মহাশ্মশানের পাশেই ঠাঁই, রাতে বেরিয়ে আসেন মন্দির থেকে! বীরভূমের গুহ্যকালীর কাহিনি গায়ে কাঁটা দেয়

শতাক্ষী দেবীর শরীর থেকেই গুহ্যকালী উৎপত্তি। সাধক সমাজে তিনি আকালী নামেও খ্যাত। দারুকাসুর বধের পর এক দেবতা মহেশ্বরের শরীরে প্রবেশ করেছিলেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: গাঢ় মেঘের মতো গাত্রবর্ণ, দুই হাতে খড়্গ ও নাগপাশ, কাঁধে পঞ্চাশটি নরমুণ্ডের মালা, দেবীর এই উগ্র ও ভয়ঙ্কর রূপের কথা হয়তো সাধারণ গৃহস্থের অন্দরমহলে ব্রাত্য, অথচ রহস্যময়ী এই মাতৃশক্তির আরাধনাতেই একসময়ে মজে থাকতেন বাংলার সাধকরা। মহাশ্মশানের নীরবতাই তার চিরকালীন ঠিকানা। আসলে দেবী কালীর একাধিক রূপ। তোড়ল তন্ত্র ও মহাকাল সংহিতা অনুসারে, কালীর নয়টি রূপ। তবে লোকসমাজে দক্ষিণা, ভদ্রকালী কিংবা শ্মশান কালীর পরিচিতি থাকলেও গুহ্যকালীর কোনও পরিচিতি নেই বললেই চলে! কিন্তু এটি দেবীর অন্যতম রহস্যময় ও গুহ্য রূপ।

ভাগবত পুরাণ অনুসারে, শতাক্ষী দেবীর শরীর থেকেই গুহ্যকালী উৎপত্তি। সাধক সমাজে তিনি আকালী নামেও খ্যাত। দারুকাসুর বধের পর এক দেবতা মহেশ্বরের শরীরে প্রবেশ করেছিলেন। মহাদেবের গলার হলাহলের নীল রঙেই তাঁর গায়ের রঙ কালিমালিপ্ত হয়। তাই তিনি উগ্রচণ্ডী, পাশপাশি বিষধরীও।দেবীর এই রূপটি সাধারণত গৃহস্থের অন্দরমহলে অজানা, কিন্তু তন্ত্র সাধকদের কাছে এই দেবীর মাহাত্ম্য অপরিসীম। এই দেবীর শারীরিক গঠনেই গায়ে শিহরণ জাগে। মাথায় জটাজুট ও অর্ধচন্দ্র। কানে শবদেহরূপী অলঙ্কার। গলায় নাগবেষ্টিত। তার চারপাশ ঘিরে রয়েছে অসংখ্য সাপের ফণা। বাঁ পাশে স্বয়ং মহাদেবের স্থান। শবমাংস ভক্ষণ করেন তিনি।

সাধারণ গৃহস্থলীতে দেবীর এই রূপের কোনও স্থান নেই। তাই গুহ্যকালীর সাধনা অত্যন্ত কঠিন। কিন্তি লোককথায়, সাধক বামাক্ষ্যাপা এই মহাশক্তির সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। যা সাধারণ মানুষের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। বীরভূমের আকালীপুর গ্রামে এই দেবীর পুজো হয়। ব্রাহ্মণী নদীর তীরে শ্মশানের পাশে গুহ্যকালীর ঐতিহাসিক মন্দির। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মহারাজা নন্দকুমার। আজও তাঁর পুজোর নিয়মে কোনও ফাটল ধরেনি। সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এই দেবী কালী আজও বাংলার তন্ত্রসাধনার এক বিস্ময়কর অধ্যায় রচনা করছে। 

পঞ্জাবকে হারিয়ে আইএসএলে জয়ের হ্যাটট্রিক মোহনবাগানের

কলার খোসা ফেলে না দিয়ে বাড়িতেই বানান প্রাকৃতিক হেয়ার টনিক

রাশি বদল দেবগুরু বৃহস্পতির, জানুয়ারি পর্যন্ত টাকার জোয়ারে ভাসবে ৩ রাশি

গর্ভস্থ ভ্রুণ কন্যা জানতে পেরে জোর করে গর্ভপাত, বেঘোরে প্রাণ গেল গৃহবধূর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষতা পদক পেলেন রাজ্যের আট পুলিশ আধিকারিক

অস্ট্রেলিয়াকে দুরমুশ করে ১১ বছর পর টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা

নিরামিষের বদলে চিকেন বিরিয়ানি! এয়ারপোর্টে হুলস্থূল কাণ্ড

বাড়িতে মধুচক্র-মাদকের আসর বসানোর দায়ে সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি

টেস্টে নয়া মাইলফলক স্পর্শ কাগিসো রাবাদার, দ্রুততম ৩৫০ উইকেটের মালিক

‘জ্ঞানেশ কুমার ‘গদ্দার’, পদ ছাড়তেই হবে’, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে তোপ খাড়গের

‘ছোট আঙারিয়া থেকে নন্দীগ্রাম, সব মামলার ফাইল খুলব,’ সিপিএমকে নিশানা শুভেন্দুর

ইনস্টাগ্রাম আইডি চেয়ে না পেয়ে মাঝরাস্তায় শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেফতার দুই

CAA-তে আবেদনে আর লাগবে না বাংলাদেশি প্রমাণপত্র! বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে প্রথম টেস্টে ধরাশায়ী টাইগাররা, চার দিনেই শেষ খেলা