নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে কড়া নিরাপত্তা, কেন এমন বাড়তি উদ্যোগ?‌

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বাংলাদেশ আবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। সেখানে সংঘর্ষ থেকে শুরু করে অগ্নিসংযোগ, খুন, রাহাজানি চরম আকার নিয়েছে। এমনকী সেখানে হিন্দুদের উপর আক্রমণ আবার নতুন করে নেমে এসেছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে পদ্মাপারের ভারতীয় দূতাবাসগুলিও চরম আতঙ্কে রয়েছে। এই আবহে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনের দফতরে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। ওপার বাংলায় যখন আগুন জ্বলছে তখন এপার বাংলায় যাতে তার আঁচ না পড়ে তার জন্যই এই বাড়তি উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পদ্মাপারে ভারত বিরোধী আওয়াজ উঠতে শুরু করেছে।

এদিকে ওপার বাংলায় সাংবাদিককে খুন করা থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যমের অফিসে অগ্নিসংযোগ–সহ ধানমুন্ডি এবং নানা এলাকায় ভাঙচুর করা শুরু হয়েছে। ওপার বাংলায় ভারতীয় কূটনীতিকদের দফতরের বাইরে প্রতিবাদ দেখানো হয়েছে। আর তারপরই রাজধানীতে বাংলাদেশের দূতাবাসের বাইরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা গড়ে তোলা হয়েছে। ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশ রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে। বাংলাদেশের তদারকি সরকারের উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের পক্ষ থেকে জনগণকে ধৈর্য্য এবং সংযমের বার্তা দেওয়া হলেও থামেনি হিংসার ঘটনা।

অন্যদিকে আজ, শুক্রবার বেনাপোল সীমান্তে ভারত বিরোধী স্লোগান দিয়ে সুর সপ্তমে তোলা হয়। তার জেরে দু’‌দিকেই বিএসএফ এবং বিডিআর কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে বাংলাদেশে তাতে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে দানা বাঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে ওপার বাংলার শাহবাগে হাজারের বেশি মানুষ জড়ো হয়ে ইউনুস সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে সরব হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন। রাজশাহীতে আওয়ামি লীগের অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে অবস্থিত ইন্ডিয়ান অ্যাসিস্টেন্ট হাই কমিশনের দফতরে পাথর ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ।

এছাড়া এই পরিস্থিতিতে বেশ কিছুক্ষণ চুপ করেছিলেন তদারকি সরকারের উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। তারপর চাপে পড়ে শুক্রবার মুখ খোলেন তিনি। কিন্তু তাঁর আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন না উত্তপ্ত জনতা। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ হয়ে উঠেছে হিংসা–বিদ্বেষের দেশ। উত্তেজনা চড়লেই সঙ্কটের মুখে পড়েন সেদেশের হিন্দু নাগরিকরা। বৃহস্পতিবার হাদির মৃত্যুর হাত ধরেই যেন ফিরে এল বাংলাদেশের অগ্নিগর্ভ ছবি। গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার রাজপথে মাথায় লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছিল ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়কে মাথায় রেখে সরকারি উদ্যোগে তাঁকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ইনস্টাগ্রামে সক্রিয়তা বাড়াতে হবে, মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ইস্কন মায়াপুরে মহাসমারোহে পালিত হল উল্টোরথ যাত্রা

বিক্ষোভকারী তরুণীর স্তনে হাত মুম্বই পুলিশের আধিকারিকের, ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

আরশোলাদের পাশে মমতা, সোমে দিল্লিতে যাচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী

ইস্তফার পরেই বাংলাদেশের পদত্যাগী রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতারের দাবি জানাল এনসিপি

আরশোলাদের মিছিলকে কেন্দ্র করে ধর্মতলায় ধুন্ধুমার, পুলিশ-বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ

কমনওয়েলথ গেমসের আগে জোর ধাক্কা জুডো দলের, ডোপ টেস্টে ধড়া পড়ে সাসপেন্ড তুলিকা মান

হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলার জের, তারেকের চাপে ইস্তফা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির

‘আরশোলা’দের দাবি মানছে না কেন্দ্র, ইস্তফা দেবেন না ধর্মেন্দ্র প্রধান

‘ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতেই হবে’, নাড্ডাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল ‘আরশোলা’রা

কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকের পরও শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে অনড় CJP, দিল তিনটি শর্ত

চলন্ত গাড়ির উপর পাথর পড়ে মৃত্যু হল ১৩ জনের, ভয়াবহ দুর্ঘটনা হিমাচলে

এসএসসির আইনজীবী প্যানেল থেকে অপসারিত কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, নতুন দায়িত্বে কে?

কলকাতার মিছিল কেন বাতিল? ভিডিও বার্তায় জানালেন ‘ককরোচ’ সদস্য