Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

হিন্দুত্বের চোরাস্রোত, তবুও এগিয়ে ‘ক্লান্তিহীন’ সৌগত

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, দমদম: দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ‘ক্লান্তিহীন’ আখ্যা দিয়েছেন। বয়সকে হার মানিয়ে খর বৈশাখে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলেছেন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম প্রবীণ নেতা সৌগত রায়। আর তার জয় রথ রোখার লক্ষ্য নিয়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী এবং বিজেপির শীলভদ্র দত্ত। কিন্তু ভোটের আগে শেষ ল্যাপে দুই প্রতিপক্ষকে টেক্কা দিয়ে টানা চতুর্থবার সংসদে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে পদার্থ বিদ্যার মাস্টারমশাই।

গত কয়েক দশকে দমদম লোকসভা কেন্দ্রের ভৌগলিক চেহারা অনেকটাই বদলেছে। এক সময়ের শিল্পাঞ্চল এখন শিল্প বন্ধ্যার অন্যতম সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে। এক সময়ে কারখানার সাইরেনে ঘুম ভাঙত এখানকার বাসিন্দাদের। কিন্তু সেই সব অতীত। একের পর এক কারখানা গুঁড়িয়ে সেখানে গড়ে উঠেছে প্রাসাদোপম বহুতল। বাঙালিদের হঠিয়ে শুরু হয়েছে অবাঙালিদের দাপট। লেকটাউন থেকে বিরাটি মোড় পর্যন্ত এলাকা কসমোপলিটানের চেহারা নিয়েছে। উদ্বাস্তু বাঙালি আর শ্রমিক সম্প্রদায় আজ অনেকটা কোনঠাসা হয়ে অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে। শুধু যে দমদম লোকসভা আসনের ভোগৌলিক চেহারা অনেকটা বদলেছে তাই নয়, রাজনৈতিক সমীকরণেও অনেক বদল এসেছে। ধর্মনিরপেক্ষতাকে পিছনে ঠেলে দিয়ে ধর্মীয় আবেগ জায়গা করে নিয়েছে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক বিভাজন বড্ড স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হিন্দুত্বের চোরা স্রোত বইছে। এক সময়ে পাশাপাশি বাস করা বাঙালি আর অবাঙালিদের মধ্যে ‘আমরা-ওরা’ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

শ্রমিক, উদ্বাস্তু ও সংখ্যালঘুদের বাসস্থান হিসাবে পরিচিত দমদম লোকসভা কেন্দ্র একসময়ে ছিল বামেদের দুর্গ। কিন্তু সেই দুর্গ ভেঙেচুরে একাকার। ২০০৪ সালে শেষ বারের মতো উত্তর ২৪ পরগনার দাপুটে সিপিএম নেতা অমিতাভ নন্দী জয়ী হয়েছিলেন। তাঁকে হারিয়ে ২০০৯ সালে সংসদে পা রেখেছিলেন তৃণমুল কংগ্রেসের সৌগত রায়। গত বার অর্থা‍ৎ ২০১৯ সালে দেশভক্তির জোয়ারের মধ্যেও বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্যকে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক করেছিলেন মাস্টারমশাই। যদিও জয়ের ব্যবধান ২০১৪ সালের তুলনায় কমেছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন, দমদম ধরে রাখার জন্য হয়তো আর সৌগতকে প্রার্থী করবে না রাজ্যের শাসকদল। কিন্তু দীর্ঘদিনের সারথির উপরেই ভরসা রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দমদমে সৌগত রায়কে নিয়ে শাসকদলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও খানিকটা ক্ষোভ রয়েছে। কিন্তু সেই ক্ষোভ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি ও বাম শিবির। বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছেন ‘রাজনৈতিক দলবদলু’ শীলভদ্র দত্ত। আর সিপিএমের হয়ে দাঁড়িয়েছেন সুজন চক্রবর্তী। দুজনেই কার্যত বহিরাগত। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, বাম ও বিজেপি নেতৃত্ব, আর কোনও প্রার্থী খুঁজে পেলেন না। গত কয়েক বছর ধরে বিজেপি যতটা না আক্রমণ শানিয়েছেন সুজন, তার চেয়ে বেশি নির্দয়ভাবে নিশানা করেছেন রাজ্যের শাসকদলকে। ফলে যারা কট্টর বিজেপি বিরোধী, অথচ তৃণমূলকে পছন্দ করেন না, তারাও সুজনকে মেনে নিতে পারছেন না। আর বিজেপির হয়ে যিনি প্রার্থী হয়েছেন, সেই শীলভদ্র দত্তকে প্রচারে দেখতেই পাননি ভোটাররা। যদিও সুজন এবং শীলভদ্রের দাবি, দমদমে তৃণমূল বিরোধী হাওয়া রয়েছে। এবারের ভোটে সৌগতর জয় রথ মুখ থুবড়ে পড়বে। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, রাজারহাট-গোপালপুর, খড়দহ, পানিহাটি, কামারহাটির মতো এলাকার সংখ্যালঘু ভোটাররা হিন্দুত্বের বাড়বাড়ন্ত রুখতে অনিচ্ছাসত্বেও শেষ পর্যন্ত ঘাসফুল শিবিরের দিকেই ঝুঁকবেন। দমদম কিংবা উত্তর দমদমের মতো কেন্দ্রে যারা অবাঙালি ভোটার, তারাও বিজেপির প্রতি খুব একটা সদয় নন। হিন্দুত্বের চোরাস্রোত থাকলেও কার্যত বিরোধী শিবিরের দুই প্রার্থী চয়নই শাসকদলকে অনেকটা অ্যাডভান্টেজ দেবে।

নন্দীগ্রাম থাকল শুভেন্দুরই, কত ভোট পেলেন?

নন্দীগ্রামের পরে ভবানীপুরেও শুভেন্দুর কাছে হারলেন মমতা

অমিত শাহ ছাড়া বিজেপির বঙ্গ জয়ের পাঁচ নেপথ্য সেনাপতিকে চেনেন?

বিজেপির কাছে হার, ফেসবুক থেকে উধাও রাজ চক্রবর্তী

ঠাকুরবাড়ির লড়াইয়ে বউদির কাছে হারলেন ননদ, ৩৪ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী সোমা

ফেসবুকের বিপ্লব জয় দিতে পারল না বামেদের, শূন্যের গেরো কাটাল ডোমকল

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

‘থ্রি ইডিয়টস্’ সিক্যুয়ালে চমক, ফারহান, সারমান, আমিরের সঙ্গী হচ্ছেন এই তারকা

‘পদ্ম ফুটেছে’, বঙ্গ জয়ের জন্য বিজেপি কর্মীদের শুভেচ্ছা মোদির

বাংলায় পদ্ম ঝড়ে শশী-ব্রাত্য সহ অন্তত ২৩ জন মন্ত্রী পিছিয়ে

‘‌মন খারাপের কোনও কারণ নেই, ওয়েট–ওয়াচ অ্যান্ড সি’‌, জরুরি বার্তা মমতার

মহীরূহ পতন, নিজের গড়েই হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মমতা-শুভেন্দু, দু’জনের ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের

রাতের মধ্যেই ধেয়ে আসছে ৬০ কিলোমিটার গতি বেগে কালবৈশাখী, একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা জারি