থাকা বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন ও কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস সরকার। ৫৭ সামরিক আধিকারিককে খুনের দায়ে জেল খাটা বিডিআরের সদস্যদেরও মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযয়ী এদিন দুপুরে মুক্তি দেওয়া হয় ৪১ খুনিকে।

কালীপুজোয় বারাসত-মধ্যমগ্রামে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, চার ঘণ্টা মণ্ডপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি

গির্জার আদলে কালীপুজোর মণ্ডপ! রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক

হামজার সেঞ্চুরিতে কুপোকাত ভারত, ছোটদের এশিয়া কাপে ৩ উইকেটে জিতল পাকিস্তান

প্রেমিকাকে বিয়ের দাবিতে টাওয়ারে চড়ে বসল যুবক, শোরগোল নন্দীগ্রামে

বাজির শব্দে ভয় পাচ্ছে আপনার বাড়ির পোষ্য? শান্ত রাখুন এই ৬ উপায়ে

হীরের টিপ থেকে ১১০ কেজি সোনা-রুপোর গয়না! ১০৩ বছরে আরও জাঁকজমক নৈহাটির বড়মা

চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঢাকে কাঠি,একসঙ্গে আলপনা দিলেন ১২০০ জন

কালীপুজোর ভোগের মতো লাবড়ার স্বাদ পেতে চান বাড়িতেই? রইল সহজ রেসিপি

‘দেশ থেকে মাওবাদীদের মুছে ফেলা হয়েছে,’ দীপাবলিতে ঘোষণা মোদির

তৃণমূলের আচরণের জন্য বিএসএফের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

সোমবার থেকে তিন দিন বদলাচ্ছে একাধিক ট্রেনের রুট! কেন এই সিদ্ধান্ত পূর্ব রেলের?

দীপাবলিতে মাংস কিনতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, বাবা-ছেলে-সহ মৃত ৩

দীপাবলিতে ভক্তদের উপহার দিলেন ভিকি ক্যাটরিনা, প্রকাশ্যে আনলেন ছেলে বিহানকে

রাস্তার ধারে কুলচা বিক্রি করতেন বাবা, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান করে চমকে দিল ছেলে অর্জুন