কালের নিয়মে বদলায়নি প্রথা, কর্মকার বাড়িতে আজও দেবীর পুজো হয় ঘটে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কালের স্রোতে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু! বদলেছে মানুষের জীবনযাপন, বদলেছে পুজোর আয়োজনও। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় কয়েক শতক পেরিয়েও কিছু বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজো আজও ধরে রেখেছে পুরনো রীতি ও বিশ্বাস। আসানসোলের কর্মকার বাড়ির দুর্গাপুজো তেমনই এক ঐতিহ্যের সাক্ষী। পলাশীর যুদ্ধের সময় থেকে চলে আসা এই পুজো এবার পা দিল ২৬৯ বছরে। আর এই দীর্ঘ যাত্রাতেও দেবীর আরাধনায়  জড়িয়ে রয়েছে এক আশ্চর্য স্বপ্নাদেশ, বন্যা এবং ঘটে পুজোর পুরনো স্মৃতি।

কথিত আছে, ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের সময় আসানসোল দক্ষিণের ত্রিরাট এলাকার বাসিন্দা নন্দলাল কর্মকার দেবী দুর্গার স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন। সেই স্বপ্নাদেশের পরই তিনি ঘট প্রতিষ্ঠা করে শুরু করেন দেবীর আরাধনা। তখন থেকেই কর্মকার পরিবারের পুজোর সূচনা। কিন্তু পুজোর শুরু থেকেই পথটা মসৃণ ছিল না। দামোদরের ভয়াবহ বন্যায় একসময় ভেসে যায় নন্দলাল কর্মকারের বাড়ি। তখন দেবীর ঘট নিয়ে তাঁরা চলে আসেন বার্নপুরের হীরাপুরে। দীর্ঘদিন সেখানে ঘটেই দেবীর পুজো চলতে থাকে। প্রায় ৮০ বছর পর শুরু হয় মূর্তিপুজো। সময় বদলালেও সেই পুজোর ধারাবাহিকতা আজও অটুট।এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আরও এক পারিবারিক বিশ্বাস। পরিবারের সদস্যদের দাবি, পুজোর প্রতিষ্ঠাতা নন্দলাল কর্মকারের সন্তান ছিল না। সেই সময়ই তিনি দেবীর স্বপ্নাদেশ পান। পুজো শুরু করার পর তাঁর সন্তান লাভ হয়। ফলে কর্মকার পরিবারের কাছে দেবী শুধু আরাধ্যা নন, পারিবারিক বিশ্বাস ও আশ্রয়েরও প্রতীক।

কর্মকার বাড়ির পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য তার ভোগের আয়োজন। দেবীর মূল ভোগে থাকে খই ও চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি আরশে। সঙ্গে থাকে বিভিন্ন ফল। পরিবারের মহিলারাই নিজেদের হাতে ভোগ তৈরি করেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই রীতিতে আজও আধুনিকতার ছাপ পড়েনি। একসময় এই পুজোয় ছাগবলি দেওয়ার রীতি ছিল। পরে নানা অসুবিধার কারণে সেই প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। তার বদলে এখন আখ ও চালকুমড়ো বলি দেওয়ার রীতি রয়েছে। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে কিছু পরিবর্তন এলেও পুজোর মূল ঐতিহ্য ও পারিবারিক রীতিগুলি এখনও আগের মতোই ধরে রেখেছে কর্মকার পরিবার। আজও মহালয়া পেরিয়ে যখন বাঙালি উমার আগমনের অপেক্ষায়, তখন আসানসোলের কর্মকার বাড়িতেও শুরু হয় সেই চেনা ব্যস্ততা।

‘সরকারের কাজের গতি বাড়াতে মা দুর্গার ১১ হাতের প্রয়োজন,’ মন্তব্য দিলীপের

বারোয়ারি পুজোয় ব্রাত্য, এবার নিজেদের মণ্ডপে দশভুজার আরাধনায় মাতবেন যৌনকর্মীরা

‘যান টাকা কামিয়ে আনুন’, বিদেশে শুটিংয়ের জন্যে রাজপালের পাসপোর্ট ছাড়ের অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট

ক্লাস চলাকালীন হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল স্কুলের ছাদ, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে পাকিস্তানে মৃত ২১

সাঙ্ঘাতিক দুঃসংবাদ! আকাশছোঁয়া দাম বাড়ল সোনা-রুপোর, পঞ্চমীতে মাথায় হাত গহনাপ্রেমীদের

পেঁয়াজ-রসুন ছাড়াই বানিয়ে ফেলুন কারিপাতা দিয়ে আলুর তরকারি

স্বাদে হার মানাবে অনেক আমিষ রান্নাকেও! বানিয়ে নিন ফুলকপির রোস্ট

নবজাতক জন্মের পরেই ৪০ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ, গ্রেফতার ৬

মক্কায় মসজিদে চুরি, দুই বাংলাদেশিকে ফাঁসিতে ঝোলাল সৌদি সরকার

জ্ঞানেশ বিরোধী প্রতিবাদে অংশ নেওয়ায় অভিনেতা ইমরান খানকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ

পুজোর উদ্বোধনে এবার জেলায় জেলায় মুখ্যমন্ত্রী, পঞ্চমীতে মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব মেদিনীপুরে শুভেন্দু

ডিজেল ভর্তি ট্যাঙ্কার উল্টে বিপত্তি, পঞ্চমীতে তীব্র যানজট যশোর রোডে

মোবাইলে আর অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসবে না, পদক্ষেপ কেন্দ্রের

ওটিটি দুনিয়ায় বড় ধাক্কা! এক ধাক্কায় ১ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে নেটফ্লিক্স, কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত?