মাস্টারদা সূর্য সেনের সবচেয়ে প্রিয় জায়গাটি ঠিক কোথায় ছিল জানেন?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সামনেই স্বাধীনতা দিবস। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয় সেইসব বীর বিপ্লবীদের কথা, যাঁরা দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন। তাঁর কাছে স্বাধীনতার স্বপ্নের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল জন্মভূমি চট্টগ্রামের মাটি। নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার সুযোগ পেয়েও সেই মাটি ছেড়ে যেতে চাননি তিনি। কারণ তাঁর কাছে চট্টগ্রাম শুধু প্রিয় জায়গা নয়, ছিল লড়াইয়ের ময়দান, ভালোবাসার ঠিকানা এবং আত্মত্যাগের শেষ ঠিকানা। বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেনের কাছে ‘প্রিয় জায়গা’ মানে কোনও বিলাসবহুল পর্যটনকেন্দ্র বা নিরিবিলি অবকাশযাপনের স্থান নয় তাঁর প্রিয় জায়গা ছিল সেই চট্টগ্রাম, যার মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। নিরাপদে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল কিন্তু জন্মভূমিকে ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবেননি তিনি। তাঁর বিশ্বাস ছিল যে মাটিতে লড়াই শুরু করেছেন, শেষ নিঃশ্বাসও সেই মাটিতেই ফেলবেন।

১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে জন্ম মাস্টারদা সূর্য সেনের। ছোটবেলা থেকেই এই অঞ্চলের প্রকৃতি, মানুষ এবং মাটির সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীকালে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হলেও তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য হয়ে ওঠে দেশের স্বাধীনতা। চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে তাঁর বিপ্লবী কর্মকাণ্ড। অনুশীলন সমিতি ও যুগান্তর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি তরুণদের একত্রিত করতে শুরু করেন। তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৩০ সালে ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন অভিযান সংঘটিত হয়। ব্রিটিশ পুলিশের চোখে তখন তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান বিপ্লবী।

তাঁর দৃঢ় অবস্থান ছিল চট্টগ্রাম তাঁর কর্মভূমি, জন্মভূমি এবং সংগ্রামের মাটি। তাই বিপদের মুখেও সেই জায়গা ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছা তাঁর ছিল না। চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকা, জঙ্গল ও প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিও তাঁর বিপ্লবী জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যায়। ব্রিটিশ পুলিশের নজর এড়াতে বিপ্লবীরা বিভিন্ন সময় এসব এলাকায় আশ্রয় নিতেন। ফলে চট্টগ্রামের ভূপ্রকৃতিই এক অর্থে হয়ে উঠেছিল তাঁদের সংগ্রামের সঙ্গী। এই জায়গাগুলির সঙ্গে সূর্য সেনের সম্পর্ক শুধুই প্রকৃতির প্রতি ভালবাসার ছিল না। এই মাটিই তাঁকে লড়াই করার জায়গা দিয়েছিল, বিপ্লবীদের আশ্রয় দিয়েছিল এবং স্বাধীনতার স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। মাস্টারদা সূর্য সেনের জীবন থেকে ‘প্রিয় জায়গা’ শব্দটির অর্থ যেন অন্য মাত্রা পায়। তাঁর কাছে কোনও নির্দিষ্ট দর্শনীয় স্থান নয়, নিজের দেশের মাটিই ছিল সবচেয়ে প্রিয়। সেই মাটির স্বাধীনতার জন্যই তিনি শিক্ষকতার স্বাভাবিক জীবন ছেড়ে বিপ্লবের পথে পা বাড়িয়েছিলেন। ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি ব্রিটিশরা তাঁকে ফাঁসি দেয়। কিন্তু মৃত্যুর আগেও তাঁর সঙ্গে চট্টগ্রামের সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি। যে মাটিকে তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আঁকড়ে রেখেছিলেন, সেই চট্টগ্রামই আজও তাঁকে স্মরণ করে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সাহসী বিপ্লবী হিসেবে।

রাত বাড়লেই দুর্যোগ বৃদ্ধির পূর্বাভাস, শনিতে তিন জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক রাজা সেন, এখন কেমন আছেন?

নাবালিকাকে লাগাতার ধর্ষণ, স্ত্রীকে পুড়িয়ে খুনের অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড বাদুড়িয়ার যুবকের

কর্মক্ষেত্রে বিশিষ্ট সেবার জন্য রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত হলেন ২১ জন সিবিআই আধিকারিক

‘স্বাস্থ্যসাথী আপাতত বন্ধ হচ্ছে না,’ ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের

‘কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিতবে বিজেপি,’ ভবিষ্যদ্বাণী মুখ্যমন্ত্রীর

স্বাধীনতা দিবসে AI-তে বানান নিজের দেশাত্মবোধের ছবি, রইল দুর্দান্ত কিছু প্রম্পট

দেশভাগের ক্ষত স্মরণে শিয়ালদহ স্টেশনে বিশেষ স্মারক স্থাপনের ভূমিপুজোতে উপস্থিত পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

কন্যারত্ন প্রকল্পে আর্থিক অনুদান বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দিল্লি হাইকোর্ট-সহ রাজধানীর ৬ জায়গায় বোমা হামলার হুমকি

নেতাজিকে নিয়ে কুমন্তব্য ‘ক্ষমার অযোগ্য’,অনন্ত মহারাজকে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

গলছে বরফ, আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে তারেক রহমান, মোদির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা

হেড কোচের থেকেও বড় দায়িত্ব! বিসিসিআইয়ের ‘ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট’ হতে পারেন লক্ষ্মণ

থানা থেকে বেরোতেই নির্মল-সঞ্জীবকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম-কাদা, ডিজে বক্স বাজিয়ে সেলিব্রেশন মুডে খড়দহবাসী