আর কিছুক্ষণ, তারপরেই বদলাচ্ছি আমরা

আমরা আসছি

00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
আমরা এখন লাইভ!
এই মুহূর্তে

বাজারদর আগুন, ভরসা হরিণঘাটার বিপণি! মুখে হাসি জনতার

নিজস্ব প্রতিনিধি: শীতের আনাজের বাঙালির আর রুচি নেই। এ বছর শীতের ফুলকপি, বাঁধাকপি – সবই প্রায় চড়া দামেই কিনে খেতে হয়েছে। গরম পড়তেই সেই সব অনাজের চাহিদা এখন তলানিতে। ২০ টাকার ফুলকপি, ৩০ টাকা কেজিতে কচি বাঁধাকপির আর বিশেষ বিক্রি নেই। কিন্তু স্বাদ বদলানোর জন্য বাজারে নতুন পটল, ভেন্ডি,  সজনে ডাঁটা চলে এলেও দামের ঠেলায় হাতে ছ্যাঁকা লাগার জোগাড় হয়েছে। একটু ভাল মানের সাদা পটল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি। ভেন্ডি, কচি উচ্ছে ৮০ টাকা। সজনে ডাঁটা কিছু দিন আগেও ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছিল। এখন দাম সামান্য কমে ১৫০ টাকা হয়েছে। তবে চালানি ডাঁটাও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু স্বাদ ভাল নয় বলে সেই ডাঁটার চাহিদা বিশেষ নেই।

তবে বাজার দরে সবাইকে টেক্কা দিচ্ছে আলু। চন্দ্রমুখি আলু গত সপ্তাহে বিভিন্ন বাজারে ৩০ থেকে ৩৪ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। জ্যোতি আলুর দামও ২০ টাকার উপরে। আর বাঙালির রান্না মানেই কাঁচালঙ্কা লাগবেই। কিন্তু তার দামেও চোখে জল ঝরতে শুরু হয়েছে। কলকাতার যে কোনও বাজারে লঙ্কা এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি। মাঝে কয়েকদিন লঙ্কা ১৫০ টাকাতেও বিক্রি হয়েছে। আর ভাতের পাতে অধিকাংশ বাড়িতেই এই গরমে একটু লেবু না হলে চলে না। কিন্তু পাতি লেবুর দাম গত কয়েকদিনে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। এক জোড়া লেবু এখন ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একটি গন্ধরাজ লেবু ১০ টাকা।  তুলনায় দাম কিছুটা কম টমেটোর। ৩০ টাকা কেজি।

আনাজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সব ধরনের মাছ, এমনকি ব্রয়লার মুরগির দামও। এমনিতেই গরম পড়লে মাছের একটু আকাল দেখা দেয়। চাহিদার তুলনায় মাছ, ব্রয়লার মুরগির জোগান কিছুটা কমে যায়। এই রবিবার কলকাতার বিভিন্ন খুচরো বাজারে ব্রয়লার মুরগির কাটার মাংস বিক্রি হয়েছে ২৪০ থেকে ২৭০ টাকা কেজিতে।  তবে বাজারে যতই দাম বাড়ুক, সরকারের হরিণঘাটার মুরগির মাংস কিন্তু বাঙালির মুখে হাঁসি ফুটিয়ে রেখেছে। বাজারের তুলনায় অনেকটাই কম দামে হরিণঘাটার বিপণিগুলিতে মুরগির মাংস কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে বাঙালির প্রিয় দুই মাছ গোটা রুই, কাতলার দামের খুব বেশি হেরফের না হলেও, ছোটো মাছের দাম ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। একটু ভাল জলের, সুস্বাদু চারা পোনা রবিবারের বাজারে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। আর জাতে কুলীন এমন মাছে চট করে হাত দেওয়া যাচ্ছে না। একটু বড় আড়, বোয়াল হলে কাটা কমপক্ষে ৭০০ টাকা কেজি। চাষের পুঁটি থেকে ট্যাংরা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি। প্রমাণ সাইজের বাগদা বা গলদা চিংড়ির দামও যথেষ্ট চড়া। সব মিলিয়ে বাজারে গেলে আম বাঙালির পকেট ফাঁকা হওয়ার জোগাড় হয়েছে।

আনাজের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, রাজ্যে আলুর যা চাহিদা সেই তুলনায় জোগান কম। বহু জায়গায় আলু চাষে ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির ভয়ে অনেকে আলুর চাষ করেনি। তাঁদের দাবি, পাইকারি বাজারে এখানকার সব আনাজের দাম অনেকের নাগালের বাইরে। সজনে ডাঁটাই বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা পাল্লা। ফলে খুচরো বাজারেও দাম চড়ছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ঝাড়গ্রামে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি ধান চাষের, মাথায় হাত চাষীদের

আউশগ্রামে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ CCTV, রহস্য ঘনীভূত স্ট্রংরুম ঘিরে

নির্দিষ্ট দিনের আগেই কাউন্টিং এজেন্টরা হাজির, কেন এমন ঘটনা ঘটল?‌

ঝাড়গ্রামে আড়াই দিন ধরে পড়ে থাকা গাছ সরালেন বিজেপি প্রার্থী লক্ষিকান্ত সাউ

রবিবার সন্ধ্যের পর ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, গণনার আগে বড় দুর্যোগ বঙ্গে

ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতি, ৮০০ বিঘা জমির সবজি নষ্ট হতেই মাথায় হাত চাষিদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ