আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন তিনি। ইন্দিরা গান্ধিই হলেন একমাত্র মহিলা যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। পারিবারিক পরিচয়ে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহেরুর কন্যা ইন্দিরা। তবে বাবার পরিচয়ে নয়, প্রিয়দর্শিনী ভূ-ভারত তথা সমগ্র বিশ্বে পরিচিত হয়েছিলেন নিজ পরিচয়ে। 

১৯৬৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৭৭ সালের মার্চ মাস,  ১৯৮০ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৮৪ সালের অক্টোবরে মৃত্যুর দিন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন ইন্দিরা গান্ধি।  ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ভারতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন ইন্দিরা। এই সময় মৌলিক নাগরিক স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছিল। জরুরি অবস্থার সময় বহু স্থানে গণহত্যারও ঘটনা ঘটে।তারপরেও ১৯৮০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসেন। 

 

১৯১৭ সালের ১৯ নভেম্বর এলাহাবাদে এক কাশ্মীরি পরিবারে ইন্দিরা গান্ধির জন্ম। শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীতেও পড়াশোনা করেছিলেন ইন্দিরা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় রবীন্দ্রনাথই তার নাম প্রিয়দর্শনী। তখন থেকে ইন্দিরা পরিচিত হন ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী নেহেরুনামে। শান্তিনিকেতনের থাকার দরুণই একেবার বাঙালির মতো ঝরঝরে বাংলা বলতে পারতেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। 

১৯৮৪ সালের ১ জুন থেকে ৮ জুন পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল অপারেশন ব্লু স্টার। পঞ্জাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল উগ্র খালিস্তানি প্রচারক জার্নাল সিং ভিন্দ্রানওয়ালার নেতৃত্বে সশস্ত্র বিদ্রোহ। তাদের দাবি ছিল পঞ্জাব আর ভারতের বশ্যতা মানবে না। ভাষার ভিত্তিতে গড়ে উঠবে খালিস্তান। এই দাবির বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির সরকার। বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহ দমন করার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অপারেশন ব্লু স্টারের। অকাল তখত এবং স্বর্ণ মন্দির প্রাঙ্গনের বিবিধ অংশে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলা ভিন্দ্রানওয়ালা এবং তার অনুসারীদের অপসারণের জন্য সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে ট্যাঙ্ক এবং ভারী কামানের ব্যবহার করা হয়েছিল। এর ফলে খালিস্তানি জঙ্গি, সেনা এবং বহু সাধারণ মানুষ নিহত হয়।

এই হামলা শিখ সম্প্রদায়কে গভীরভাবে আহত করেছিল। শিখ ধর্মে স্বর্ণমন্দিরকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। সেই স্বর্ণমন্দিরের ভেতরে যুদ্ধ মেনে নিতে পারেনি পঞ্জাব। দেখা দেয় ব্যাপক ক্ষোভ। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির গুলিবিদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে। ১৯৮৪ সালের ৩১শে অক্টোবর স্বর্ণ মন্দিরে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইন্দিরাকে গুলি করে হত্যা করেন তাঁর দুই দেহরক্ষী শতবন্ত সিং ও বেয়ন্ত সিং। তারপরেই ভারত জুড়ে শুরু হয় প্রবল শিখ-বিরোধী দাঙ্গা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো

মালদায় গণনা কেন্দ্রে কী করতে হবে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

সোমবার গণনার দিন কলকাতা সহ গোটা বঙ্গে ধেয়ে আসছে প্রবল দুর্যোগ

গণনায় শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী কেন?‌ সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল, শনিবারই জরুরি শুনানি

ভাঙড়ে হিংসার আগুন, তৃণমূল কর্মীর দোকান পুড়ে ছাই, দফায় দফায় বোমাবাজি

প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো ইডি অফিসারকে বিশেষ পুরস্কার সংস্থার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ