‘সাহেব ছুটি মিললে স্ত্রীর শেষকৃত্যে হাজির থাকতে পারি’, ঊর্ধ্বতন অফিসারের কাছে করুণ আর্তি কনস্টেবলের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ডিউটি করতে করতে পরিবারের প্রতি নজর দেওয়া হল না। সেই কারণে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হল কনস্টেবল স্ত্রীয়ের। এখন নিজের স্ত্রীয়ের শেষকৃত্যের জন্যও ছুটি না পাওয়ায় শেষে উচ্চপদস্থ কর্তাদের কাছে হাতজোড় করে ছুটি ভিক্ষা চাইলেন কনস্টেবল। এমনই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলির লালগঞ্জ থানা এলাকায়।

উত্তরপ্রদেশের লালগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন মহিলা কনস্টেবল কেশরি ভার্মা। গত শনিবার বস্তি জেলায় নিজের বাড়িতেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২২ আগস্ট তিনি প্রতাপগড়ে নিজের বাড়ি থেকে ফিরছিলেন। ফেরার পথে স্কুটারে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান তিনি ও মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন। তারপরেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেশরি। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা হয়। সেলাই ও সিটি স্ক্যান হওয়ার পর তিনি পুনরায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর স্বামীও একজন কনস্টেবল। গতকাল, শনিবার রাতে ডিউটি থেকে বাড়ি ফেরেন কেশরির স্বামী কনস্টেবল নগেন্দ্র ভার্মা। বাড়ি ফিরেই তিনি দেখেন স্ত্রী কেশরি আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিছানায় শুয়ে। তড়িঘড়ি স্ত্রীকে নিয়ে নিকটবর্তী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান নগেন্দ্র। কিন্তু সেই হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা কেশরিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নগেন্দ্র-র অভিযোগ, তিনি স্ত্রী অসুস্থ থাকলেও কাজ থেকে ছুটি পাননি। তাই তাঁর খেলায় রাখতে পারেননি। তাই আজ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন শেফালি।

আরও পডুন: উজবেকিস্তানের সর্বোচ্চ সম্মান ‘Oliy Darajali Dustlik’-তে ভূষিত হলেন মোদি

স্ত্রীর ময়নাতদন্তের সময়ো নগেন্দ্র চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ঘটনাস্থলে আসা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সামনে তিনি হাতজোড় করে অনুনয়-বিনয় করতে শুরু করেন। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ছুটি পেলে চিকিৎসার জন্য তাঁর স্ত্রীকে ভাল কোথাও নিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু সেই সুযোগ হল না। ছুটি পেলে স্ত্রীকে ভালভাবে চিকিৎসা করালে তাহলে হয়তো আজ তিনি বেঁচে থাকতেন। চিকিৎসার ক্ষেত্রে গাফিলতির অভিযোগ তুলে নগেন্দ্র ময়নাতদন্ত করাতে সাফ অস্বীকার করেন এবং এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানান তিনি। কেশরী-র মৃত্যুর ঘটনায় মৃত কনস্টেবলের ভাই ও পরিবারের সদস্যরাও পুলিশ বিভাগের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন। পরিবার জানিয়েছে যে, মাথায় আঘাত পাওয়ার পর থেকেই কেশরি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাই, কেশরির শারীরিক অবস্থা ও অসুস্থতাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত ছিল। কিন্তু সেটা না করে অসুস্থ অবস্থায় কেশরিকে কাজে যেতে বাধ্য করা হয়। মৃতের পরিবার পুরো বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। সেই সঙ্গে স্ত্রীয়ের শেষকৃত্যের জন্য ছুটি চেয়ে উচ্চপদস্থ কর্তাদের সামনে আর্জি জানিয়েছেন কেশরির কনস্টেবল স্বামী নগেন্দ্র। তিনি বলেন, ‘সাহেব ছুটি মিললে স্ত্রীর শেষকৃত্যে হাজির থাকতে পারি’,। সেই সংক্রান্ত ভিডিও এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন