ময়নাগুড়ির বসুনিয়া বাড়ির পুজোয় ঘোড়ার গাড়িতে প্রতিমা আসত বাংলাদেশের রংপুর থেকে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ তিস্তার পাড়ে শরতের হাওয়া! চারপাশে সবুজের সমারোহ আর তারই মাঝে এক প্রাচীন বাড়িতে ঘরের মেয়ের মতো ফিরে আসেন দেবী দুর্গা। নেই ঝলমলে রাজকীয় সাজ, নেই চোখ ধাঁধানো আড়ম্বর। লালচে বর্ণের মুখে মায়াময় হাসি, পরনে আটপৌরে তাঁতের শাড়ি, মাথায় রাজবংশী বধূর ঐতিহ্যবাহী ‘শেয়ারা’। জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির আমগুড়ির বসুনিয়া পরিবারের দুর্গাপুজো তাই শুধু পুজো নয় তা ডুয়ার্সের লোকসংস্কৃতির জীবন্ত দলিল। রাজবংশী সমাজে দুর্গা পরিচিত ‘দেবী ঠাকুরানি’ নামে। বসুনিয়া পরিবারেও সেই নামেই তাঁর আরাধনা হয়ে আসছে।

কথিত আছে, ১৮১০ সালে ধনবর বসুনিয়ার হাত ধরে পুজোর সূচনা। সেই সময় ময়নাগুড়ির এই এলাকা ছিল জঙ্গলাকীর্ণ চাপগড় পরগনার অংশ। কোচবিহার রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে ধনবর বসুনিয়া আমগুড়িতে স্থায়ী বসতি গড়ে তোলেন এবং পরবর্তীতে এই পুজোর প্রচলন করেন। এই পুজোর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য প্রতিমার রূপ। দেবী এখানে দশভুজা হয়েও যেন তিস্তাপাড়ের কোনও সাধারণ গৃহবধূ। পরনে থাকে সাধারণ তাঁতের শাড়ি। প্রতিমার মুখাবয়বেও রাজবংশী সমাজের মানুষের বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। মাথায় থাকে ‘শেয়ারা’ (রাজবংশী সমাজে একসময় বিয়ের সময় কনেরা যে ধরনের মুকুট পরতেন)। বসুনিয়া পরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে কোচবিহার রাজপরিবারের যোগও এই পুজোর গল্পে উঠে আসে। 

পুজোর শুরুর সময় আমগুড়িতে মৃৎশিল্পী, পুরোহিত কিংবা ঢাকি সহজে পাওয়া যেত না। ফলে প্রথম দিকে বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর থেকে ঘোড়ার গাড়িতে প্রতিমা নিয়ে আসতে হত। পরে পরিবারের পরবর্তী প্রজন্ম রংপুর থেকে মৃৎশিল্পী পরিবার এবং অসম থেকে পুরোহিত ও ঢাকিদের এনে এলাকায় বসবাসের ব্যবস্থা করে। অর্থাৎ শুধু পুজো নয়, এই আরাধনাকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে একটি সাংস্কৃতিক পরিসরও তৈরি হয়েছিল।রাজবংশী রীতি অনুযায়ী দেবী আরাধনার আগে পুজো করা হয় ‘গ্রামঠাকুর’-এর। এই গ্রামঠাকুর আসলে শিব। আবার নবমীর দিনে কৃষিজীবনের সঙ্গেও জুড়ে যায় পুজো।আর সেই কারণেই হয়তো শহুরে জাঁকজমকের বাইরে এই পুজো আলাদা করে টানে মানুষকে। গবেষক ও পর্যটকরাও ডুয়ার্সের লোকসংস্কৃতির এই বিশেষ নিদর্শন দেখতে এখানে আসেন।

স্মিত মুচ্ছরকে হামলা, ফ্লাইদুবাইয়ের সন্দেহভাজন পাইলট কে? প্রকাশ্যে পরিচয়

৮৪০০mAh ব্যাটারি ও সুপার চিপসেট সহ বাজারে এসে গেল iQOO 16

‘হরমোনের সমস্যা’ ভেবে এড়িয়ে যাচ্ছেন? সাবধান, হতে পারে থাইরয়েড

ভয়ের সঙ্গেও পূজিতা হন দেবী, ৪২০ বছরে পা দিল রঘুনাথগঞ্জের ‘পেটকাটি দুর্গা’

বুদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে চান? পাতে রাখুন প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার

আজকের রাশিফল: বাড়ির বাইরে পা রাখার আগে জানুন কেমন কাটবে দিনটি

পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বে কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় পারগত সিংহ

শনিতে ভারত-পাক মহাযুদ্ধ, বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেস্তে গেলে সোনা পাবে কারা?

মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর বাউন্সারদের, ভয়ঙ্কর ঘটনা গুয়াহাটির নৈশক্লাবে

হাত বাড়াল দিল্লি, শুক্র রাতেই রূপপুর বিদ্যু‍ৎকেন্দ্রের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রুশ বিমান

কাটল ৪৪ বছরের খরা, চিনকে হারিয়ে এশিয়াডে সোনা জিতল ভারতের মহিলা হকি দল

‘৬ অক্টোবর বদলা নিতে হবে,’ নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার শুভেন্দুর

বন্দি বানিয়ে ১৩ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণ, সঙ্গী যুবকের সঙ্গেও অপ্রাকৃতিক যৌনাচার

পুজোর আগে শহরে একাধিক হাসপাতালে ঘুরে ফায়ার অডিট করল দমকল বিভাগ