ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে কি মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়বে? জানুন পেট্রোলের দাম কত বাড়ছে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। একদিকে শেয়ারবাজারে বড় ধস, অন্যদিকে হু হু করে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী। ফলে ওই অঞ্চল থেকে তেল রফতানি কার্যত থমকে দাঁড়িয়েছে। এর প্রভাবেই বিশ্ববাজারে এক লাফে প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে তেলের দাম।

এই পরিস্থিতিতে ভারতকেও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অনেক বেশি দামে তেল কিনতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এর প্রভাব কি পড়বে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে? আপাতত সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনই জ্বালানির খুচরো দামে কোনও বৃদ্ধি হচ্ছে না। তবে উদ্ভত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।

আরও পড়ুন: ‘মা ক্যান্টিন’ থেকে কলকাতায় কত পরিমাণ খাবার বিক্রি হয়?‌ পরিসংখ্যান দিল পুরসভা

মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর চেষ্টা করা হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে যুদ্ধকালীন এই অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সাময়িকভাবে তেল সংস্থাগুলিকেই বহন করতে হবে। যদিও হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের হিসেব বলছে, সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের ব্যারেল প্রতি দাম ৮০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। শুক্রবার যেখানে এই দাম ছিল প্রায় ৭২.৯ ডলার, সেখানে মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে প্রায় ১০ ডলার বেড়েছে তেলের দাম। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ১০ ডলার বাড়লে ভারতের বার্ষিক তেল আমদানির খরচ বেড়ে যেতে পারে ১৩ থেকে ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় বিপুল অঙ্কের বোঝা।

হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় ভারতের উপর প্রভাবও মারাত্মক হতে চলেছে। ভারতের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানি নির্ভর। এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৪০ শতাংশ তেল এসেছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সেই নির্ভরতা বেড়ে ৫০ শতাংশে পৌঁছেছিল। শুধু তেল নয়, দেশের মোট এলএনজি চাহিদার প্রায় অর্ধেকও এই পথেই আসে। বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশই যায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে।

এই পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস খোঁজার দিকে তাকাতে বাধ্য হচ্ছে ভারত। বর্তমানে দেশের হাতে প্রায় ৭৪ দিনের তেল মজুত থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে সংকট দেখা দিতে পারে। ফলে ল্যাটিন আমেরিকা, পশ্চিম আফ্রিকা কিংবা আমেরিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে নয়াদিল্লি। অন্যদিকে, গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি ধীরে ধীরে কমিয়েছে ভারত। সব মিলিয়ে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতির উপর বড় চাপ পড়তে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজকের রাশিফল: আর্থিক উন্নতি, কর্মক্ষেত্রে তর্কে জড়াবেন না, বড় বিপদে পড়বেন

শ্রীরামপুরে ‘অত্যাচারিত’ তৃণমূল কাউন্সিরের বিরুদ্ধে পুরসভার গেটে বিক্ষোভ বাসিন্দাদের

মাছের ভেড়িতে লুটে বাধা, বসিরহাটে ১৫ বছরের পড়ুয়াকে এলোপাথাড়ি কোপ

‘আলবিদা সলিম কুমার’, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য মালায়ালি অভিনেতার

চুক্তি শেষ, মেট্রোপলিটনের ‘তৃণমূল ভবন’ খালি না হওয়ায় পুলিশের দ্বারস্থ বাড়ির মালিক

কবে রাজনীতি ছাড়বেন জানিয়ে দিলেন পদকজয়ী কুস্তিগির বিনেশ ফোগাট

বেহালার রায় বাহাদুর রোডের পরিত্যক্ত জমি থেকে উদ্ধার কলকাতা পুরসভার লক্ষ লক্ষ বালতি

সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হলেন তামিম ইকবাল

শনিবার পর্যন্ত কত লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে গেল ৩ হাজার টাকা? জানালেন শুভেন্দু

যুদ্ধের দামামা, ভারত সীমান্তে আচমকা ৬০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন তারেক সরকারের

বিজেপি বিরোধিতার পথ থেকে সরছে সিপিআইএম, ‘ইন্ডিয়া’ জোট ছাড়ছে বেবির দল

তারাতলায় গাছ ভেঙে পড়ায় যান চলাচল ব্যাহত, উদ্ধার কাজে পুলিশ ও পুরকর্মীরা

কারও ‘ছত্রছায়ায়’ থাকব না, নাম না করে গম্ভীরকে খোঁচা অধিনায়ক শ্রেয়সের

বিজেপি কর্মীদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা