পশুবলি সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিয়ে বিভ্রান্তি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে চিঠি অধীরের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিরোধীরা আগে মুখ্যমন্ত্রী–সহ অন্যান্য মন্ত্রীদের চিঠি লিখলে উত্তর পেতেন না। এবার থেকে কেউ চিঠি লিখলে মিলবে প্রাপ্তিস্বীকার। একইসঙ্গে যথাসম্ভব উত্তরও দেওয়া হবে। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এই আশ্বাস দিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই আশ্বাসের উপর বিশ্বাস রেখে আজ, রবিবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। রাজ্য সরকার সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। আর তা নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলা এবং রাজ্যের নানা প্রান্তে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি ও চাপা উত্তেজনা। এই সমস্যার সমাধান করতে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপ দাবি করে চিঠি পাঠালেন অধীর চৌধুরী।

এদিকে এই বিজ্ঞপ্তিকে সামনে রেখে রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলির মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে চিঠিতে দাবি করেছেন অধীর। সেই ক্ষোভ প্রশমন করতে ব্যবস্থা নিতেও বলেছেন তিনি। আজ, রবিবার মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শও দিয়েছেন একদা সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। ওই চিঠিতে অধীর চৌধুরী লিখেছেন, গত ১৩ মে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে ‘পশুবলি সংক্রান্ত নির্দেশিকা’ মেনে চলতে একটি পাবলিক নোটিস জারি করা হয়েছিল। ওই সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই সাধারণ মানুষের মনে নানা ধরনের বিভ্রান্তি এবং অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে এই বিষয়টির দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার।

অন্যদিকে বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন যে, ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গও একটি বহুসাংস্কৃতিক এবং বৈচিত্র্যময় রাজ্য। এখানে নানা জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে নিজস্ব ঐতিহ্য এবং রীতিনীতি পালন করে এসেছেন। ওই চিঠিতে সামাজিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে অধীর লেখেন, ‘মুর্শিদাবাদ এমন একটি জেলা যেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষই জনসংখ্যার বেশিরভাগ অংশ। তাই এই নতুন সরকারি নির্দেশিকা ঘিরে ওই সম্প্রদায়ের মানুষের মনে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।’

এছাড়া ওই চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীকে একটি পরামর্শও দিয়েছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। চিঠিতে অধীর চৌধুরী লিখেছেন, মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলিতে স্থানীয় জেলা প্রশাসনকে দিয়ে নির্দিষ্ট জায়গা চিহ্নিত এবং সীমানা নির্ধারণ করা হোক। তাহলে সেখানে মানুষ তাঁদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করতে পারবেন। এই চিহ্নিত স্থানগুলি যেন শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রথাগত ও ঐতিহ্যবাহী আচার–অনুষ্ঠান পালনের জন্যই ব্যবহার করা হয়। আর এভাবেই মুর্শিদাবাদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশের মানুষের মনে তৈরি হওয়া ক্ষোভ এবং বিভ্রান্তির অবসান হবে।

‘টাকা হাতানোর ছক ছিল’, ২০২৪-এর গণপিটুনির ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন রবিনা

আবুধাবিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলা, নিশানায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

বারাসত থানার আইসি’র হাতে ঝাঁটা, সরকার বদলানোর পর বদলেছে পুলিশও

আগামীকাল মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন ভি ডি সতীশন, উপস্থিত থাকবেন রাহুল গান্ধি

তোলাবাজির অভিযোগে কৃষ্ণনগরে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

আইপিএলে বিরাট ইতিহাস কোহলির, কোন রেকর্ড গড়লেন?

নারকেল কাটার ফাঁকে আপন মনে গান গেয়ে নেট দুনিয়ায় শোরগোল ফেললেন যুবক

‘‌দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস নয়’‌, বনগাঁ সীমান্ত পরিদর্শন করে কড়া বার্তা খাদ্যমন্ত্রীর

ডার্বি ম্যাচে আমন্ত্রিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রবিবাসরীয় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে নয়া দৃশ্য!

মোল্লা ইউনূস-সহ তদারকি সরকারের উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে মামলা

কলকাতা ডার্বির আগে জেনে নিন মুখোমুখি সাক্ষাতে কে এগিয়ে?

মুম্বই থেকে ফেরার পথে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ পুরুলিয়ার শ্রমিক, উৎকণ্ঠায় পরিবার

হাড়োয়াতে দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের

রজত পাতিদার নন, পঞ্জাবের বিপক্ষে নতুন অধিনায়কের অধীনে খেলবে আরসিবি